ঢাকা ১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হজ পালনে গিয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বাণী ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দলীয় বিবেচনায়’ ভিসি নিয়োগে জামায়াতের তীব্র প্রতিবাদ মানবতার রাজনীতিতে অনন্য দৃষ্টান্ত ঈদুল আজহায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান হাজী মোঃ জহিরুল ইসলামের পবিত্র ঈদুল আযহায় ত্যাগ, মানবতা ও উন্নয়নের বার্তা অসুস্থ শরীরেও থেমে নেই মানুষের সেবক ৪৭নং ওয়ার্ডজুড়ে আলহাজ্ব মোঃ আইয়ুব আলীর মানবিক মহাকাব্য মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন। দুই দশকের আইনি লড়াই শেষে ২৭তম বিসিএসের আরও ৯৬ জনের নিয়োগ প্রতি মাসেই বাড়ছে সড়ক মৃত্যুর মিছিল, এপ্রিলেই ৫১০ প্রাণহানি ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে চলছে সরকার, দাবি তথ্যমন্ত্রীর

স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন

গাজী মহাসিন
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ৫২০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন কিছু সময় এসেছে, যখন সত্য বলা ছিল অপরাধ, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, আর গণতন্ত্রের কথা বলা ছিল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের কারণ। সেই দুঃসময়ে যারা বুক চিতিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে কিছু মানুষ জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন তেমনই একজন সাহসী, ত্যাগী ও আপসহীন নেতা।
যখন সারাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন, জুলুম-নিপীড়ন, গুম, হামলা ও মিথ্যা মামলার রাজত্ব চলছিল, তখন অনেকেই নীরব ছিলেন, অনেকেই ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছেন। কিন্তু সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন রাজপথ ছেড়ে যাননি। তিনি “স্বৈরাচার হটাও, দেশ বাঁচাও” আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে প্রমাণ করেছেন আদর্শিক রাজনীতি এখনো জীবিত আছে।
শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাকে এবং তার পরিবারকে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মিথ্যা মামলায় কারাবরণ, প্রশাসনিক হয়রানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং নেতাকর্মীদের উপর দমন-পীড়ন এসব কিছুই তাকে দমাতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এটাই একজন প্রকৃত নেতার পরিচয় যিনি দুঃসময়ে পালিয়ে যান না, বরং কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগান।
আজ গাজীপুরের তরুণ সমাজ সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমনকে শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেখে না; তারা তাকে দেখে সাহস, ত্যাগ ও নেতৃত্বের এক অনুপ্রেরণা হিসেবে। রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই। কারণ নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি নয়; নেতৃত্ব মানে মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অটল থাকা।
আমরা বিশ্বাস করি, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং আগামী প্রজন্মের সঠিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমনের মতো নেতাদের সামনে এগিয়ে আনা সময়ের দাবি। দেশের এই সংকটময় রাজনৈতিক বাস্তবতায় আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্বই পারে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে।
ইতিহাস সবসময় ত্যাগীদের মনে রাখে। সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছু বদলে যায়, কিন্তু সংগ্রামী মানুষের নাম মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকে। সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন সেই ইতিহাসেরই এক উজ্জ্বল নাম, যিনি অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে আজও রাজপথে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছেন।
গাজী মহাসিন
সাধারণ সম্পাদক
৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপি, টঙ্গী পূর্ব থানা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের প্রতীক সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন কিছু সময় এসেছে, যখন সত্য বলা ছিল অপরাধ, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, আর গণতন্ত্রের কথা বলা ছিল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের কারণ। সেই দুঃসময়ে যারা বুক চিতিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে কিছু মানুষ জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন তেমনই একজন সাহসী, ত্যাগী ও আপসহীন নেতা।
যখন সারাদেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন, জুলুম-নিপীড়ন, গুম, হামলা ও মিথ্যা মামলার রাজত্ব চলছিল, তখন অনেকেই নীরব ছিলেন, অনেকেই ভয় পেয়ে পিছিয়ে গেছেন। কিন্তু সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন রাজপথ ছেড়ে যাননি। তিনি “স্বৈরাচার হটাও, দেশ বাঁচাও” আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে প্রমাণ করেছেন আদর্শিক রাজনীতি এখনো জীবিত আছে।
শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাকে এবং তার পরিবারকে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মিথ্যা মামলায় কারাবরণ, প্রশাসনিক হয়রানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং নেতাকর্মীদের উপর দমন-পীড়ন এসব কিছুই তাকে দমাতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এটাই একজন প্রকৃত নেতার পরিচয় যিনি দুঃসময়ে পালিয়ে যান না, বরং কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে সাহস জোগান।
আজ গাজীপুরের তরুণ সমাজ সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমনকে শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেখে না; তারা তাকে দেখে সাহস, ত্যাগ ও নেতৃত্বের এক অনুপ্রেরণা হিসেবে। রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতৃত্বের বিকল্প নেই। কারণ নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি নয়; নেতৃত্ব মানে মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়ানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে অটল থাকা।
আমরা বিশ্বাস করি, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং আগামী প্রজন্মের সঠিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমনের মতো নেতাদের সামনে এগিয়ে আনা সময়ের দাবি। দেশের এই সংকটময় রাজনৈতিক বাস্তবতায় আপসহীন ও সাহসী নেতৃত্বই পারে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে।
ইতিহাস সবসময় ত্যাগীদের মনে রাখে। সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছু বদলে যায়, কিন্তু সংগ্রামী মানুষের নাম মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকে। সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন সেই ইতিহাসেরই এক উজ্জ্বল নাম, যিনি অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করে আজও রাজপথে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছেন।
গাজী মহাসিন
সাধারণ সম্পাদক
৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপি, টঙ্গী পূর্ব থানা।