অলি-গলি ঘুরে মানুষের সমস্যা খুঁজে বের করছেন নিজেই; ড্রেন, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে জীবন বাজি রেখে কাজ করছেন জনমানুষের এই প্রিয় মুখ
অসুস্থ শরীরেও থেমে নেই মানুষের সেবক ৪৭নং ওয়ার্ডজুড়ে আলহাজ্ব মোঃ আইয়ুব আলীর মানবিক মহাকাব্য
- আপডেট সময় : ০৫:২২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
- / ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের টঙ্গীর ৪৭নং ওয়ার্ড যেন আজ এক ভিন্ন দৃশ্যের সাক্ষী। একজন মানুষ অসুস্থ শরীর, পায়ে আঘাত, তবুও থেমে নেই তার পথচলা। তিনি আলহাজ্ব মোঃ আইয়ুব আলী। যার নাম আজ মানুষের মুখে মুখে মানবতা, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের প্রতীক হয়ে উঠেছে। সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হওয়ার পরও তিনি ঘরে বসে বিশ্রাম নেননি। বরং সামান্য সুস্থ হতেই নেমে পড়েছেন মানুষের কষ্ট লাঘবের কাজে। ৪৭নং ওয়ার্ডের প্রত্যেক অলিগলি, প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি মোড় সবখানেই এখন তার পদচারণা।

তিনি নিজেই ঘুরে ঘুরে দেখছেন কোথায় পানি জমে, কোথায় ড্রেন বন্ধ, কোথায় রাস্তা ভাঙা, কোথায় মানুষ দুর্ভোগে আছে। শুধু দেখেই থেমে থাকেন না তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য শ্রমিক নিয়ে কাজ শুরু করে দেন। টি অ্যান্ড টি বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে তিনি নিজে উপস্থিত হয়ে ড্রেন পরিষ্কার, মাটি অপসারণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন। অসুস্থ পা নিয়েই কাদা-পানির মধ্যে নেমে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ তদারকি করছেন। কখনো নিজ হাতে মাটি তুলছেন, কখনো মানুষকে সাহস দিচ্ছেন, কখনো এলাকার তরুণদের সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কাজে অংশ নিচ্ছেন। এ যেন কোনো সাধারণ রাজনৈতিক নেতার গল্প নয়, এ যেন মানুষের জন্য নিবেদিত এক জীবন্ত মহাকাব্য।

মানুষ বলছে, “নেতা অনেকেই হয়, কিন্তু মানুষের কষ্টকে নিজের কষ্ট মনে করে এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়।” আলহাজ্ব মোঃ আইয়ুব আলীর জীবনের প্রতিটি অধ্যায় যেন সংগ্রাম, ত্যাগ ও ভালোবাসার এক অনন্য ইতিহাস। কারাগারের অন্ধকার, রাজনৈতিক নির্যাতন, শারীরিক অসুস্থতা কোনো কিছুই তাকে মানুষের সেবা থেকে দূরে রাখতে পারেনি।
আজ তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন তিনি ৪৭নং ওয়ার্ডের মানুষের আশা, ভরসা ও ভালোবাসার আরেক নাম। রাত-দিন মানুষের পাশে থাকা, বিপদে ছুটে যাওয়া, নিজের অর্থ ব্যয় করে উন্নয়ন কাজ করা এসবই তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
এলাকাবাসীর ভাষায়, “আইয়ুব ভাই মানে আস্থা। আইয়ুব ভাই মানে মানুষের পাশে থাকা।” আসন্ন দিনগুলোতে ৪৭নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে তিনি যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তার এই মানবিক সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। কারণ ইতিহাস সবসময় সেই মানুষদেরই মনে রাখে যারা নিজের কষ্ট ভুলে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে জীবন উৎসর্গ করেন।
আলহাজ্ব মোঃ আইয়ুব আলী ঠিক তেমনই এক নাম—
এক মানবিক ইতিহাস,
এক সংগ্রামী অধ্যায়,
এক জীবন্ত মহাকাব্য।

















