মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন।
- আপডেট সময় : ০৯:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / ৫০৭ বার পড়া হয়েছে

মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন। এই মহাগ্রন্থ মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির পথ প্রদর্শন করে। আল-কুরআনের প্রতিটি আয়াত মানুষের ঈমান, আমল, চরিত্র ও নৈতিকতাকে সুন্দর ও পরিপূর্ণ করার আহ্বান জানায়। নিচে পবিত্র কুরআনের আলোকে ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ তুলে ধরা হলো—
৫১। আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করো, তিনিই উত্তম অভিভাবক। (সূরা আহযাব: ৩)
৫২। যারা আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তাদের জন্য উত্তম পথ বের করে দেন। (সূরা তালাক: ২)
৫৩। ধৈর্য ও তাকওয়া অবলম্বন করো, এটাই সফলতার পথ। (সূরা আলে ইমরান: ২০০)
৫৪। আল্লাহর সাহায্য খুবই নিকটবর্তী—হতাশ হয়ো না। (সূরা বাকারা: ২১৪)
৫৫। মানুষের মধ্যে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করো। (সূরা হাদিদ: ২৫)
৫৬। ঈমান আনার পর আল্লাহর পথে অবিচল থাকো। (সূরা ফুসসিলাত: ৩০)
৫৭। দুনিয়ার মোহে পড়ে আখিরাত ভুলে যেও না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৫৮। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করো, মানুষের প্রশংসার জন্য নয়। (সূরা বাইয়্যিনাহ: ৫)
৫৯। অশান্তি নয়, মানুষের মাঝে শান্তি ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দাও। (সূরা হুজুরাত: ১০)
৬০। ঈমানদারদের বন্ধু হও এবং সৎ মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করো। (সূরা তাওবা: ১১৯)
৬১। রিজিকের জন্য হারাম পথ অবলম্বন করো না। (সূরা বাকারা: ১৬৮)
৬২। অন্যের দোষ অনুসন্ধান করো না। (সূরা হুজুরাত: ১২)
৬৩। আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করো ও কৃতজ্ঞ হও। (সূরা নাহল: ১১৪)
৬৪। মানুষের মাঝে অহেতুক বিবাদ সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা: ২০৫)
৬৫। যারা কুরআন তিলাওয়াত করে ও আমল করে তারাই সফল। (সূরা ফাতির: ২৯)
৬৬। সালাম প্রচার করো ও উত্তম কথা বলো। (সূরা নিসা: ৮৬)
৬৭। অন্যায় ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না। (সূরা ইসরা: ৩২)
৬৮। সন্তানদের উত্তম শিক্ষা ও আদর্শ দাও। (সূরা তাহরিম: ৬)
৬৯। আল্লাহর কাছে বিনয়ের সাথে দোয়া করো। (সূরা আরাফ: ৫৫)
৭০। পাপ গোপন হলেও আল্লাহ সবকিছু দেখেন—এ কথা স্মরণ রাখো। (সূরা মুজাদিলা: ৭)
৭১। মানুষের প্রতি দয়া করো, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করবেন। (সূরা বালাদ: ১৭)
৭২। নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করো। (সূরা আলে ইমরান: ১৩৪)
৭৩। অসহায় ও মুসাফিরদের সাহায্য করো। (সূরা বনি ইসরাঈল: ২৬)
৭৪। আল্লাহর পথে দান করলে তা কখনো বৃথা যায় না। (সূরা সাবা: ৩৯)
৭৫। ঈমানদার পুরুষ ও নারীরা একে অপরের সহযোগী। (সূরা তাওবা: ৭১)
৭৬। গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করো। (সূরা রাদ: ২১)
৭৭। শয়তান তোমাদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি করতে চায়—সাবধান থাকো। (সূরা মায়েদা: ৯১)
৭৮। প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দেন। (সূরা যিলযাল: ৭)
৭৯। সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। (সূরা বাকারা: ৪২)
৮০। আল্লাহর পথে ডাকো প্রজ্ঞা ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে। (সূরা নাহল: ১২৫)
৮১। নিজের পরিবারকে নামাজের আদেশ দাও। (সূরা ত্ব-হা: ১৩২)
৮২। আল্লাহ ধ্বংসাত্মক কাজ পছন্দ করেন না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৮৩। মানুষের উপকার করো, এটাই উত্তম আমল। (সূরা মাউন: ১-৭)
৮৪। বিপদে ধৈর্যশীল হও এবং শুকরিয়া আদায় করো। (সূরা ইবরাহিম: ৭)
৮৫। আল্লাহর কাছে সবসময় হেদায়েত কামনা করো। (সূরা ফাতিহা: ৬)
৮৬। মুমিনদের অন্তরে শান্তি নাজিল করেন আল্লাহ। (সূরা ফাতহ: ৪)
৮৭। গোপনে করা সৎকাজ আল্লাহ অধিক পছন্দ করেন। (সূরা বাকারা: ২৭১)
৮৮। কুরআন মানুষের অন্তরের রোগের শিফা। (সূরা ইউনুস: ৫৭)
৮৯। সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নাও। (সূরা নিসা: ১৩৫)
৯০। আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের প্রশান্তি। (সূরা রাদ: ২৮)
৯১। আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করো না। (সূরা আরাফ: ৪৫)
৯২। যারা তওবা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা: ২২২)
৯৩। দুনিয়ার প্রতিযোগিতায় নয়, তাকওয়ায় শ্রেষ্ঠত্ব খোঁজো। (সূরা হুজুরাত: ১৩)
৯৪। মিথ্যা অহংকার মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। (সূরা গাফির: ৩৫)
৯৫। আল্লাহর আয়াত নিয়ে উপহাস করো না। (সূরা জাসিয়া: ৯)
৯৬। সৎকাজের আদেশ দাও এবং অসৎ কাজে বাধা দাও। (সূরা আলে ইমরান: ১১০)
৯৭। মানুষকে সহজভাবে কথা বলো ও কঠোরতা পরিহার করো। (সূরা ত্ব-হা: ৪৪)
৯৮। আল্লাহর রহমত প্রত্যেক কষ্টের চেয়ে বড়। (সূরা যুমার: ৫৩)
৯৯। মৃত্যু আসার আগেই নেক আমলে নিজেকে প্রস্তুত করো। (সূরা মুনাফিকুন: ১০)
১০০। সর্বদা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, তিনিই পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সূরা নূর: ৩১)



















