৪৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কামুর উদ্যোগে বিশেষ মোনাজাত—জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা
মহান মে দিবসে এরশাদনগরে দোয়া-মিলাদ: শ্রমজীবী মানুষের পাশে কামরুল ইসলাম কামু
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
- / ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে

মহান ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদনগর এলাকায় এক ব্যতিক্রমধর্মী ধর্মীয় ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করেছেন ৪৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, এলাকার পরিচিত মুখ ও গরিব মানুষের বন্ধু মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা জানাতে এরশাদনগর ৫নং ব্লকের মসজিদুল আকসা জামে মসজিদে আয়োজন করা হয় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। এ সময় এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং কুরআনের হাফেজগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান ও একইসঙ্গে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো’র রূহের মাগফিরাত কামনাও করা হয়। এছাড়াও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।

এছাড়াও গাজীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও গাজীপুর সিটির প্রথম মেয়র মরহুম অধ্যাপক এম. এ. মান্নান-এর আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে কামু তার নিজের পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের জন্যও দোয়া চান, বিশেষ করে তার পিতা-মাতা এবং প্রয়াত সন্তান (সম্ভাব্য নাম: মোঃ জুনায়েদ) এর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। মোনাজাতে আরও দোয়া করা হয় এরশাদনগর এলাকার সকল মৃত ব্যক্তিদের জন্য, যেন মহান আল্লাহ তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
কাউন্সিলর প্রার্থী কামু তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, “আমি শ্রমিক, আমি মেহনতি মানুষের সন্তান এই পরিচয়ই আমার গর্ব। এরশাদনগরের প্রতিটি মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। রাজনীতি আমার কাছে সেবা করার একটি মাধ্যম।” স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং কামুর প্রতি মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করছে।
মহান মে দিবসের এই আয়োজনে একদিকে যেমন শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে, অন্যদিকে সমাজের কল্যাণ, ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। সব শেষে খাবার তেহারি প্যাকেট দিয়ে দেন সবাইকে।



















