ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে আলেম-ওলামাদের মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

কোরবানির মাংস পৌঁছে দিলেন গরিব-দুঃখী, দলীয় নেতাকর্মী ও ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীর ঘরে ঘরে

“মানুষের ঘরে মাংস পৌঁছাক, এটাই আমার শান্তি” মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
  • / ১৮৯৫ বার পড়া হয়েছে




ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন, যারা নিজেদের জন্য নয় মানুষের জন্য বাঁচেন। তারা নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়ান, কষ্টে থাকা মানুষের মুখে হাসি ফোটান এবং ভালোবাসা দিয়ে জয় করে নেন হাজারো হৃদয়। সময় বদলায়, সমাজ বদলায়, কিন্তু মানবতার শক্তি কখনো বদলায় না। আর সেই মানবতার উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে আজ টঙ্গীর এরশাদনগরে আলো ছড়িয়ে চলেছেন ৪৯নং ওয়ার্ডের পরিচিত সমাজসেবক ও গণমানুষের আস্থার নাম মোঃ কামরুল ইসলাম কামু।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে একটি বিশ্বাসের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা যেন তার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য দায়িত্ব। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানী। “মানুষের ঘরে মাংস পৌঁছাক, এটাই আমার শান্তি” পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আবারও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যে তিনি এ বছর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বড় দুইটি গরু কোরবানী দিয়েছেন।
কোরবানির মাংস শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ হয়নি এটি পৌঁছে গেছে অসহায় মানুষের দরজায়, শ্রমজীবী পরিবারের ঘরে, বৃদ্ধ মানুষের হাতে, দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে এবং ৪৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের পরিবারে পরিবারে।
মানুষ যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেই চিন্তাই ছিল তার সবচেয়ে বড় ভাবনা। স্থানীয়রা জানান, এটি কোনো নতুন আয়োজন নয়। প্রতিবছরই তিনি নিয়মিতভাবে কোরবানী দিয়ে মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ করে আসছেন। কোনো বছর পাঁচটি গরু, কোনো বছর তিনটি, আবার কোনো বছর আটটি গরু কোরবানী দিয়েছেন। এ বছরও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বড় দুইটি গরু কোরবানী দিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তার জীবনের মূল দর্শন।
এক বৃদ্ধা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “কামু ভাই শুধু নেতা না, তিনি গরিব মানুষের আপনজন। ঈদের সময় আমাদের ঘরে মাংস পৌঁছে দেন, খোঁজ নেন। আল্লাহ তাকে ভালো রাখুক।”
এক শ্রমজীবী মানুষ বলেন, “অনেক নেতা ভোটের সময় আসে, কিন্তু কামু ভাই সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন।” রাজনীতির বাইরে এক মানবিক মহাকাব্য।
আজকের সময়ে যখন মানুষ মানবিকতার অভাব অনুভব করছে, ঠিক তখনই কামরুল ইসলাম কামুর মতো মানুষরা সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের নতুন উদাহরণ তৈরি করছেন। তিনি শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যান না; কারও অসুস্থতা, কারও খাদ্য সংকট, কারও পারিবারিক বিপদ যেখানেই প্রয়োজন, সেখানেই এগিয়ে যান তিনি। তার রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তার মানবিক পরিচয়।
এরশাদনগরের মানুষ আজ গর্ব করে বলেন, “কামু ভাই আমাদের আস্থার জায়গা, আমাদের ভালোবাসার মানুষ।” সত্যিকারের ভালোবাসার নাম মানবতা।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত এই বিশ্বাস নিয়েই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের মুখের হাসিই একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা। আর সেই শিক্ষাকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি।
মানবতার পথে যারা হাঁটেন, ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাদেরকেই শ্রদ্ধার আসনে স্থান দেয়। আর সেই ইতিহাসের পাতায় ধীরে ধীরে নিজের নাম লিখে চলেছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু মানুষের ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবতার এক জীবন্ত প্রতীক হয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কোরবানির মাংস পৌঁছে দিলেন গরিব-দুঃখী, দলীয় নেতাকর্মী ও ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীর ঘরে ঘরে

“মানুষের ঘরে মাংস পৌঁছাক, এটাই আমার শান্তি” মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে কিছু মানুষ জন্ম নেন, যারা নিজেদের জন্য নয় মানুষের জন্য বাঁচেন। তারা নীরবে মানুষের পাশে দাঁড়ান, কষ্টে থাকা মানুষের মুখে হাসি ফোটান এবং ভালোবাসা দিয়ে জয় করে নেন হাজারো হৃদয়। সময় বদলায়, সমাজ বদলায়, কিন্তু মানবতার শক্তি কখনো বদলায় না। আর সেই মানবতার উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে আজ টঙ্গীর এরশাদনগরে আলো ছড়িয়ে চলেছেন ৪৯নং ওয়ার্ডের পরিচিত সমাজসেবক ও গণমানুষের আস্থার নাম মোঃ কামরুল ইসলাম কামু।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার অসহায়, দরিদ্র, শ্রমজীবী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে একটি বিশ্বাসের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা যেন তার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য দায়িত্ব। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানী। “মানুষের ঘরে মাংস পৌঁছাক, এটাই আমার শান্তি” পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আবারও মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং এলাকার গরিব-দুঃখী মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যে তিনি এ বছর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বড় দুইটি গরু কোরবানী দিয়েছেন।
কোরবানির মাংস শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ হয়নি এটি পৌঁছে গেছে অসহায় মানুষের দরজায়, শ্রমজীবী পরিবারের ঘরে, বৃদ্ধ মানুষের হাতে, দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে এবং ৪৯নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের পরিবারে পরিবারে।
মানুষ যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় সেই চিন্তাই ছিল তার সবচেয়ে বড় ভাবনা। স্থানীয়রা জানান, এটি কোনো নতুন আয়োজন নয়। প্রতিবছরই তিনি নিয়মিতভাবে কোরবানী দিয়ে মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ করে আসছেন। কোনো বছর পাঁচটি গরু, কোনো বছর তিনটি, আবার কোনো বছর আটটি গরু কোরবানী দিয়েছেন। এ বছরও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বড় দুইটি গরু কোরবানী দিয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তার জীবনের মূল দর্শন।
এক বৃদ্ধা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “কামু ভাই শুধু নেতা না, তিনি গরিব মানুষের আপনজন। ঈদের সময় আমাদের ঘরে মাংস পৌঁছে দেন, খোঁজ নেন। আল্লাহ তাকে ভালো রাখুক।”
এক শ্রমজীবী মানুষ বলেন, “অনেক নেতা ভোটের সময় আসে, কিন্তু কামু ভাই সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন।” রাজনীতির বাইরে এক মানবিক মহাকাব্য।
আজকের সময়ে যখন মানুষ মানবিকতার অভাব অনুভব করছে, ঠিক তখনই কামরুল ইসলাম কামুর মতো মানুষরা সমাজে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধের নতুন উদাহরণ তৈরি করছেন। তিনি শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যান না; কারও অসুস্থতা, কারও খাদ্য সংকট, কারও পারিবারিক বিপদ যেখানেই প্রয়োজন, সেখানেই এগিয়ে যান তিনি। তার রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তার মানবিক পরিচয়।
এরশাদনগরের মানুষ আজ গর্ব করে বলেন, “কামু ভাই আমাদের আস্থার জায়গা, আমাদের ভালোবাসার মানুষ।” সত্যিকারের ভালোবাসার নাম মানবতা।
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত এই বিশ্বাস নিয়েই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের মুখের হাসিই একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা। আর সেই শিক্ষাকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি।
মানবতার পথে যারা হাঁটেন, ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাদেরকেই শ্রদ্ধার আসনে স্থান দেয়। আর সেই ইতিহাসের পাতায় ধীরে ধীরে নিজের নাম লিখে চলেছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু মানুষের ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও মানবতার এক জীবন্ত প্রতীক হয়ে।