ঢাকা ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন শেকড় থেকে মানুষের হৃদয়ে মোঃ সোলাইমান সরকারের গল্প

‘সত্য উদঘাটন হোক, অপপ্রচার বন্ধ হোক’—সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান মামলায় অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, ঘটনাকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে; বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ

দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / ১৭০৬ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুরের টঙ্গীর দাঁড়াইল পশ্চিমপাড়ায় সম্প্রতি আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন খোকন ও তাঁর পরিবার। তাদের ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অতিরঞ্জিত প্রচারণা চালানো হয়েছে, যার ফলে তাদের পরিবার সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই জনগণ ও গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে টঙ্গীর দাঁড়াইল এলাকায় মনোয়ার হোসেন খোকনের নিজ বাড়ির সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় নারী-পুরুষ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনোয়ার হোসেন খোকন। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তর, পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি।
ঘটনার পটভূমি নিয়ে পরিবারের বক্তব্য। লিখিত বক্তব্যে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ঘটনার দিন স্থানীয় একটি বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে একটি সামাজিক সালিশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সালিশ শেষে বাদী নীর মোহনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, ওই সময় বাদী তাঁর ওপর চড়াও হন এবং গলা চেপে ধরেন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বাদী নিজ বাড়ির দিকে চলে যান।
মনোয়ার হোসেন খোকনের ভাষ্য, পরবর্তীতে যে পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গুরুতর সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে তিনি বা তাঁর ছেলে জড়িত নন। তিনি বলেন, ঘটনার পর তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যান এবং চিকিৎসা নেন। “আমার ছেলে একজন শিক্ষার্থী” সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন কণ্ঠে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, তাঁর ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তর একজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং কারাগারে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তদন্তে যার যে ভূমিকা আছে, তা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা হোক।”
জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার। সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি বলেন, “আমি কখনো কোনো জমি দখল করতে যাইনি। যদি আইনগতভাবে প্রমাণিত হয় যে আমি কোনো অন্যায় করেছি, তাহলে আইনের যে সিদ্ধান্ত হবে, আমি তা মাথা পেতে নেব।” তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তার অনেকগুলোই অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর।
নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তারা তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে চান না। বরং আইন, আদালত এবং তদন্তকারী সংস্থার প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়াইলের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। মামলায় অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম অন্তরের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ যেন অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ চাই না। আমরা আইনের বাইরে কিছু চাই না। আমরা শুধু চাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক। প্রকৃত অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আসুক। আর কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের অভিযোগ শুনুন, আবার অন্য পক্ষের কথাও শুনুন। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করুন। সত্য একদিন অবশ্যই প্রকাশিত হবে।”
সংবাদদাতার মন্তব্য। দাঁড়াইল পশ্চিমপাড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগ, ব্যাখ্যা ও দাবিগুলো সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ার হোসেন খোকন ও তাঁর পরিবারের উপস্থাপিত বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে, যাতে পাঠক পূর্ণাঙ্গ চিত্র জানতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘সত্য উদঘাটন হোক, অপপ্রচার বন্ধ হোক’—সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান মামলায় অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, ঘটনাকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে; বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ

দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীর দাঁড়াইল পশ্চিমপাড়ায় সম্প্রতি আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলার অভিযুক্ত মনোয়ার হোসেন খোকন ও তাঁর পরিবার। তাদের ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অতিরঞ্জিত প্রচারণা চালানো হয়েছে, যার ফলে তাদের পরিবার সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই জনগণ ও গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে টঙ্গীর দাঁড়াইল এলাকায় মনোয়ার হোসেন খোকনের নিজ বাড়ির সামনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় নারী-পুরুষ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনোয়ার হোসেন খোকন। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তর, পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি।
ঘটনার পটভূমি নিয়ে পরিবারের বক্তব্য। লিখিত বক্তব্যে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ঘটনার দিন স্থানীয় একটি বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে একটি সামাজিক সালিশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সালিশ শেষে বাদী নীর মোহনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে কথা বলতে গেলে পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি দাবি করেন, ওই সময় বাদী তাঁর ওপর চড়াও হন এবং গলা চেপে ধরেন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বাদী নিজ বাড়ির দিকে চলে যান।
মনোয়ার হোসেন খোকনের ভাষ্য, পরবর্তীতে যে পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গুরুতর সহিংসতার অভিযোগ আনা হয়েছে, তার সঙ্গে তিনি বা তাঁর ছেলে জড়িত নন। তিনি বলেন, ঘটনার পর তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যান এবং চিকিৎসা নেন। “আমার ছেলে একজন শিক্ষার্থী” সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন কণ্ঠে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, তাঁর ছেলে আশরাফুল ইসলাম অন্তর একজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং কারাগারে যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। তদন্তে যার যে ভূমিকা আছে, তা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা হোক।”
জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার। সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখলের যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। তিনি বলেন, “আমি কখনো কোনো জমি দখল করতে যাইনি। যদি আইনগতভাবে প্রমাণিত হয় যে আমি কোনো অন্যায় করেছি, তাহলে আইনের যে সিদ্ধান্ত হবে, আমি তা মাথা পেতে নেব।” তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তার অনেকগুলোই অতিরঞ্জিত ও বিভ্রান্তিকর।
নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তারা তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে চান না। বরং আইন, আদালত এবং তদন্তকারী সংস্থার প্রতি তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়াইলের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। মামলায় অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম অন্তরের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ যেন অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে মনোয়ার হোসেন খোকন বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ চাই না। আমরা আইনের বাইরে কিছু চাই না। আমরা শুধু চাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক। প্রকৃত অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আসুক। আর কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের অভিযোগ শুনুন, আবার অন্য পক্ষের কথাও শুনুন। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করুন। সত্য একদিন অবশ্যই প্রকাশিত হবে।”
সংবাদদাতার মন্তব্য। দাঁড়াইল পশ্চিমপাড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগ, ব্যাখ্যা ও দাবিগুলো সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ার হোসেন খোকন ও তাঁর পরিবারের উপস্থাপিত বক্তব্যের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রকাশ করা হবে, যাতে পাঠক পূর্ণাঙ্গ চিত্র জানতে পারেন।