“যুব ঐক্য, প্রগতি ও সংগ্রাম থেকে সাফল্যের পথে জাতীয়তাবাদী যুবদল” ঐক্যবদ্ধ যুবসমাজ গড়ার প্রত্যয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মোঃ সুমন
ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি
- আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৭৫ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি শুধু পদ-পদবি কিংবা ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সমাজের জন্য কাজ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ার একটি দায়িত্ব। এমন ভাবনা থেকেই যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক চেতনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সংগ্রামী সভাপতি শেখ মোঃ সুমন। তাঁর রাজনৈতিক পথচলায় যুবসমাজকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর বিশ্বাস, “যুবকরাই দেশের প্রাণ।” তাই তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করে তাদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে।
ঐক্যই শক্তি, ঐক্যই অগ্রযাত্রার পথ, শেখ মোঃ সুমন বলেন, টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদল সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, আবারও “ঐক্যের মেলা” হবে, যেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজও একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় একসঙ্গে এগিয়ে যাবে। বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষায়, ফুটবল আবার মাঠে ফিরুক, ছাত্র-যুবক ও জনতার প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হোক মাঠ, এমন একটি বাংলাদেশই প্রত্যাশিত।

সম্প্রীতির বার্তা, লাল গোলাপের শুভেচ্ছা, শেখ মোঃ সুমনের প্রতি টঙ্গী পশ্চিম থানা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের পক্ষ থেকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এই শুভেচ্ছা বিনিময়কে তিনি সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁর রাজনৈতিক ভাবনায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের প্রতি সম্মান ও সৌহার্দ্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।
যুবকদের নিয়ে ভাবনা, মানুষের জন্য শুভকামনা, শেখ মোঃ সুমনের ব্যক্তিগত বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতেও তরুণদের ভবিষ্যৎ, সময়ের মূল্য এবং আত্মশুদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি মনে করেন, মানুষের জীবনে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ হলেও সময় তার চেয়েও মূল্যবান। হারিয়ে যাওয়া সময় কোনো সম্পদ দিয়েই ফিরিয়ে আনা যায় না। তাই অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততা, কোলাহল ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে জীবনের মূল্যবান সময়কে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
তাঁর একটি ভাবনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, “অর্থ পরম সম্পদ হতে পারে, কিন্তু সময় চূড়ান্ত ও সীমিত মূলধন। হাজার কোটি টাকা দিয়েও হারিয়ে যাওয়া একটি সেকেন্ড কেনা অসম্ভব।” এই উপলব্ধি থেকেই তিনি সবাইকে সময়ের যথাযথ মূল্যায়ন এবং নিজেদের কর্মকাণ্ডকে আরও অর্থবহ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ওমরার পথে শেখ মোঃ সুমন, দোয়া চেয়েছেন সবার কাছে, ব্যক্তিজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক অধ্যায়ের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ মোঃ সুমন। পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে তিনি যাত্রার প্রস্তুতি নিয়েছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁর ওমরা কবুল করেন এবং তাঁকে আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন। একই সঙ্গে তিনি সবার জন্যও দোয়া করবেন বলে জানিয়েছেন। ১৭ তারিখ, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ওমরার টিকিট হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেছেন, আল্লাহ যেন তাঁর এই ইবাদত কবুল করেন এবং জীবনের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও ধৈর্যশীল ও মানবিক হওয়ার শক্তি দেন।
“গোবরে পদ্মফুল ফোটাও”, আত্মশুদ্ধির এক প্রার্থনা, শেখ মোঃ সুমনের একটি আবেগঘন প্রার্থনায় ফুটে উঠেছে নিজের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সংশোধনের আকুতি।
তিনি প্রার্থনা করেছেন, “আল্লাহ, তুমি গোবরে পদ্মফুল ফোটাও। আমাকে আরও ধৈর্য ধরার তৌফিক দাও। কারও মনে যেন কষ্ট না দিই, এমন কাজ থেকে দূরে রাখো; যেন আমার দ্বারা কোনো মানুষের মনে কষ্ট না হয়।” এই কথাগুলো তাঁর ব্যক্তিগত আত্মসমালোচনা ও নিজেকে আরও পরিশুদ্ধ করার আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা যায়।
রাজনীতির শিক্ষাও হোক আত্মশুদ্ধির অংশ, শেখ মোঃ সুমন আরও বলেছেন, রাজনীতি সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা অর্জনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি রাজনীতির আদর্শ, দায়িত্ব, মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য নিজেকে আরও শিক্ষিত ও প্রস্তুত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাঁর ভাষায়, রাজনীতির শিক্ষা গ্রহণের তৌফিক আল্লাহ দান করুন, এই শিক্ষার পথচলা যেন আল্লাহ কবুল করেন। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা হিসেবে নয়, বরং মানুষের জন্য দায়িত্ব ও সেবার একটি ক্ষেত্র হিসেবে দেখার প্রত্যয় প্রকাশ করেছেন।
তারুণ্যের হাত ধরেই আগামীর পথচলা, শেখ মোঃ সুমনের রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে যুবসমাজ। তিনি মনে করেন, সঠিক দিকনির্দেশনা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে তরুণদের শক্তিকে দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। তাঁর প্রত্যাশা, যুবসমাজ বিভেদ ও সংঘাতের পথ পরিহার করে ঐক্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, সামাজিক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে।
“যুব ঐক্য, প্রগতি ও সংগ্রাম থেকে সাফল্যের পথে, জাতীয়তাবাদী যুবদল” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে তিনি তাঁর সাংগঠনিক পথচলা অব্যাহত রাখতে চান। সবশেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন, “রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে সঠিকভাবে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।” শেখ মোঃ সুমনের বক্তব্যে তাই একই সঙ্গে উঠে আসে রাজনৈতিক ঐক্য, তারুণ্যের শক্তি, মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সময়ের মূল্য, আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর ওপর ভরসা। তাঁর প্রত্যাশা, রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, তারুণ্য হোক দেশের শক্তি এবং ঐক্য হোক এগিয়ে যাওয়ার প্রধান ভিত্তি।















