ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের চাল ৩০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ, প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খল আয়োজন

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / ১৬৬৭ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদনগর জাগরণী (চার্জ অব বাংলাদেশ) উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ৩ টন চাল অসহায়, দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সকাল ১২টা থেকে বিকাল পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে মোট ৩০০টি পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এ খাদ্য সহায়তা স্থানীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য সার্বিক সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু। স্থানীয়দের মতে, সরকারি বরাদ্দের চাল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ট্রাক ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি, চাল বহন, চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা, স্বেচ্ছাসেবকদের খাবার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করেন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবীরা এলাকার প্রকৃত অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করে তালিকা প্রস্তুতে সহায়তা করেন। কয়েকদিন ধরে দিন-রাত পরিশ্রম করে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ পরিচালিত হয়, যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পান।
জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এ চাল বরাদ্দ আনয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো প্রক্রিয়ায় সার্বিক সহযোগিতা করেন।
চাল বিতরণ কার্যক্রমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের তালিকা, পরিচয় ও মোবাইল নম্বর যাচাই করেন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি তদারকি দল পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং ইলেকট্রনিক ওজন মেশিনে ১০ কেজি করে চাল মেপে প্রত্যেক উপকারভোগীর হাতে তুলে দেয়, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বৈষম্যের সুযোগ না থাকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মো. কামরুল ইসলাম কামু দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অতীতেও তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহু পরিবারের মাঝে ১৫ কেজি করে চালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছেন। এলাকার মানুষের প্রয়োজনের সময় তিনি নিয়মিত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। উপকারভোগীরা জানান, সরকারি বরাদ্দের এ খাদ্য সহায়তা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বিতরণ হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং মানবিক এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক উদ্যোগ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের চাল ৩০০ পরিবারের মাঝে বিতরণ, প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খল আয়োজন

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদনগর জাগরণী (চার্জ অব বাংলাদেশ) উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ৩ টন চাল অসহায়, দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সকাল ১২টা থেকে বিকাল পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে মোট ৩০০টি পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এ খাদ্য সহায়তা স্থানীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে বিতরণের জন্য সার্বিক সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু। স্থানীয়দের মতে, সরকারি বরাদ্দের চাল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে ট্রাক ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি, চাল বহন, চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা, স্বেচ্ছাসেবকদের খাবার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করেন। এছাড়া তাঁর নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবীরা এলাকার প্রকৃত অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করে তালিকা প্রস্তুতে সহায়তা করেন। কয়েকদিন ধরে দিন-রাত পরিশ্রম করে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজ পরিচালিত হয়, যাতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পান।
জাতীয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সংস্থার গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এ চাল বরাদ্দ আনয়ন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি গাজীপুর জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো প্রক্রিয়ায় সার্বিক সহযোগিতা করেন।
চাল বিতরণ কার্যক্রমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের তালিকা, পরিচয় ও মোবাইল নম্বর যাচাই করেন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি তদারকি দল পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং ইলেকট্রনিক ওজন মেশিনে ১০ কেজি করে চাল মেপে প্রত্যেক উপকারভোগীর হাতে তুলে দেয়, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বৈষম্যের সুযোগ না থাকে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মো. কামরুল ইসলাম কামু দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, দরিদ্র, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। অতীতেও তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহু পরিবারের মাঝে ১৫ কেজি করে চালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেছেন। এলাকার মানুষের প্রয়োজনের সময় তিনি নিয়মিত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। উপকারভোগীরা জানান, সরকারি বরাদ্দের এ খাদ্য সহায়তা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে বিতরণ হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং মানবিক এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক উদ্যোগ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।