টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মো. সুমন: মাঠের রাজনীতিতে নিরলস এক সংগঠক
নেতৃত্বে সক্রিয়তা, সংগঠনে নিবেদন ও কর্মীদের আস্থার প্রতীক
- আপডেট সময় : ১০:০০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
- / ১৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতির প্রাণশক্তি কেবল মিছিল-মিটিং নয়; বরং কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, সাংগঠনিক দায়িত্ববোধ এবং মানুষের পাশে থাকার ধারাবাহিকতাই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরে। টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মো. সুমন সম্পর্কে তার সহকর্মী ও সমর্থকেরা এমনই মূল্যায়ন করে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্গীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, প্রতিবাদ সমাবেশ, মোটরসাইকেল শোডাউন, বিক্ষোভ মিছিল, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং সামাজিক উদ্যোগে তার সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় রাজনীতিতে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। সহকর্মীদের মতে, সংগঠনের প্রয়োজন হলে দিন-রাতের ব্যবধান না দেখে তিনি মাঠে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেন।
গাজীপুর মহানগর যুবদলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সাজেদুল ইসলাম-এর পদোন্নতি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলেও শেখ মো. সুমনের নেতৃত্বে টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ ছিল। সেখানে দেশ, জাতি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। বক্তারা ঐক্য, শৃঙ্খলা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে টঙ্গীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার দাবিতে অনুষ্ঠিত মোটরসাইকেল শোডাউন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও শেখ মো. সুমনের নেতৃত্বে টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সমাবেশে তিনি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ, জননিরাপত্তা এবং আইন মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, শেখ মো. সুমনের সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম দিক হলো কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়া। অনেকেই মনে করেন, সাংগঠনিক প্রয়োজনে তিনি সহজে যোগাযোগযোগ্য একজন নেতা, যিনি কর্মীদের কথা শোনেন এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার চেষ্টা করেন। তার বক্তব্যে প্রায়ই উঠে আসে ঐক্যবদ্ধ যুবশক্তি, সামাজিক সম্প্রীতি, খেলাধুলার প্রসার, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের বিষয়। তিনি মনে করেন, সুস্থ সমাজ গঠনে তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়া জরুরি এবং খেলাধুলা সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে। সহকর্মীদের মতে, রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও শেখ মো. সুমনের অংশগ্রহণ তাকে কর্মীদের কাছে আরও পরিচিত করে তুলেছে। বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান, মিলাদ, দোয়া মাহফিল, সামাজিক উদ্যোগ এবং জনসেবামূলক আয়োজনে তার উপস্থিতি সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করে।
তাদের বিশ্বাস, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা অপরিহার্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই শেখ মো. সুমন ও তার সহকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন বলে তারা উল্লেখ করেন। একজন সংগঠকের প্রকৃত মূল্যায়ন হয় মাঠের কর্মীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক, দায়িত্ব পালনের আন্তরিকতা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতার মাধ্যমে। টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের অনেক নেতাকর্মীর মতে, শেখ মো. সুমন সেই আদর্শকে ধারণ করে সংগঠনকে এগিয়ে নিতে সচেষ্ট একজন সক্রিয় সংগঠক। ভবিষ্যতেও তিনি দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন তার সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।




















