ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

প্রচারণাহীন দান, নিভৃত মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক—আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন

নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ১৬৫৫ বার পড়া হয়েছে




সমাজে কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় ব্যানার-পোস্টার কিংবা প্রচারণার শব্দে নয়; বরং মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত কৃতজ্ঞতায়। তারা আলোচনায় আসেন না নিজেদের তুলে ধরতে, বরং মানুষের দুঃসময়ে নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে। তাঁদের কাজের মূল্যায়ন হয় মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও আস্থায়। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে এমনই এক পরিচিত নাম আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন। বহু বছর ধরে তিনি নীরবে সমাজসেবা, মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর পরিচয় অনেকের কাছে একজন ব্যবসায়ী, সংগঠক বা সমাজসেবক; আবার কারও কাছে তিনি সংকটের সময়ে ভরসার একটি নাম।
মানবিক মূল্যবোধে বেড়ে ওঠা। আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন জন্মেছেন একটি সম্মানিত ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে। তাঁর পিতা মরহুম আবুল কাশেম এলাকায় একজন সৎ ও সুপরিচিত দলিল লেখক ও ভেন্ডার হিসেবে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর জীবনের মূল শিক্ষা। মাতা মোসাম্মৎ সুফিয়া বেগমের স্নেহ, ধর্মীয় অনুশাসন ও মানবিক শিক্ষার মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে মকবুল হোসেনের ব্যক্তিত্ব। পারিবারিকভাবে হজ পালন তাঁর ধর্মীয় অনুরাগ ও মূল্যবোধের প্রতিফলন।
শিক্ষা ও সমাজগঠনে সম্পৃক্ততা। তিনি মকবুল এয়ার ট্রাভেলস-এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সেবা দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি তিনি তুরাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি, তাহসীনুল কোরআন মডেল একাডেমীর পরিচালক এবং মুদাফা রাহিমিয়া মাদরাসার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষা, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে তাঁর নিয়মিত সম্পৃক্ততা তাঁকে একজন দায়িত্বশীল সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত করেছে।
নীরব দানে গড়ে ওঠা আস্থা। অনেকেই দানের ছবি তুলে প্রচার করেন; কিন্তু স্থানীয় মানুষের ভাষ্যমতে, মকবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এমনভাবে সহায়তা করে আসছেন, যেখানে প্রচারের চেয়ে মানুষের প্রয়োজনই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। দরিদ্র পরিবারের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য বিতরণ, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান, রাস্তা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন এসব কাজ তিনি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন বলে এলাকাবাসী জানান। মানুষের কাছে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেন।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা। মাদককে সমাজের অন্যতম বড় সংকট হিসেবে বিবেচনা করে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়দের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মাদক প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন। মাদক কখনো আনন্দের পথ দেখায় না; এটি ধীরে ধীরে মানুষ, পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে। শিক্ষা, নৈতিকতা ও সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে।” স্থানীয়দের মধ্যে মাদকবিরোধী পোস্টার বিতরণ, সচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেও তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ। মুদাফা ভোলারটেক এলাকার রাস্তা সংস্কার, পূর্বপাড়া হুকুম আলী দাদার বাড়ির সামনের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে উদ্যোগ, বিভিন্ন সড়ক চলাচলের উপযোগী করা, ড্রেন পরিষ্কার ও ড্রেন নির্মাণ এসব কাজে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। বছরের পর বছর সামান্য বৃষ্টিতেই যেসব এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে মানুষের চলাচল ব্যাহত হতো, সেসব স্থানে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করেছে বলে অনেক বাসিন্দা মত প্রকাশ করেন।
দুর্যোগে মানুষের পাশে। মুদাফা বিষারটেক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ও স্থানীয়রা জরুরি খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা এবং আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া এবং প্রাথমিক সহায়তার উদ্যোগ এসব কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের কাছে মানবিক দায়িত্ববোধের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক। স্থানীয় অনেকেই বলেন, কোনো সামাজিক সমস্যা, অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়। মানুষের সঙ্গে তাঁর এই নিয়মিত যোগাযোগ ও সামাজিক সম্পৃক্ততাই তাঁকে এলাকায় পরিচিত একটি মুখে পরিণত করেছে।
ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, তিনি বিভিন্ন সময়ে ন্যায়, ইনসাফ, সামাজিক সম্প্রীতি, শিক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মাদকমুক্ত সমাজ এবং উন্নয়নমুখী নাগরিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে প্রায়ই উঠে আসে সমাজের উন্নয়ন সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্ভব। একজন মানুষের মূল্যায়ন কেবল তাঁর পরিচয়ে নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সমাজের জন্য কী করেছেন সেই কাজের মধ্যেই নিহিত থাকে। আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন সম্পর্কে স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও বক্তব্যে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি উঠে আসে, তা হলো মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর সম্পৃক্ততা। ভবিষ্যতেও তিনি যেন মানবিক মূল্যবোধ, সততা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন এমন প্রত্যাশাই অনেকের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রচারণাহীন দান, নিভৃত মানবসেবা ও জনআস্থার প্রতীক—আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন

নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য

আপডেট সময় : ০৭:৪২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সমাজে কিছু মানুষ আছেন, যাদের পরিচয় ব্যানার-পোস্টার কিংবা প্রচারণার শব্দে নয়; বরং মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত কৃতজ্ঞতায়। তারা আলোচনায় আসেন না নিজেদের তুলে ধরতে, বরং মানুষের দুঃসময়ে নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে। তাঁদের কাজের মূল্যায়ন হয় মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও আস্থায়। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫২ নম্বর ওয়ার্ডে এমনই এক পরিচিত নাম আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন। বহু বছর ধরে তিনি নীরবে সমাজসেবা, মানবিক সহায়তা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তাঁর পরিচয় অনেকের কাছে একজন ব্যবসায়ী, সংগঠক বা সমাজসেবক; আবার কারও কাছে তিনি সংকটের সময়ে ভরসার একটি নাম।
মানবিক মূল্যবোধে বেড়ে ওঠা। আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন জন্মেছেন একটি সম্মানিত ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে। তাঁর পিতা মরহুম আবুল কাশেম এলাকায় একজন সৎ ও সুপরিচিত দলিল লেখক ও ভেন্ডার হিসেবে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ ছিল তাঁর জীবনের মূল শিক্ষা। মাতা মোসাম্মৎ সুফিয়া বেগমের স্নেহ, ধর্মীয় অনুশাসন ও মানবিক শিক্ষার মধ্য দিয়েই গড়ে ওঠে মকবুল হোসেনের ব্যক্তিত্ব। পারিবারিকভাবে হজ পালন তাঁর ধর্মীয় অনুরাগ ও মূল্যবোধের প্রতিফলন।
শিক্ষা ও সমাজগঠনে সম্পৃক্ততা। তিনি মকবুল এয়ার ট্রাভেলস-এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সেবা দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি তিনি তুরাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি, তাহসীনুল কোরআন মডেল একাডেমীর পরিচালক এবং মুদাফা রাহিমিয়া মাদরাসার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষা, ধর্মীয় চর্চা ও সামাজিক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রগুলোতে তাঁর নিয়মিত সম্পৃক্ততা তাঁকে একজন দায়িত্বশীল সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত করেছে।
নীরব দানে গড়ে ওঠা আস্থা। অনেকেই দানের ছবি তুলে প্রচার করেন; কিন্তু স্থানীয় মানুষের ভাষ্যমতে, মকবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এমনভাবে সহায়তা করে আসছেন, যেখানে প্রচারের চেয়ে মানুষের প্রয়োজনই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। দরিদ্র পরিবারের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য বিতরণ, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান, রাস্তা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন এসব কাজ তিনি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন বলে এলাকাবাসী জানান। মানুষের কাছে তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেন।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা। মাদককে সমাজের অন্যতম বড় সংকট হিসেবে বিবেচনা করে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়দের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মাদক প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন। মাদক কখনো আনন্দের পথ দেখায় না; এটি ধীরে ধীরে মানুষ, পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে। শিক্ষা, নৈতিকতা ও সচেতনতাই পারে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে।” স্থানীয়দের মধ্যে মাদকবিরোধী পোস্টার বিতরণ, সচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমেও তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ। মুদাফা ভোলারটেক এলাকার রাস্তা সংস্কার, পূর্বপাড়া হুকুম আলী দাদার বাড়ির সামনের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে উদ্যোগ, বিভিন্ন সড়ক চলাচলের উপযোগী করা, ড্রেন পরিষ্কার ও ড্রেন নির্মাণ এসব কাজে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। বছরের পর বছর সামান্য বৃষ্টিতেই যেসব এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে মানুষের চলাচল ব্যাহত হতো, সেসব স্থানে উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করেছে বলে অনেক বাসিন্দা মত প্রকাশ করেন।
দুর্যোগে মানুষের পাশে। মুদাফা বিষারটেক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি ও স্থানীয়রা জরুরি খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা এবং আর্থিক সহযোগিতার ব্যবস্থা করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া এবং প্রাথমিক সহায়তার উদ্যোগ এসব কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের কাছে মানবিক দায়িত্ববোধের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক। স্থানীয় অনেকেই বলেন, কোনো সামাজিক সমস্যা, অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা জরুরি প্রয়োজন দেখা দিলে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়। মানুষের সঙ্গে তাঁর এই নিয়মিত যোগাযোগ ও সামাজিক সম্পৃক্ততাই তাঁকে এলাকায় পরিচিত একটি মুখে পরিণত করেছে।
ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, তিনি বিভিন্ন সময়ে ন্যায়, ইনসাফ, সামাজিক সম্প্রীতি, শিক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মাদকমুক্ত সমাজ এবং উন্নয়নমুখী নাগরিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে প্রায়ই উঠে আসে সমাজের উন্নয়ন সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্ভব। একজন মানুষের মূল্যায়ন কেবল তাঁর পরিচয়ে নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে সমাজের জন্য কী করেছেন সেই কাজের মধ্যেই নিহিত থাকে। আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন সম্পর্কে স্থানীয়দের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও বক্তব্যে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি উঠে আসে, তা হলো মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর সম্পৃক্ততা। ভবিষ্যতেও তিনি যেন মানবিক মূল্যবোধ, সততা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের এই ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন এমন প্রত্যাশাই অনেকের।