ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের পেলেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে বদলির নির্দেশ সততাকে ভিত্তি, জনতাকে শক্তি করে জনসেবায় আব্দুল আউয়াল সরকার গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে বিএনপির আলোচনা সভা আত্মসমর্পণের শর্তে আগাম জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে বিএনপি, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেতৃত্বে নয়ন এমপি ও শওকত হোসেন সরকার রিফাত-জুম্মনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল এরশাদনগর রাজপথের পরীক্ষিত কর্মী বেনজীর রহমান খান পিন্টু পদ-পদবির অহংকার নয়, মানুষের সেবাই কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনীতির মূল দর্শন

তেলের মজুদ নিয়ে শঙ্কা নয়, অতিরিক্ত কেনাকাটাই সংকটের কারণ: জ্বালানিমন্ত্রী

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৪০ বার পড়া হয়েছে




দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, বরং হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতার কারণে সরবরাহে সাময়িক সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
তিনি জানান, চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সামান্য ব্যবধান তৈরি হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। “ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড হঠাৎ বেড়ে গেছে, কিন্তু আমরা আগের মতোই সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। ডিমান্ড বাড়লে কিছুটা চাপ তো তৈরি হবেই, এটা স্বাভাবিক,” বলেন মন্ত্রী।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে দেশে জ্বালানি সরবরাহে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর মধ্যে ঈদের ছুটিতে ব্যাংক ও ডিপো বন্ধ থাকায় পেমেন্ট জটিলতা দেখা দেয়, ফলে কিছু এলাকায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়। এমনকি পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।
এই প্রেক্ষাপটে জ্বালানিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “তেল নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। সবাই প্রয়োজনমতো তেল পাবেন।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “তেলের অভাবে কারও গাড়ি কি বন্ধ হয়ে গেছে?” তার ভাষায়, ঈদের সময়েও পরিবহন চলাচলে বড় কোনো সমস্যা হয়নি, যা প্রমাণ করে সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি নেই।
তিনি আরও বলেন, অপ্রয়োজনীয় মজুত করার প্রবণতা পরিস্থিতিকে জটিল করছে। “অকারণে বেশি তেল নেওয়ার দরকার নেই। সবাই যদি প্রয়োজন অনুযায়ী নেন, তাহলে কোনো সমস্যা থাকবে না,” বলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের বিষয়টি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন দেখে থাকে, সরকার এখনো দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সার্বিকভাবে, সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় এবং সরবরাহ চেইন ঠিক থাকলে চলমান এই চাপ দ্রুত কেটে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তেলের মজুদ নিয়ে শঙ্কা নয়, অতিরিক্ত কেনাকাটাই সংকটের কারণ: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, বরং হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রবণতার কারণে সরবরাহে সাময়িক সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
তিনি জানান, চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সামান্য ব্যবধান তৈরি হওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। “ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড হঠাৎ বেড়ে গেছে, কিন্তু আমরা আগের মতোই সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছি। ডিমান্ড বাড়লে কিছুটা চাপ তো তৈরি হবেই, এটা স্বাভাবিক,” বলেন মন্ত্রী।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে দেশে জ্বালানি সরবরাহে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর মধ্যে ঈদের ছুটিতে ব্যাংক ও ডিপো বন্ধ থাকায় পেমেন্ট জটিলতা দেখা দেয়, ফলে কিছু এলাকায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়। এমনকি পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে।
এই প্রেক্ষাপটে জ্বালানিমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “তেল নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই। সবাই প্রয়োজনমতো তেল পাবেন।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “তেলের অভাবে কারও গাড়ি কি বন্ধ হয়ে গেছে?” তার ভাষায়, ঈদের সময়েও পরিবহন চলাচলে বড় কোনো সমস্যা হয়নি, যা প্রমাণ করে সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি নেই।
তিনি আরও বলেন, অপ্রয়োজনীয় মজুত করার প্রবণতা পরিস্থিতিকে জটিল করছে। “অকারণে বেশি তেল নেওয়ার দরকার নেই। সবাই যদি প্রয়োজন অনুযায়ী নেন, তাহলে কোনো সমস্যা থাকবে না,” বলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণের বিষয়টি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন দেখে থাকে, সরকার এখনো দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
সার্বিকভাবে, সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় এবং সরবরাহ চেইন ঠিক থাকলে চলমান এই চাপ দ্রুত কেটে যাবে।