ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গীতে “জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে দ্রোহ ও বিক্ষোভ মিছিল”

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / ২১১৯ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420




আজ ১৭ জুলাই ২০২৫, গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে “জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে জুলাই দ্রোহ ও বিক্ষোভ মিছিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদ আসর মাদ্রাসার প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই মিছিলটি শেষ হয়।
আন্দোলন কর্মসূচির আয়োজন করে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (টাকসু)। টাকসু’র ভিপি ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা সাইদুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা ছিল পরিকল্পিত ও নির্মম। সেই হত্যাকাণ্ডে তা’মীরুল মিল্লাত পরিবারের পাঁচজন ছাত্র শহীদ হন বলে আয়োজকরা জানান। এখনো এসব শহীদের ন্যায়বিচার না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।
মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, “জুলাই গণহত্যার বিচার যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে না হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।” টাকসু ভিপি ইকবাল কবির বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বে বাস্তবায়ন করলে তা হবে ইতিহাসের কলঙ্ক। আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায় নিরপেক্ষ তদন্তে প্রমাণিত হলে তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।”
জিএস সাইদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আমাদের মিল্লাত পরিবার থেকে পাঁচজন শহীদ হয়েছেন। আমরা তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবো না। দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
এই কর্মসূচিতে মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ অংশগ্রহণ করেন। পুরো কর্মসূচিতে ছাত্র-জনতা নানা প্রতিবাদী স্লোগানে মুখর ছিল:
“আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে”,
“শেখ হাসিনার বিচার চাই”,
“জুলাইয়ের সনদ চাই”,
“আমার দেশ তোমার দেশ—বাংলাদেশ, বাংলাদেশ”,
“ছাত্রলীগ ধর–জেলেভর”,
“শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না”,
“নারে তাকবীর–আল্লাহু আকবার”,
“ইনকিলাব জিন্দাবাদ” ইত্যাদি।
বিক্ষোভ মিছিলটি সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়। আয়োজকরা জানান, তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে যাবেন। জুলাই গণহত্যা যেন ইতিহাসের অমোচনীয় কলঙ্ক না হয়ে দাঁড়ায়— সেই লক্ষ্যেই ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তা’মীরুল মিল্লাত টঙ্গীতে “জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে দ্রোহ ও বিক্ষোভ মিছিল”

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

আজ ১৭ জুলাই ২০২৫, গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে “জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে জুলাই দ্রোহ ও বিক্ষোভ মিছিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদ আসর মাদ্রাসার প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই মিছিলটি শেষ হয়।
আন্দোলন কর্মসূচির আয়োজন করে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (টাকসু)। টাকসু’র ভিপি ইকবাল কবিরের সভাপতিত্বে কর্মসূচির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা সাইদুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা ছিল পরিকল্পিত ও নির্মম। সেই হত্যাকাণ্ডে তা’মীরুল মিল্লাত পরিবারের পাঁচজন ছাত্র শহীদ হন বলে আয়োজকরা জানান। এখনো এসব শহীদের ন্যায়বিচার না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।
মাওলানা মিজানুর রহমান বলেন, “জুলাই গণহত্যার বিচার যদি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে না হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।” টাকসু ভিপি ইকবাল কবির বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বে বাস্তবায়ন করলে তা হবে ইতিহাসের কলঙ্ক। আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায় নিরপেক্ষ তদন্তে প্রমাণিত হলে তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।”
জিএস সাইদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই আন্দোলনে আমাদের মিল্লাত পরিবার থেকে পাঁচজন শহীদ হয়েছেন। আমরা তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবো না। দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”
এই কর্মসূচিতে মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ছাড়াও বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ অংশগ্রহণ করেন। পুরো কর্মসূচিতে ছাত্র-জনতা নানা প্রতিবাদী স্লোগানে মুখর ছিল:
“আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে”,
“শেখ হাসিনার বিচার চাই”,
“জুলাইয়ের সনদ চাই”,
“আমার দেশ তোমার দেশ—বাংলাদেশ, বাংলাদেশ”,
“ছাত্রলীগ ধর–জেলেভর”,
“শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না”,
“নারে তাকবীর–আল্লাহু আকবার”,
“ইনকিলাব জিন্দাবাদ” ইত্যাদি।
বিক্ষোভ মিছিলটি সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়। আয়োজকরা জানান, তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়ে যাবেন। জুলাই গণহত্যা যেন ইতিহাসের অমোচনীয় কলঙ্ক না হয়ে দাঁড়ায়— সেই লক্ষ্যেই ছাত্রসমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার।