ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

‘জুলাই সুরক্ষা’ নিয়ে আমরা সবাই একমত, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • / ১৮৩৪ বার পড়া হয়েছে




স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ আজ বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত পোষণ করেছেন এবং এগুলো হুবহু সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি গত বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল। বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত হওয়ায় এতে কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন পড়ছে না।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ররেছে। কমিটির বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, কিছু অধ্যাদেশ বর্তমান রূপেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিল আকারে এনে পাস করবে। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ বিল উত্থাপন করা হবে। আর তৃতীয়ত, যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যাবে না, সেগুলো এই অধিবেশনে ‘ল্যাপস’ বা বাতিল হয়ে যাবে; যা প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে নতুন বিল হিসেবে আসবে।
অধ্যাদেশ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এবং ‘সাংবিধানিকতা’- এই দুই বিষয়কে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা জুলাই জাতীয় সনদকে এখানে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছি। সাংবিধানিকতা রক্ষা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিটি বিল অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী নতুন বিল পাসের আগে পুরনো অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করিয়ে নেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।
বৈঠকে অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শেষ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও বিশদ পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ২৯ মার্চ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী সভার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘জুলাই সুরক্ষা’ নিয়ে আমরা সবাই একমত, বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ আজ বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত পোষণ করেছেন এবং এগুলো হুবহু সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি গত বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল। বিশেষ কমিটির সব সদস্য একমত হওয়ায় এতে কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন পড়ছে না।
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি হওয়া ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ররেছে। কমিটির বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, কিছু অধ্যাদেশ বর্তমান রূপেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিল আকারে এনে পাস করবে। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ বিল উত্থাপন করা হবে। আর তৃতীয়ত, যেসব বিষয়ে একমত হওয়া যাবে না, সেগুলো এই অধিবেশনে ‘ল্যাপস’ বা বাতিল হয়ে যাবে; যা প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে নতুন বিল হিসেবে আসবে।
অধ্যাদেশ পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এবং ‘সাংবিধানিকতা’- এই দুই বিষয়কে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা জুলাই জাতীয় সনদকে এখানে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছি। সাংবিধানিকতা রক্ষা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিটি বিল অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী নতুন বিল পাসের আগে পুরনো অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করিয়ে নেওয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা তৈরি না হয়।
বৈঠকে অধিকাংশ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শেষ হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন এবং মানবাধিকার কমিশন আইনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও বিশদ পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ২৯ মার্চ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী সভার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।