ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

জনগণের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করাই ফ্যাসিবাদের সূচনা: জামায়াত আমির

md younus
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৮১৮ বার পড়া হয়েছে




ছবি, সংগৃহীত
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দলীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে বললেন, জনগণের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করাই ফ্যাসিবাদের সূচনা। ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি রোগ, যা একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নির্দিষ্ট কেউ মারা গেলেই ফ্যাসিবাদ শেষ হয়ে যায় না, বরং এর সংক্রমণ সমাজে অব্যাহত থাকে যা বর্তমানে লক্ষ করা যাচ্ছে। জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করাকেই তিনি ফ্যাসিবাদের সূচনা হিসেবে অভিহিত করেন।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশে আর ফ্যাসিবাদ দেখতে চান না। বর্তমান সরকারি দলও একসময় মজলুম ছিল, আমরাও মজলুম ছিলাম গোটা জাতিই একসময় মজলুম অবস্থায় ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ দুটি ভোট দিয়েছে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট। তার দাবি অনুযায়ী, গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে সংসদ নির্বাচনে ৫১ শতাংশ ভোটের কথা বলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ৬৮ শতাংশের মতামত উপেক্ষা করে ৫১ শতাংশকে গুরুত্ব দেওয়াকে গণতন্ত্র বলা যায় কি না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি বলছে সংবিধানে গণভোটের বিধান নেই। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতৃত্বের সময়ই প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন সংবিধানে এমন প্রভিশন ছিল কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সংবিধান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের অভিপ্রায়ই চূড়ান্ত সংবিধান হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামী কোনো কাটাছেঁড়া সংবিধান চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা অতীতেও আন্দোলনে ছিল, ভবিষ্যতেও জনগণের দাবি আদায়ে মাঠে থাকবে।
জ্বালানি তেল পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদে এমন বক্তব্য দেওয়া হয় যেন দেশে কোনো সংকট নেই। অথচ বাস্তবে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোথাও কোথাও বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। সরকার বাস্তব চিত্র আড়াল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সাবেক ও বর্তমান মজলুমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “জুলুমের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের ন্যায্য অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া পর্যন্ত ১১ দল ও জামায়াতে ইসলামী তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জনগণের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করাই ফ্যাসিবাদের সূচনা: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ১১:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

ছবি, সংগৃহীত
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার শুক্রবার বিকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে দলীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে বললেন, জনগণের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করাই ফ্যাসিবাদের সূচনা। ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি রোগ, যা একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নির্দিষ্ট কেউ মারা গেলেই ফ্যাসিবাদ শেষ হয়ে যায় না, বরং এর সংক্রমণ সমাজে অব্যাহত থাকে যা বর্তমানে লক্ষ করা যাচ্ছে। জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করাকেই তিনি ফ্যাসিবাদের সূচনা হিসেবে অভিহিত করেন।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশে আর ফ্যাসিবাদ দেখতে চান না। বর্তমান সরকারি দলও একসময় মজলুম ছিল, আমরাও মজলুম ছিলাম গোটা জাতিই একসময় মজলুম অবস্থায় ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ দুটি ভোট দিয়েছে সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট। তার দাবি অনুযায়ী, গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে সংসদ নির্বাচনে ৫১ শতাংশ ভোটের কথা বলা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, ৬৮ শতাংশের মতামত উপেক্ষা করে ৫১ শতাংশকে গুরুত্ব দেওয়াকে গণতন্ত্র বলা যায় কি না।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি বলছে সংবিধানে গণভোটের বিধান নেই। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতৃত্বের সময়ই প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন সংবিধানে এমন প্রভিশন ছিল কি না এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।
সংবিধান প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের অভিপ্রায়ই চূড়ান্ত সংবিধান হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামী কোনো কাটাছেঁড়া সংবিধান চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা অতীতেও আন্দোলনে ছিল, ভবিষ্যতেও জনগণের দাবি আদায়ে মাঠে থাকবে।
জ্বালানি তেল পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদে এমন বক্তব্য দেওয়া হয় যেন দেশে কোনো সংকট নেই। অথচ বাস্তবে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোথাও কোথাও বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। সরকার বাস্তব চিত্র আড়াল করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সাবেক ও বর্তমান মজলুমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “জুলুমের বিরুদ্ধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের ন্যায্য অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া পর্যন্ত ১১ দল ও জামায়াতে ইসলামী তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।”