নিজস্ব অর্থায়নে ৪০–৫০ ট্রাক মাটি এনে সমান্তরাল ভরাট—রাত জেগে কাজ করলেন কামু ও নেতাকর্মীরা
এরশাদনগর ৫নং ব্লকের কবরস্থানে পানিনিষ্কাশন উন্নয়নে রাতভর মাটি ভরাট করলেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কামরুল ইসলাম কামু
- আপডেট সময় : ১২:১৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২৫৭৭ বার পড়া হয়েছে

এরশাদনগর ৪৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোঃ কামরুল ইসলাম কামু আবারও তাঁর মানবিকতা, ধর্মীয় অনুভূতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কবরস্থান, যেখানে এলাকার প্রিয়জনদের শেষ ঠিকানা—সেই স্থানে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে কাদা-কাদায় ঢেকে যাওয়া ও কবর ডুবে যাওয়ার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসী চরম ভোগান্তিতে ছিলেন।

সমস্যাটি সমাধানে তিনি নিজ উদ্যোগে ও নিজের পকেটের টাকায় ন্যূনতম ৪০ থেকে ৫০ ট্রাক মাটি এনে ৫নং ব্লকের কবরস্থানে সমান্তরালভাবে ভরাট কাজ শুরু করেন।
গত ৭ই ডিসেম্বর রাতভর তিনি নিজে উপস্থিত থেকে শ্রমিক, ভ্যান গাড়ি, মাটি পরিবহনের সব ব্যয়ভার বহন করে কাজ সম্পন্ন করেন। ভ্যান গাড়ি ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি থেকে শুরু করে প্রতিটি কাজ তিনি নিজ হাতে তদারকি করেন।
তার এই মানবিক ডাক ও উদ্যোগে এলাকার বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সহযোগী সংগঠনের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে ছিলেন, মোঃ মনসুর কন্টাকদার, সভাপতি, বিএনপি ২ নং ব্লক, মোহাম্মদ শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি ৪৯ নং ওয়ার্ড, মোহাম্মদ দেলোয়ার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি মোহাম্মদ আমির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, যুবদল। মোহাম্মদ মালেক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি। মোহাম্মদ বাবু, সদস্য, বিএনপি, মালেক, সভাপতি, ১নং ব্লক, মোঃ নুরইসলাম, সভাপতি, ৪ নং ব্লক, মোঃ আশিক, যুবদল, ২ নং ব্লক, এছাড়া বিএনপির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এলাকাবাসী বলেন, কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থানের প্রতি তাঁর ধর্মীয় মমত্ব, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। ধর্মীয় অনুভূতি, মানবিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও এলাকার উন্নয়ন। সবকিছু সমন্বয় করে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। কবরস্থানের এই উদ্যোগকে স্থানীয়দের বহুদিনের স্বপ্নপূরণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
তিনি বলেন, “কবরস্থান আমাদের পবিত্র স্থান। এখানে পানি জমে কবর ডুবে যাক, এটা কখনোই বরদাস্ত করা যায় না। এলাকাবাসীর সম্মান রক্ষায় আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী কাজ করছি, করবো।” এলাকাবাসীর আশা, তাঁর এ ধরনের মানবিক ও ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।





















