“নির্বাচনে জয়ী হই বা না হই, মানুষের পাশে থাকবো”
এরশাদনগরে মাদক স্পট গুড়িয়ে দিলেন কামরুল ইসলাম কামু
- আপডেট সময় : ০৯:২৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
- / ২১১৯ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদনগরে অবস্থিত এক কুখ্যাত মাদক স্পট নিজের উদ্যোগে ভেঙে দিয়েছেন যুবদল নেতা ও সমাজসেবক মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। সম্প্রতি এরশাদনগর ৬ নম্বর ব্লকে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবর রহমান মাস্টার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ বাবুল চৌধুরী।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে কামরুল ইসলাম কামু বলেন, “আমার এলাকায় মাদকসহ কোনো অপরাধ সহ্য করা হবে না। আজ আমি নিজের হাতে মাদক স্পট ভেঙে দিয়েছি। অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমি পাস করি বা না করি, সারাজীবন মানুষের সেবা করে যাব। গরিব মানুষের কাছ থেকে এক টাকাও নেওয়া হবে না। সেবা নিতে কোনো খরচ লাগবে না।”

নিজ খরচে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে তিনি জানান, এলাকার ড্রেন পরিষ্কার, ময়লা অপসারণ, মশা নিধন ওষুধ বিতরণ ও রাস্তার বাতিগুলো ঠিক রাখার কাজ তিনি নিজ খরচে করছেন। “মানুষ যেন নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে, ঘুমাতে পারে—এটাই আমার শান্তি,”—বলেন কামরুল ইসলাম কামু।
প্রতিবন্ধীদের প্রতি বিশেষ সহানুভূতি দিতে বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা সহায়তার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, “ওরা যেন সমাজে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারে, সেটা নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব।”
নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ফাঁড়ি দাবি করে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পুলিশের অস্থায়ী ফাঁড়ি স্থাপনে বাধা দিচ্ছে। আমি চাই, এলাকায় স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি হোক, যাতে মানুষ দ্রুত আইনি সহায়তা পায়।”
পরিবার, সমাজ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে গুরুত্বারোপ করে মো. কামরুল ইসলাম কামু বলেন, “পরিবারে শ্বশুর-শাশুড়ি ও পুত্রবধূদের মধ্যে যেন ভালো সম্পর্ক বজায় থাকে, ছেলেমেয়েরা যেন মাদকের ফাঁদে না পড়ে—এ বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।”
বিনা খরচে সনদ ও প্রত্যয়ন সেবার প্রতিশ্রুতিঃ “জন্ম-মৃত্যু সনদ, নাগরিক সনদ, প্রত্যয়নপত্র—সব আমি নিজ হাতে করে দেব, কোনো টাকা লাগবে না,” বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সার্বিক সহযোগিতা করেন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী জসিম জুয়েল, মোঃ আজিম উদ্দিন, সূর্যবান বেগম, হালিমা আক্তার সুমি প্রমুখ।
শেষ কথাঃ মোঃ কামরুল ইসলাম কামু বলেন, “আমি ফেরেশতা নই, ভুল হতেই পারে, কিন্তু আমি আল্লাহকে ভালোবাসি। মানুষের পাশে থেকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমার মূল লক্ষ্য। মৃত্যুর আগে সৎ কাজ করেই যেতে চাই।





















