ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক: প্রধানমন্ত্রী

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ১৭৪৩ বার পড়া হয়েছে




প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আজ শনিবার বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সব কর্মকর্তা ও সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে এক বার্তায় বললেন, একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি এবং স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়, যেখানে জান-মালের ভয় থাকবে না। অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় থাকবে না। এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ হয়ে উঠুক নিজেদের জনগণের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠার অঙ্গীকার পূরণের একটি মুহূর্ত। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এবং বর্তমানে কর্মরত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে এবং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রয়োজনে ও সংকটে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম। শুধু দেশেই নয়, বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
‘আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পুলিশ সপ্তাহ, ২০২৬ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি’-যোগ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আজ শনিবার বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ও বর্তমান সব কর্মকর্তা ও সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে এক বার্তায় বললেন, একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধানে পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশ যদি জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে, তাহলে পুলিশের দায়িত্ব পালনের পথ অনেকটা সহজ এবং সুগম হয়ে যায়।
শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি এবং স্বস্তি ফিরেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র এবং সমাজ দেখতে চায়, যেখানে জান-মালের ভয় থাকবে না। অবিচার, অনাচার কিংবা নির্যাতন-নিপীড়নের ভয় থাকবে না। এমন একটি প্রত্যাশিত পরিস্থিতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশের ভূমিকাই সর্বাধিক।
তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা রক্ষায় একটি পেশাদার ও দায়িত্বশীল পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ হয়ে উঠুক নিজেদের জনগণের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠার অঙ্গীকার পূরণের একটি মুহূর্ত। পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এবং বর্তমানে কর্মরত সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে এবং অবসরপ্রাপ্ত সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি প্রয়োজনে ও সংকটে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা প্রমাণ করেছে, একটি উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশে তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সক্ষম। শুধু দেশেই নয়, বাংলাদেশ পুলিশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। তবে পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
‘আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন এবং জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। পুলিশ সপ্তাহ, ২০২৬ উপলক্ষে আমি বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি’-যোগ করেন তিনি।