৯ ফেব্রুয়ারি শেষ প্রচারণায় গণজোয়ারে গ্রাম থেকে নদীপাড়, নগর থেকে জনপদে ধানের শীষের জাগরণ
শ্রমের নগরে শপথের শপথবাক্য ধানের শীষের পতাকাতলে জেগে উঠছে গাজীপুর-২
- আপডেট সময় : ১০:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৯৫৬ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের আকাশে সন্ধ্যা নামে ধোঁয়ার রঙে। কারখানার সাইরেন থামে, কিন্তু থামে না মানুষের ভেতরের শব্দ। এই শহর শ্রমের শহর। সংগ্রামের শহর। অপেক্ষার শহর। এ শহরের প্রতিটি গলি জানে বঞ্চনার ইতিহাস, প্রতিটি কারখানার দেয়াল জানে শ্রমিকের নীরব কান্না। সেই শহরেই আবার শোনা যাচ্ছে প্রতিরোধের ভাষা, গণতন্ত্রের উচ্চারণ ধানের শীষ। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজীপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনিকে সামনে রেখে গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে যেন নতুন এক স্রোত বইতে শুরু করেছে। এই স্রোত মিছিলের নয় শুধু এটি বিশ্বাসের, এটি প্রত্যাবর্তনের, এটি সংগ্রামের ধারাবাহিকতার। তাঁতীর হাত, রাজনীতির শপথে, গাজীপুর মহানগর তাঁতীদল আজ শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি শ্রমের রাজনীতির প্রতীক।

এই সংগ্রামের অগ্রভাগে আছেন, তাজুল ইসলাম বেপারী, সভাপতি যাঁর নেতৃত্বে মহানগরের তাঁতীদল সংগঠিত শক্তিতে রূপ নিয়েছে। তাজউদ্দিন তাজু, সাধারণ-সম্পাদক, সংগঠনের কৌশল ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের দৃঢ় সংগঠক। জজ মিয়া, সহ-সভাপতি, যিনি নীরবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে সংগঠনের ভিত মজবুত করছেন।
মোঃ মাসুদ রানা, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক সম্পাদক, তরুণদের সংগঠিত করে আন্দোলনের মাঠে আনার এক অগ্রণী মুখ।
নুর আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক যিনি প্রতিটি লিফলেট, প্রতিটি বার্তা মানুষের হাতে পৌঁছে দিচ্ছেন এক রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে।
তাঁদের পাশাপাশি টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতীদলের নেতৃত্বে আছেন মোঃ সোহেল সিদ্দিকী, সভাপতি পশ্চিমাঞ্চলের তৃণমূলকে সংগঠিত করে তুলছেন প্রতিদিন, মনোয়ার হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পশ্চিম থানা তাতীদল, সংগঠনের প্রাণস্পন্দন, যাঁর কলম ও কণ্ঠ দুটোই সক্রিয়।
পূর্ব থানা তাঁতীদলের নেতৃত্বে মোঃ নজরুল ইসলাম, সভাপতি যাঁর নেতৃত্বে পূর্বাঞ্চলে নতুন কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। রাশেদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের সাংগঠনিক তৎপরতার ধারক ও বাহক।
এই নামগুলো কেবল নাম নয়। এরা প্রত্যেকে এক একটি অধ্যায় গাজীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।
লিফলেটের ভাঁজে ভাঁজে প্রতিরোধের ভাষয়, মহানগরের অলিগলিতে এখন ভোর মানেই পদচারণা। লিফলেটের ভাঁজ খুললেই দেখা যায় এক প্রতীক ধানের শীষ। কেউ তা পড়ে, কেউ বুক পকেটে রাখে, কেউ আবার প্রতিবেশীকে ডেকে বলে, “সময় এসেছে।” এই প্রচারণা কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি শ্রমিকের ঘরে ঘরে গিয়ে দাঁড়ানোর রাজনীতি।
কারখানার গেটে দাঁড়িয়ে কথা বলার রাজনীতি। চোখে চোখ রেখে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার রাজনীতি।
গাজীপুরের রাজপথে নতুন সমীকরণ, গাজীপুর মহানগরের রাজনীতি আজ মঞ্চকেন্দ্রিক নয় মানুষকেন্দ্রিক। এই রাজনীতিতে নেতা সামনে নয়, পাশে হাঁটে। তাজুল ইসলাম বেপারী থেকে শুরু করে তাজউদ্দিন তাজু, জজ মিয়া, মনোয়ার হোসেন খোকন, মাসুদ রানা, নুর আলম, সোহেল সিদ্দিকী, নজরুল ইসলাম, রাশেদ মিয়া সবাই আজ এক পতাকার নিচে, এক শপথে।
তাঁদের শপথ শ্রমের শহরে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা। বঞ্চনার ইতিহাস বদলে দেওয়া। গাজীপুর-২ আসনকে ধানের শীষের বিজয়ের পথে এগিয়ে নেওয়া। গুঞ্জন নয়, জাগরণে আজ গাজীপুরের বাতাসে যে শব্দ শোনা যাচ্ছে, তা গুঞ্জন নয় জাগরণ। এটি সংগঠিত শক্তির, এটি দীর্ঘ প্রতীক্ষার, এটি বিশ্বাসের পুনর্জন্ম। ধানের শীষ এখানে শুধু একটি প্রতীক নয় এটি শ্রমিকের আশা, তাঁতীর ঘামের মর্যাদা, আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার। গাজীপুর মহানগর তাঁতীদল ও বিএনপি আজ পাশাপাশি হাঁটছে সংগ্রামের পথ ধরে, ভবিষ্যতের দিকে, এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনার অপেক্ষায়।





















