ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২২৫ বার পড়া হয়েছে




গত ২১ আগস্ট চূড়ান্ত শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। এ মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।
চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের দেওয়া দণ্ডাদেশ বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেয়। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় দেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে ১ জুন আপিল বিভাগ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।
বিএনপির আইন সম্পাদক ও তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, তারা এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। অন্যদিকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবী শিশির মনির অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্তের কারণে মামলাটি ভিন্ন খাতে পরিচালিত হয়েছে।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
২০০৪ সালের ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শতাধিক নেতাকর্মী, যাদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করেন। শেখ হাসিনাও গুরুতরভাবে আহত হন।
এখন সর্বোচ্চ আদালতের রায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে, যা কেবল মামলার আসামিদের ভাগ্য নির্ধারণই করবে না, বরং দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার দিকনির্দেশনাও দেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: আপিল বিভাগের রায় বৃহস্পতিবার

আপডেট সময় : ১০:৩৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গত ২১ আগস্ট চূড়ান্ত শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন। এ মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।
চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের দেওয়া দণ্ডাদেশ বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেয়। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় দেন। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে ১ জুন আপিল বিভাগ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।
বিএনপির আইন সম্পাদক ও তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, তারা এই মামলায় ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। অন্যদিকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের আইনজীবী শিশির মনির অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্তের কারণে মামলাটি ভিন্ন খাতে পরিচালিত হয়েছে।
২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলার রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
২০০৪ সালের ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন শতাধিক নেতাকর্মী, যাদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গুত্ববরণ করেন। শেখ হাসিনাও গুরুতরভাবে আহত হন।
এখন সর্বোচ্চ আদালতের রায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করছে, যা কেবল মামলার আসামিদের ভাগ্য নির্ধারণই করবে না, বরং দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার দিকনির্দেশনাও দেবে।