মানুষের নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, পরিবেশ রক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে কাজী হুমায়ূন কবির
সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার
- আপডেট সময় : ১০:২০:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৬৬৭ বার পড়া হয়েছে

“আমার প্রথম শর্ত হলো, সর্বদা সত্য কথা বলা। আমি আশ্বাসে বিশ্বাসী নই, কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই।” এই বক্তব্যকে সামনে রেখে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির টঙ্গী পূর্ব থানার ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের আলোচনায় বারবার উঠে আসে মানুষের নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, মাদকমুক্ত সমাজ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়গুলো। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জনপ্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পাওয়ার অপেক্ষায় না থেকে তিনি বর্তমানে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকার বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন। রাস্তা-অলিগলির আলো, পরিচ্ছন্নতা, মশা নিয়ন্ত্রণ, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ রক্ষা, অসহায়দের সহায়তা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছেন তিনি।
পারিবারিক মূল্যবোধ ও মানবিক শিক্ষার ভিত্তি, কাজী হুমায়ূন কবিরের পিতা মরহুম হাজী আব্দুল আওয়াল ছিলেন এলাকার একজন ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবী ব্যক্তি। স্থানীয়ভাবে বিচার-আচার ও সামাজিক বিষয়ে তাঁর ভূমিকা ছিল বলে পারিবারিকভাবে উল্লেখ করা হয়। তাঁর মাতা মরহুমা হাজী মোসাঃ খোরশেদা বেগমও ছিলেন ধর্মপ্রাণ নারী। একটি ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে সত্যবাদিতা, মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ তাঁর ব্যক্তিজীবনে প্রভাব ফেলেছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা মনে করেন। কাজী হুমায়ূন কবিরের স্ত্রী লিজা পারভীন। তাঁদের দুই সন্তান। বড় ছেলে হাজী আদিয়াত কবির উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। ছোট মেয়ে কাজী ফাতিহা বর্তমানে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তোলার পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি ছেলে-মেয়ের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও তিনি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
শিক্ষা ও কর্মসংস্থান, সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি, কাজী হুমায়ূন কবিরের সামাজিক চিন্তার অন্যতম প্রধান জায়গা শিক্ষা ও কর্মসংস্থান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত এবং কর্মহীন তরুণদের একটি অংশ সহজেই মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারে। তাই তরুণদের শিক্ষা, দক্ষতা অর্জন, খেলাধুলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিকে তিনি সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত হিসেবে দেখেন। যুবক-যুবতী, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মপ্রত্যাশী মানুষের জন্য সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির কথাও তিনি বলেছেন। তাঁর বিশ্বাস, তরুণ সমাজকে সঠিক পথে কাজে লাগাতে পারলে একটি এলাকার সামাজিক চিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব।
সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রত্যয়, শুধু মানুষের নিরাপত্তা নয়, একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য সমাজ গঠনের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রাস্তার পাশে, খোলা জায়গা এবং উপযুক্ত স্থানে গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশকে আরও সবুজ করার চেষ্টা চলছে। শুধু গাছ লাগানো নয়, রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর মতে, গাছ শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না; এটি মানুষের জন্য নির্মল বাতাস, ছায়া এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হলে এখন থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।
মশা নিয়ন্ত্রণ ও জনস্বাস্থ্যে উদ্যোগ, বর্ষা ও জলাবদ্ধতার সময় মশার উপদ্রব নগরজীবনের একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম প্রয়োজন। কাজী হুমায়ূন কবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এলাকার বিভিন্ন স্থানে মশার ওষুধ প্রয়োগ ও মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যেখানে মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নোংরা পানি ও আবর্জনা অপসারণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে মশার ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁর লক্ষ্য শুধু সাময়িকভাবে মশা কমানো নয়; বরং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সৃষ্টি করে মশার বংশবিস্তারের সুযোগ কমিয়ে আনা।
পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সচেতনতা, পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে পরিচ্ছন্নতাকে একই সূত্রে দেখছেন তিনি। তাঁর মতে, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু রাস্তা নির্মাণ বা ভবন তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিচ্ছন্ন রাস্তা, পরিষ্কার ড্রেন, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সচেতনতাও একটি উন্নত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়। এ কারণে বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। মানুষকে যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলা, পানি জমতে না দেওয়া এবং নিজ নিজ এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বানও জানাচ্ছেন তিনি।
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সামাজিক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেছেন কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় মাদক বিক্রি বা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সহযোগিতা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, একটি শিশুকে মাদক থেকে দূরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তাকে শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা।
নিরাপদ রাস্তা, পর্যাপ্ত আলো ও সিসিটিভি, জননিরাপত্তার বিষয়টিকেও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এলাকার বিভিন্ন রাস্তা ও অলিগলিতে সংস্কারকাজে সহযোগিতা, বৈদ্যুতিক খুঁটিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগের কথা তিনি বলেছেন। বিশেষ করে গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষ যেন সন্ধ্যা বা রাতে কাজ শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে বিষয়টিকে তাঁর পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সিসিটিভি স্থাপনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অলিগলিতেও পর্যায়ক্রমে নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি।
মানুষের প্রয়োজনে সাহায্য-সহযোগিতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টিও তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঈদে দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে ঈদসামগ্রী ও বিভিন্ন উপহার দেওয়া, যাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে সহায়তা করা এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে সামর্থ্য অনুযায়ী দাঁড়ানোর কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। তাঁর দর্শন হলো, সমাজের সামর্থ্যবান মানুষ যদি নিজেদের সামর্থ্যের একটি অংশ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন, তাহলে অসহায় মানুষের কষ্ট অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বিপদে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা, কোনো পরিবার বিপদে পড়লে, অসুস্থতা, আর্থিক সংকট কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সহায়তার প্রয়োজন হলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন বলেও জানিয়েছেন কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবসময় বড় কোনো পদ বা সরকারি ক্ষমতার প্রয়োজন হয় না। একজন মানুষ তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী অন্য মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। এই চিন্তা থেকেই তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও কর্তৃপক্ষের কাছে তা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা, এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেনের সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন কাজী হুমায়ূন কবির। তাঁর মতে, জনপ্রতিনিধি হওয়া না হলেও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। রাস্তা, ড্রেন, আলো, পরিচ্ছন্নতা, মশা নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও অন্যান্য নাগরিক সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধানের চেষ্টা করা প্রয়োজন।
রাজনীতিতে ত্যাগের অতীত, কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনৈতিক জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাঁর দাবি করা অতীতের রাজনৈতিক মামলা ও আত্মগোপনের সময়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা করার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে নয়টিরও বেশি মামলা হয়েছিল এবং তিনি দুটি মামলায় কারাভোগও করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতেন তিনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকতেও হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই সময়ে তাঁর স্ত্রী লিজা পারভীন সন্তানদের নিয়ে সংসার সামলেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও পরিবারকে ধরে রাখার জন্য স্ত্রীর অবদানের কথা স্বীকার করেন।
কাউন্সিলর না হয়েও জনসম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা, কাজী হুমায়ূন কবির বর্তমানে কাউন্সিলর নন। তারপরও তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করছেন। তাঁর পরিকল্পনায় শুধু ভোটার নয়, এলাকার ভাড়াটিয়া, শ্রমজীবী মানুষ, যুবক-যুবতী, ছাত্র-ছাত্রী, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিকদের জন্য সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরির বিষয়টি রয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁর কার্যালয়কে এমন একটি উন্মুক্ত জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে চান, যেখানে এলাকার মানুষ তাঁদের সমস্যা, পরামর্শ ও প্রয়োজনের কথা বলতে পারবেন।
তরুণদের অগ্রাধিকার, তরুণদের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট, সমাজের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে যুবসমাজকে সামনে আনতে হবে। তরুণদের শিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। তাঁর মতে, মাদক ও অপরাধ থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে হলে শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, তাদের সামনে বিকল্প ও ইতিবাচক পথ তৈরি করতে হবে।
প্রতিশ্রুতির চেয়ে কাজকে গুরুত্ব, কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনৈতিক বক্তব্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে সামনে আসে তাঁর “আশ্বাস নয়, কাজ” দর্শন। তিনি বলেন, মানুষের কাছে এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চান না, যা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বরং মানুষের সমস্যা বুঝে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বাস্তব কাজ করতে চান।
“আমি আপনাদের শুধু আশ্বাস দিতে চাই না। কাজের মাধ্যমে আপনাদের আস্থা অর্জন করতে চাই। আমার দ্বারা এলাকার মানুষের ক্ষতি হবে না, বরং আল্লাহ আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তা থেকে মানুষের জন্য যতটা সম্ভব করার চেষ্টা করব।” সত্য, নিরাপত্তা, পরিবেশ ও সেবার অঙ্গীকার। কাজী হুমায়ূন কবিরের বক্তব্যে বারবার ফিরে আসে সত্যবাদিতা, সামাজিক নিরাপত্তা, মাদকবিরোধী অবস্থান, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়গুলো। তিনি বলেন, “আমার জীবন থাকতে এই এলাকায় খারাপ কাজ করতে দিতে চাই না। এটা আমার ওয়াদা। আমার প্রথম শর্ত হলো, সর্বদা সত্য কথা বলা।” তবে একজন জনপ্রতিনিধির প্রত্যাশা শুধু ব্যক্তিগত সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে প্রয়োজন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়, স্বচ্ছতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। তাঁর পরিকল্পনা ও উদ্যোগগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তা সময়ই মূল্যায়ন করবে। তবে একজন রাজনৈতিক কর্মীর পরিচয় শুধু পদ-পদবিতে সীমাবদ্ধ থাকে না; মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকা, সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করা, পরিবেশ রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া এবং বাস্তব সমাধানের চেষ্টা করাও নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কাজী হুমায়ূন কবির নিজেকে সেই পথের একজন কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে চান, যেখানে সত্য হবে নীতি, মানুষের নিরাপত্তা হবে অগ্রাধিকার, পরিবেশ হবে সুরক্ষিত, শিক্ষা হবে ভবিষ্যৎ নির্মাণের হাতিয়ার এবং যুবসমাজ হবে পরিবর্তনের শক্তি। তিনি কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন। তাঁর প্রত্যাশা, দায়িত্ব পেলে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডকে আরও নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও কর্মমুখী একটি এলাকায় পরিণত করার জন্য কাজ করবেন। শেষ পর্যন্ত মানুষের মূল্যায়নই সবচেয়ে বড় কথা। আর সেই মূল্যায়নের ভিত্তি হওয়া উচিত, কথার চেয়ে কাজ, প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তব উদ্যোগ এবং ব্যক্তির চেয়ে জনস্বার্থ।










