ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬৪২৯টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সরকারের

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২২২৮ বার পড়া হয়েছে




বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা হয়েছিল এমন ১৬ হাজার ৪২৯টি মামলা। এসব মামলাই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত ৮টা ১৩ মিনিটে সরকারের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সরকার জানায়, হাজারো মানুষকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে আইনকে অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছিল। এ মামলাগুলো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও দীর্ঘদিন গভীর ভোগান্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও বিচারব্যবস্থাকে বিকৃত করেছে।
সরকারি পোস্টে বলা হয়, মোট ১৬ হাজার ৪২৯টি মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো অন্যায্য হয়রানি বন্ধ করা, রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং নির্বাচনের আগে একটি সমতাভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মামলা প্রত্যাহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উল্লেখ করা হয়, এতে অন্যায়ভাবে অভিযুক্তদের ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং একটি ন্যায্য রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। এর ফলে নির্বাচনে আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
সরকার মনে করছে, এই সংস্কার শেষ পর্যন্ত বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে এবং দেশে আরও শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পথ সুগম করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১৬৪২৯টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সরকারের

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা হয়েছিল এমন ১৬ হাজার ৪২৯টি মামলা। এসব মামলাই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত ৮টা ১৩ মিনিটে সরকারের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সরকার জানায়, হাজারো মানুষকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে আইনকে অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছিল। এ মামলাগুলো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি তাদের পরিবারকেও দীর্ঘদিন গভীর ভোগান্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও বিচারব্যবস্থাকে বিকৃত করেছে।
সরকারি পোস্টে বলা হয়, মোট ১৬ হাজার ৪২৯টি মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো অন্যায্য হয়রানি বন্ধ করা, রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং নির্বাচনের আগে একটি সমতাভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মামলা প্রত্যাহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উল্লেখ করা হয়, এতে অন্যায়ভাবে অভিযুক্তদের ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং একটি ন্যায্য রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। এর ফলে নির্বাচনে আরও বিস্তৃত অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
সরকার মনে করছে, এই সংস্কার শেষ পর্যন্ত বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে এবং দেশে আরও শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পথ সুগম করবে।