“শিশুর হাসি, খেলাধুলার উচ্ছ্বাস আর সংস্কৃতির রঙে রঙিন হলো গাজীপুর”
- আপডেট সময় : ০৯:০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২২২৪ বার পড়া হয়েছে

একটি সমাজের প্রাণশক্তি লুকিয়ে থাকে তার শিশুদের মাঝে—তাদের হাসি, তাদের দৌড়ঝাঁপ, তাদের গান ও আবৃত্তি। সেই প্রাণশক্তিরই প্রকাশ ঘটল গাজীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান পাবলিক স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক উৎসবে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, উত্তর খাইলকুরের আয়ান গার্ডেনে ছিল কচিকাঁচাদের উচ্ছ্বাসে ভরা দিন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মিলনমেলায় পরিবেশ রূপ নেয় এক বর্ণাঢ্য উৎসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি ও সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি। তিনি শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, “খেলাধুলা ও সংস্কৃতির চর্চাই নতুন প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।”
সভাপতিত্ব করেন আব্দুল হালিম মিয়া, প্রধান শিক্ষক ল্যাঙ্গুয়েজ উচ্চ বিদ্যালয় এবং সভাপতি, গাজীপুর মহানগর বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন (বিকেএ)। পৃষ্ঠপোষকতা করেন শফিকুল ইসলাম খান সবুজ, পরিচালক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান পাবলিক স্কুল ও সভাপতি, গাজীপুর মহানগর বাংলাদেশ বেসরকারি স্কুল বোর্ড সোসাইটি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—হাজী আব্দুল জব্বার সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, গাছা মেট্রো থানা বিএনপি, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হাজারী, সাংগঠনিক সম্পাদক, গাছা মেট্রো থানা বিএনপি, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, সভাপতি, ৩৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহ-সভাপতি, গাছা মেট্রো থানা বিএনপি, আব্দুস সালাম মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক, গাছা মেট্রো থানা বিএনপি, জহিরুল ইসলাম, সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান পাবলিক স্কুল।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক মোঃ দুর্জয় ইসলাম খান রানা ও মাহবুবুর রহমান নাহিদ।
শিশুদের প্রাণবন্ত দৌড়, লাফ, গান, আবৃত্তি আর নাচের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পায় তাদের সৃজনশীলতা। পুরস্কার হাতে নিয়ে ছোট্ট মুখগুলোতে ফুটে ওঠে হাসির ঝলক—যা সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। অভিভাবকরা জানান, এ ধরনের অনুষ্ঠান সন্তানদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, সমাজে একসাথে চলার মানসিকতা গড়ে তোলে এবং শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা-সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিতে শেখায়।
দিনশেষে আয়ান গার্ডেন ভরে ওঠে এক উজ্জ্বল বার্তায়—“শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনেই গড়ে উঠবে আগামীর আলোকিত প্রজন্ম।”




















