শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
- / ২১২৯ বার পড়া হয়েছে

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর বিএনপি এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার। প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম মঞ্জুরুল করিম রনি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-সাজিদুল ইসলাম, আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবদল, মাহমুদ হাসান রাজু, সদস্য সচিব, গাজীপুর মহানগর যুবদল, সিরাজুল ইসলাম শাহী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল, মো. মাহমুদুল হাসান মিরন, সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদল, ফরহাজ বিন ফয়েজ প্রবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবদল, মোহাম্মদ নূরে মোস্তফা খান, সাংগঠনিক সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি, রাজিব বিন শহীদ রিখান, সদস্য, গাজীপুর মহানগর যুবদল, মোহাম্মদ মোস্তফা সরকার, সভাপতি, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি,
আবুল কালাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, শিশির সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, আসাদুজ্জামান মামুন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব থানা ছাত্রদল, নাজমুল হোসেন মন্ডল, সদস্য সচিব, টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদল ও যুগ্ম আহ্বায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবদল।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, এই মহতী আয়োজনের সমস্ত ব্যয়ভার নিজ দায়িত্বে বহন করেন এবং অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন। তিনি শুধুমাত্র টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি নন, বরং একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানস্থল ছিল টঙ্গী বাজার সংলগ্ন ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নিজ বাসভবনের সামনে। এই আয়োজনে ব্যতিক্রমধর্মী একটি দিক ছিল—১০১ ডেক খিচুড়ি রান্না ও বিতরণ, যা এই অঞ্চলে শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো এত বড় পরিসরে আয়োজন করা হলো।
বক্তারা শহীদ জিয়াউর রহমানের জীবন, অবদান এবং দর্শনের নানা দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, শহীদ জিয়া কেবল একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, একজন জনদরদী নেতা। তার ১৯ দফা কর্মসূচি আজও দেশের জন্য যুগোপযোগী ও প্রাসঙ্গিক।
বক্তারা আরও বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং তার সন্তান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপিকে সংগঠিত করে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে লিফলেট হাতে নিয়ে জনগণের কাছে যেতে হবে, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীদের মাঝেও শহীদ জিয়ার জীবনদর্শন ছড়িয়ে দিতে হবে।
তারা সরকারের সমালোচনা করে বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশে গণতন্ত্র হুমকির মুখে। তারা দাবি জানান ডিসেম্বরের মধ্যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে এবং একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে, যাতে জনগণের প্রকৃত মত প্রকাশ নিশ্চিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ জিয়ার নামেই ঢাকার বিমানবন্দরের নাম পুনঃস্থাপন (জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) এবং শহীদ জিয়াকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।
সমাপনী বক্তব্যে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন বলেন, “আমরা শহীদ জিয়ার দেখানো পথেই চলতে চাই—যেখানে মোটা চাল, মোটা ভাত খেয়ে সৎভাবে জীবন যাপন করে জাতি উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। আমাদের রাজনীতি হবে মানুষের কল্যাণে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে।”





















