মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, তদন্তে অগ্রগতি
খুনিরা যে দলেরই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে — ডিএমপি’র কঠোর হুঁশিয়ারি
- আপডেট সময় : ০৮:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
- / ২১২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিটফোর্ড এলাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যার ঘটনায় শক্ত বার্তা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ পরিষ্কার জানিয়েছে— খুনিরা যেই দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, প্রত্যেক অপরাধীকেই আইনের আওতায় আনা হবে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক প্রেস বার্তায় এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে মূল অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান মহিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে অপর অভিযুক্ত তারেক রহমান রবিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।”
তদন্ত প্রসঙ্গে ডিসি তালেবুর রহমান আরও বলেন, “ইতোমধ্যেই তদন্তে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে, যা অন্যান্য জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে সহায়ক হচ্ছে।”
গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান, ডিএমপি দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, সামাজিক মাধ্যমে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কিছু ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা চলমান তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এমন অপপ্রচারে কেউ জড়াবেন না— এই আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
পুলিশ বিভাগ বলছে, “আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছি। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। অপরাধী যে দলেরই হোক, তার বিচার হবেই।”
পুলিশের পেশাদারিত্ব ও অঙ্গীকারের প্রতীক, ঢাকা মহানগর পুলিশের এই পদক্ষেপ দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দৃঢ়তা এবং নিরপেক্ষতা প্রমাণ করে। বারবার প্রমাণিত হয়েছে— যখনই অপরাধ সংঘটিত হয়, ডিএমপি কোনো দলের পরিচয় নয়, দেখে অপরাধ আর অপরাধীকে।
এ ঘটনায় সকলের উচিত পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা এবং গুজব বা অপপ্রচারে না জড়ানো।
শেষ কথা: আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে, প্রশাসনের উপর আস্থা রাখুন। পুলিশ মাঠে আছে, অপরাধী যেই হোক না কেন— শাস্তি হবেই।











