ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

টঙ্গীতে টাস্কফোর্স অভিযানে তিনটি অবৈধ পলিথিন কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, প্রায় ৩ টন কাঁচামাল জব্দ

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / ২১১৮ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420




টঙ্গীতে বারবার সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী টঙ্গীতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে তিনটি অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ তৈরির কারখানা এবং একটি অবৈধ সুতা রং কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বৈদ্যুতিক মিটার ও সার্ভিস তার জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে এসব কারখানার মালিক বা কোনো প্রতিনিধি না থাকায় নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন টঙ্গী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের রিসার্চ অফিসার মোঃ মকবুল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আরেফিন বাদল, পরিদর্শক সঞ্জিত বিশ্বাস ও নুরুল আমিন প্রধান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা।

জব্দকৃত মালামাল

জব্দকৃত মালামাল, অভিযানের সময় বড়দরা এলাকার ‘মায়ের দোয়া প্লাস্টিক’ নামের এক কারখানা থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন এবং ২২০ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। এ সময় স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজন মিয়া (পিতা: খুরশিদ মিয়া, ময়মনসিংহ রোড) ও মোহাম্মদ আনোয়ার আলী (পিতা: মোঃ হাসেম, কিশোরগঞ্জ)।
আরেকটি জব্দ অভিযান চালানো হয় চেরাগ আলী বেক্সিম রোডের ‘মারফত এন্টারপ্রাইজ’ নামের কারখানায়। সেখান থেকে ২০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন এবং ২,০৬০ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। জব্দের সময় সাক্ষী ছিলেন জিহাদ (পিতা: শাহজাহান), ফুলমিয়া (পিতা: মোঃ মন্টু মিয়া, বেলকুচি, দৌলতপুর)।
জব্দকৃত মালামাল মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ১২(২), ১২(৩) এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
পূর্ব সতর্কতা ও প্রশাসনিক অবস্থান, অভিযুক্ত কারখানাগুলোকে ইতিপূর্বে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কারখানাগুলোতে গিয়ে কাগজপত্র দিয়ে নিষিদ্ধ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু কোনো মালিকপক্ষ তা আমলে নেয়নি। ফলে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের বার্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, “এ ধরনের অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো ধরনের অনুমোদন বা অনাপত্তিপত্র (NOC) ব্যতিরেকে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাবে না। কেউ অবৈধভাবে পুনরায় কারখানা চালু করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

টঙ্গীতে টাস্কফোর্স অভিযানে তিনটি অবৈধ পলিথিন কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, প্রায় ৩ টন কাঁচামাল জব্দ

আপডেট সময় : ১০:২৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

টঙ্গীতে বারবার সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদনকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রশাসন। আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী টঙ্গীতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে তিনটি অবৈধ পলিথিন শপিং ব্যাগ তৈরির কারখানা এবং একটি অবৈধ সুতা রং কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বৈদ্যুতিক মিটার ও সার্ভিস তার জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে এসব কারখানার মালিক বা কোনো প্রতিনিধি না থাকায় নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন টঙ্গী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু। প্রসিকিউশন প্রদান করেন পরিবেশ অধিদপ্তর গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের রিসার্চ অফিসার মোঃ মকবুল হোসেন। আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আরেফিন বাদল, পরিদর্শক সঞ্জিত বিশ্বাস ও নুরুল আমিন প্রধান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা।

জব্দকৃত মালামাল

জব্দকৃত মালামাল, অভিযানের সময় বড়দরা এলাকার ‘মায়ের দোয়া প্লাস্টিক’ নামের এক কারখানা থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন এবং ২২০ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। এ সময় স্থানীয় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুজন মিয়া (পিতা: খুরশিদ মিয়া, ময়মনসিংহ রোড) ও মোহাম্মদ আনোয়ার আলী (পিতা: মোঃ হাসেম, কিশোরগঞ্জ)।
আরেকটি জব্দ অভিযান চালানো হয় চেরাগ আলী বেক্সিম রোডের ‘মারফত এন্টারপ্রাইজ’ নামের কারখানায়। সেখান থেকে ২০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন এবং ২,০৬০ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। জব্দের সময় সাক্ষী ছিলেন জিহাদ (পিতা: শাহজাহান), ফুলমিয়া (পিতা: মোঃ মন্টু মিয়া, বেলকুচি, দৌলতপুর)।
জব্দকৃত মালামাল মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ১২(২), ১২(৩) এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
পূর্ব সতর্কতা ও প্রশাসনিক অবস্থান, অভিযুক্ত কারখানাগুলোকে ইতিপূর্বে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সতর্ক করা হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কারখানাগুলোতে গিয়ে কাগজপত্র দিয়ে নিষিদ্ধ কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু কোনো মালিকপক্ষ তা আমলে নেয়নি। ফলে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের বার্তা, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, “এ ধরনের অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো ধরনের অনুমোদন বা অনাপত্তিপত্র (NOC) ব্যতিরেকে নতুন করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাবে না। কেউ অবৈধভাবে পুনরায় কারখানা চালু করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”