ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ রচনার মতো হয়ে গেছে—হতাশ নায়েবে আমীর

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১১৭ বার পড়া হয়েছে




জল্পনা-কল্পনা শেষে অবশেষে ঘোষণা করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্র। আজ সন্ধ্যা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাঠ করেন ঘোষণাপত্রটি। কিন্তু এ ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে বাংলাদেশ জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের দেখিয়েছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তিনি প্রকাশ করেন হতাশা। এই ঘোষণাপত্রে জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি এবং এটি রচনার মতো হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াতের এই নেতা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে নায়েবে আমীর বলেন, “ঘোষণাপত্র সংবিধানে স্থান দেয়ার কথা ছিল। সংবিধানে প্রিয়াম্বেলে চেয়েছিলাম, সেটা হয়নি। এছাড়াও ৫ আগস্ট থেকে এই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা শুনেছিলাম, কিন্তু এটা কখন থেকে বাস্তবায়ন হবে তার কোনো নির্দেশিকা নেই। ঘোষণাপত্রে জুলাই আন্দোলনে শহিদ পরিবার কিংবা আহত যারা আছে তাদের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছে সেভাবে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য কোন সম্মাননা রাখা হয়নি, জুলাই যোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো আজীবন ভাতা দেয়ার প্রস্তাব করেছিলো জামায়াত, এসব বিষয়ে ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। এটা এক ধরনের রচনার মতো হয়ে গেছে। এসব কারণেই আমরা হতাশ, পুরো জাতি হতাশ।”
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির ঘোষণা দেওয়া হয় জুলাই ঘোষণাপত্রে। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র যুক্ত হবে। ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদকে জাতীয় বীর হিসেবে উল্লেখ করা হবে।
একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয় ঘোষণাপত্রে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ রচনার মতো হয়ে গেছে—হতাশ নায়েবে আমীর

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

জল্পনা-কল্পনা শেষে অবশেষে ঘোষণা করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্র। আজ সন্ধ্যা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পাঠ করেন ঘোষণাপত্রটি। কিন্তু এ ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে বাংলাদেশ জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের দেখিয়েছেন মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তিনি প্রকাশ করেন হতাশা। এই ঘোষণাপত্রে জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি এবং এটি রচনার মতো হয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াতের এই নেতা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ শেষে নায়েবে আমীর বলেন, “ঘোষণাপত্র সংবিধানে স্থান দেয়ার কথা ছিল। সংবিধানে প্রিয়াম্বেলে চেয়েছিলাম, সেটা হয়নি। এছাড়াও ৫ আগস্ট থেকে এই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা শুনেছিলাম, কিন্তু এটা কখন থেকে বাস্তবায়ন হবে তার কোনো নির্দেশিকা নেই। ঘোষণাপত্রে জুলাই আন্দোলনে শহিদ পরিবার কিংবা আহত যারা আছে তাদের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছে সেভাবে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য কোন সম্মাননা রাখা হয়নি, জুলাই যোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধাদের মতো আজীবন ভাতা দেয়ার প্রস্তাব করেছিলো জামায়াত, এসব বিষয়ে ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। এটা এক ধরনের রচনার মতো হয়ে গেছে। এসব কারণেই আমরা হতাশ, পুরো জাতি হতাশ।”
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির ঘোষণা দেওয়া হয় জুলাই ঘোষণাপত্রে। ঘোষণাপত্রে বলা হয়, পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র যুক্ত হবে। ঘোষণাপত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সকল শহীদকে জাতীয় বীর হিসেবে উল্লেখ করা হবে।
একই সঙ্গে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয় ঘোষণাপত্রে।