ঢাকা ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন রাত জাগা এক মানুষ, নিরাপদ পাড়ার স্বপ্ন সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক দোয়ার সাগরে বিদায় পবিত্র ভূমির পথে শেখ মোঃ সুমন “একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জনক’ ঘোষণা করার দাবি

গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের উদ্যোগে ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / ২২১২ বার পড়া হয়েছে




স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জনক ঘোষণা করতে হবে”—এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের টঙ্গীর বিনিময় কমপ্লেক্সে অবস্থিত সংবাদ আলোচনার অফিসে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মিষ্টি বিতরণ ও তবারকেরও আয়োজন ছিল।
আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুবোধ চন্দ্র দাস। বিশেষ বক্তা ছিলেন দৈনিক নওরোজ পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর জিয়া সংসদের সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা, এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রপ্রধান নন, তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা হিসেবে একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে জাতি পেয়েছে স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার।
তাঁর প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচিকে ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আত্মনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আজও প্রাসঙ্গিক। সভায় সংক্ষেপে এই ১৯ দফা তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে ছিল দুর্নীতির উচ্ছেদ, নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণ সমাজের উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক অগ্রগতি, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, এবং শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উল্লেখযোগ্য ছিল, মহানগর জিয়া সংসদের সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে মূল সভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভা থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি ও রাজনৈতিক দর্শন আগামীর বাংলাদেশ গঠনে পাথেয় হয়ে উঠবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জনক’ ঘোষণা করার দাবি

গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের উদ্যোগে ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের জনক ঘোষণা করতে হবে”—এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের টঙ্গীর বিনিময় কমপ্লেক্সে অবস্থিত সংবাদ আলোচনার অফিসে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মিষ্টি বিতরণ ও তবারকেরও আয়োজন ছিল।
আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুবোধ চন্দ্র দাস। বিশেষ বক্তা ছিলেন দৈনিক নওরোজ পত্রিকার মফস্বল সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর জিয়া সংসদের সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা, এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রপ্রধান নন, তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা হিসেবে একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে জাতি পেয়েছে স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার।
তাঁর প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচিকে ভবিষ্যৎ রাজনীতির দিকনির্দেশনা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আত্মনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন আজও প্রাসঙ্গিক। সভায় সংক্ষেপে এই ১৯ দফা তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে ছিল দুর্নীতির উচ্ছেদ, নারীর ক্ষমতায়ন, তরুণ সমাজের উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক অগ্রগতি, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন, এবং শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উল্লেখযোগ্য ছিল, মহানগর জিয়া সংসদের সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে মূল সভায় উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভা থেকে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি ও রাজনৈতিক দর্শন আগামীর বাংলাদেশ গঠনে পাথেয় হয়ে উঠবে।