ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাত জাগা এক মানুষ, নিরাপদ পাড়ার স্বপ্ন সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক দোয়ার সাগরে বিদায় পবিত্র ভূমির পথে শেখ মোঃ সুমন “একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন

“আমার ভাই মরল কেন? প্রশাসন জবাব চাই”

হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

md younus
  • আপডেট সময় : ১২:০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / ২২১৯ বার পড়া হয়েছে

Exif_JPEG_420




“তানভীরের ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই!”—এমনই প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গাজীপুরের এরশাদনগরের ৪৯ নং ওয়ার্ড। হাফেজ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জিহাদীকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি।

       

“হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর হত্যার বিচারের দাবিতে এরশাদনগরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে হাজারো মানুষের উপস্থিতি।”
মানববন্ধনের ব্যানারে লেখা ছিল—
“আল্লাহ সর্বশক্তিমান, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। মুসলিমিন পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আমাদের বড় ভাই হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর হত্যার প্রতিবাদে—বিক্ষোভ ও মানববন্ধন। এই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই।”
এ কর্মসূচির আয়োজনে ছিল ফিডব্যাক স্পোর্টিং ক্লাব।
স্থানীয়রা জানান, ৪৯ নং ওয়ার্ডের এরশাদনগর ৩নং ব্লকে বসবাসকারী হাফেজ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জিহাদী ছিলেন একজন সম্মানিত ধর্মীয় শিক্ষক, কুরআনের হাফেজ এবং সমাজসেবক। তিনি মসজিদে ইমামতি করতেন, রোজার সময় নামাজে মুসল্লিদের পথনির্দেশনা দিতেন এবং নারীদের নামাজ শিক্ষা দেওয়ার কাজেও ছিলেন সম্পৃক্ত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক ছাত্র হত্যা মামলার আসামি, ৪৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির ও তার স্ত্রী সুলতানা মিলে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “কামরুল ইসলাম শুধু আমাদের বড় ভাই না, তিনি ছিলেন আমাদের আস্থা ও সম্মানের প্রতীক। যিনি আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকতেন। তার এমন নির্মম মৃত্যু আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
আন্দোলনরত জনতার দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তানভীর, সাব্বির ও সুলতানার বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট প্রদান করে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান তারা।
এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও মিডিয়া প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ জনগণ। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল—বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার (টিভি আনোয়ার), মোঃ মুক্তার, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ।
মানববন্ধন শেষে নিহত হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা তার ধর্মীয় ও সামাজিক অবদান তুলে ধরেন এবং তার জান্নাত কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“আমার ভাই মরল কেন? প্রশাসন জবাব চাই”

হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

“তানভীরের ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই!”—এমনই প্রতিধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গাজীপুরের এরশাদনগরের ৪৯ নং ওয়ার্ড। হাফেজ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জিহাদীকে প্রকাশ্য দিবালোকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি।

       

“হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর হত্যার বিচারের দাবিতে এরশাদনগরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে হাজারো মানুষের উপস্থিতি।”
মানববন্ধনের ব্যানারে লেখা ছিল—
“আল্লাহ সর্বশক্তিমান, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। মুসলিমিন পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আমাদের বড় ভাই হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর হত্যার প্রতিবাদে—বিক্ষোভ ও মানববন্ধন। এই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসি চাই।”
এ কর্মসূচির আয়োজনে ছিল ফিডব্যাক স্পোর্টিং ক্লাব।
স্থানীয়রা জানান, ৪৯ নং ওয়ার্ডের এরশাদনগর ৩নং ব্লকে বসবাসকারী হাফেজ মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জিহাদী ছিলেন একজন সম্মানিত ধর্মীয় শিক্ষক, কুরআনের হাফেজ এবং সমাজসেবক। তিনি মসজিদে ইমামতি করতেন, রোজার সময় নামাজে মুসল্লিদের পথনির্দেশনা দিতেন এবং নারীদের নামাজ শিক্ষা দেওয়ার কাজেও ছিলেন সম্পৃক্ত।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ সংগঠনের শীর্ষ সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক ছাত্র হত্যা মামলার আসামি, ৪৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির ও তার স্ত্রী সুলতানা মিলে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “কামরুল ইসলাম শুধু আমাদের বড় ভাই না, তিনি ছিলেন আমাদের আস্থা ও সম্মানের প্রতীক। যিনি আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকতেন। তার এমন নির্মম মৃত্যু আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
আন্দোলনরত জনতার দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তানভীর, সাব্বির ও সুলতানার বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট প্রদান করে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান তারা।
এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও মিডিয়া প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ জনগণ। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল—বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার (টিভি আনোয়ার), মোঃ মুক্তার, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ হাজারো সাধারণ মানুষ।
মানববন্ধন শেষে নিহত হাফেজ কামরুল ইসলাম জিহাদীর রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা তার ধর্মীয় ও সামাজিক অবদান তুলে ধরেন এবং তার জান্নাত কামনা করেন।