ঢাকা ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন রাত জাগা এক মানুষ, নিরাপদ পাড়ার স্বপ্ন সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক দোয়ার সাগরে বিদায় পবিত্র ভূমির পথে শেখ মোঃ সুমন “একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

সততা, সেবাব্রত ও নেতৃত্বগুণে অনন্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • / ২২১৫ বার পড়া হয়েছে




টঙ্গীর সাব-রেজিস্ট্রার ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সম্মানিত সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও মানবিক সমাজপ্রতিনিধি হিসেবে গাজীপুর অঞ্চলে সুপরিচিত। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দলিল লেখক হিসেবে নিজের নিষ্ঠা, পেশাগত সততা ও ন্যায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতির কারণে আজ তিনি শুধু একজন কর্মকর্তা নন, বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধার প্রতীক।
সততার নির্ভরযোগ্য মুখ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্যে স্পষ্ট তাঁর আত্মবিশ্বাস ও আদর্শিক দৃঢ়তা। তিনি বলেন, “আমি ঘুষ নেই না, ঘুষ দেই না। যে কেউ আমার কাছে এসে তার কাজের সেবা পাবে- ন্যায্য ফি-তে, সঠিক নিয়মে এবং সম্মানের সাথে। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী একজন মানুষ। চাই না কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হোক বা কারো অধিকার হরণ হোক। আপনারা আসবেন, বসবেন, চা খাবেন—আমি আপনাদের সেবা করতে পারলে সেটাই আমার সৌভাগ্য।”
সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সমাজকর্মী, আইনজীবী ও দলিল সংশ্লিষ্ট যে কেউ মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে এসে নির্ভরতার সাথে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারেন—এমন বিশ্বাস জন্মেছে তাঁর নিষ্ঠা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতায়।
নেতৃত্বে ন্যায়ের প্রত্যয়, সমিতির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি দেখিয়েছেন ন্যায়ের পথে নেতৃত্বের প্রকৃত রূপ। তিনি বলেন-“আমি কৃতজ্ঞ, যাঁদের ভোটে আমি সভাপতি হয়েছি। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাদের সহকর্মীদের যেকোনো সমস্যার সমাধানে আমি সবসময় পাশে থাকব—ইনশাল্লাহ ১০০%।”
তিনি মনে করেন, সেবাদানকারী দপ্তরে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম যেন না থাকে।
“যদি কেউ ভুল করে বসে, তাহলে শুধরে দিন। সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের ভুল ধরিয়ে দিন। আমরা তা সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”
একটি আদর্শ অফিস গঠনের প্রত্যাশা, তাঁর লক্ষ্য—টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতিকে এমন একটি মডেল দপ্তরে পরিণত করা, যেখানে সেবা হবে সঠিক, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত।
“আমরা চাই, কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন। দল-মত নির্বিশেষে—মানুষ হিসেবে সবাই যেন সম্মানের সাথে সেবা পান। এটাই আমাদের নীতি।”
প্রশিক্ষণের পেছনে রয়েছেন একজন কিংবদন্তি, জাহাঙ্গীর আলমের প্রাতিষ্ঠানিক এবং পেশাগত ভিত্তি তৈরি হয়েছে এক কিংবদন্তির হাতে। তিনি মরহুম হাজী হোসেন আলী (হোসেন মোক্তার)-এর কাছ থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে দলিল লেখার সনদ অর্জন করেন। ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি সাব-রেজিস্ট্রি পেশায় নিজের অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
রাজনীতি ও সমাজসেবায় দৃঢ় অবস্থান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
তিনি ছিলেন টঙ্গী বৃহত্তর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি, এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে সক্রিয়। মানুষের কল্যাণে তাঁর অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।
অতীত দায়িত্বপালন ও বর্তমান অভিজ্ঞতা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পূর্বে দায়িত্ব পালন করেছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তাঁর দক্ষতা ও সংগঠকসুলভ মনোভাবই আজ তাঁকে সভাপতি পদে পৌঁছে দিয়েছে।
মানবিক, দানশীল ও ধর্মপ্রাণ, তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, বরং একজন মানবিক মানুষ। ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে চলা, দানশীলতা, ভদ্রতা ও সহানুভূতির মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। সমাজের দুঃস্থ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন—মানবসেবাই সর্বোচ্চ সেবা।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সততা, নেতৃত্বগুণ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার এক অনন্য মিশ্রণ। তিনি প্রমাণ করেছেন, সৎ মানুষও নেতৃত্বে আসতে পারেন এবং পরিবর্তন আনতে পারেন। তাঁর হাত ধরেই টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম দৃষ্টান্তমূলক, সেবা ও ন্যায়ের প্রতীক একটি প্রতিষ্ঠান।
তাঁর প্রতি রইল আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও নিরন্তর শুভকামনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সততা, সেবাব্রত ও নেতৃত্বগুণে অনন্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম

আপডেট সময় : ০৭:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

টঙ্গীর সাব-রেজিস্ট্রার ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সম্মানিত সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও মানবিক সমাজপ্রতিনিধি হিসেবে গাজীপুর অঞ্চলে সুপরিচিত। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দলিল লেখক হিসেবে নিজের নিষ্ঠা, পেশাগত সততা ও ন্যায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতির কারণে আজ তিনি শুধু একজন কর্মকর্তা নন, বরং সাধারণ মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধার প্রতীক।
সততার নির্ভরযোগ্য মুখ, মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্যে স্পষ্ট তাঁর আত্মবিশ্বাস ও আদর্শিক দৃঢ়তা। তিনি বলেন, “আমি ঘুষ নেই না, ঘুষ দেই না। যে কেউ আমার কাছে এসে তার কাজের সেবা পাবে- ন্যায্য ফি-তে, সঠিক নিয়মে এবং সম্মানের সাথে। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী একজন মানুষ। চাই না কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হোক বা কারো অধিকার হরণ হোক। আপনারা আসবেন, বসবেন, চা খাবেন—আমি আপনাদের সেবা করতে পারলে সেটাই আমার সৌভাগ্য।”
সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সমাজকর্মী, আইনজীবী ও দলিল সংশ্লিষ্ট যে কেউ মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের কাছে এসে নির্ভরতার সাথে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারেন—এমন বিশ্বাস জন্মেছে তাঁর নিষ্ঠা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতায়।
নেতৃত্বে ন্যায়ের প্রত্যয়, সমিতির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি দেখিয়েছেন ন্যায়ের পথে নেতৃত্বের প্রকৃত রূপ। তিনি বলেন-“আমি কৃতজ্ঞ, যাঁদের ভোটে আমি সভাপতি হয়েছি। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাদের সহকর্মীদের যেকোনো সমস্যার সমাধানে আমি সবসময় পাশে থাকব—ইনশাল্লাহ ১০০%।”
তিনি মনে করেন, সেবাদানকারী দপ্তরে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম যেন না থাকে।
“যদি কেউ ভুল করে বসে, তাহলে শুধরে দিন। সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের ভুল ধরিয়ে দিন। আমরা তা সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”
একটি আদর্শ অফিস গঠনের প্রত্যাশা, তাঁর লক্ষ্য—টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতিকে এমন একটি মডেল দপ্তরে পরিণত করা, যেখানে সেবা হবে সঠিক, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত।
“আমরা চাই, কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন। দল-মত নির্বিশেষে—মানুষ হিসেবে সবাই যেন সম্মানের সাথে সেবা পান। এটাই আমাদের নীতি।”
প্রশিক্ষণের পেছনে রয়েছেন একজন কিংবদন্তি, জাহাঙ্গীর আলমের প্রাতিষ্ঠানিক এবং পেশাগত ভিত্তি তৈরি হয়েছে এক কিংবদন্তির হাতে। তিনি মরহুম হাজী হোসেন আলী (হোসেন মোক্তার)-এর কাছ থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে দলিল লেখার সনদ অর্জন করেন। ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি সাব-রেজিস্ট্রি পেশায় নিজের অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
রাজনীতি ও সমাজসেবায় দৃঢ় অবস্থান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
তিনি ছিলেন টঙ্গী বৃহত্তর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি, এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে সক্রিয়। মানুষের কল্যাণে তাঁর অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।
অতীত দায়িত্বপালন ও বর্তমান অভিজ্ঞতা, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পূর্বে দায়িত্ব পালন করেছেন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। তাঁর দক্ষতা ও সংগঠকসুলভ মনোভাবই আজ তাঁকে সভাপতি পদে পৌঁছে দিয়েছে।
মানবিক, দানশীল ও ধর্মপ্রাণ, তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, বরং একজন মানবিক মানুষ। ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে চলা, দানশীলতা, ভদ্রতা ও সহানুভূতির মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। সমাজের দুঃস্থ, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন—মানবসেবাই সর্বোচ্চ সেবা।
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সততা, নেতৃত্বগুণ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার এক অনন্য মিশ্রণ। তিনি প্রমাণ করেছেন, সৎ মানুষও নেতৃত্বে আসতে পারেন এবং পরিবর্তন আনতে পারেন। তাঁর হাত ধরেই টঙ্গী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস হয়ে উঠতে পারে দেশের অন্যতম দৃষ্টান্তমূলক, সেবা ও ন্যায়ের প্রতীক একটি প্রতিষ্ঠান।
তাঁর প্রতি রইল আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও নিরন্তর শুভকামনা।