ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন রাত জাগা এক মানুষ, নিরাপদ পাড়ার স্বপ্ন সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক দোয়ার সাগরে বিদায় পবিত্র ভূমির পথে শেখ মোঃ সুমন “একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

দেশের মুদ্রার মান দেশীয়ভাবে নির্ধারিত হবে, অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: গভর্নর

md younus
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • / ২২১১ বার পড়া হয়েছে




বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গুগল পে’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বললেন, “বাংলাদেশের মুদ্রার মান দেশীয়ভাবে নির্ধারিত হবে এবং কোনো অযৌক্তিক কারণে এক পয়সাও অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, নইলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুযোগ নিতে পারে। বাংলাদেশের সম্ভাবনা সীমাহীন, তবে তা নষ্ট করার সুযোগও সীমাহীন।”
এইচ মনসুর আরও যোগ করে বলেন, “আমাদের টাকা কখনোই যেন অমূল্যায়ন না হয়। দুবাই থেকে আমাদের টাকার মান নির্ণয় হবে না। এটা আগেও বলেছিলাম এখনও বলছি। সেখান থেকে ডলারের দর নির্ধারণ করবেন এটা মানা হবে না, এটা আমার কমিটমেন্ট ছিল। সেটা হতো দেইনি আমরা। তবে ফের যদি দেশে বিশৃঙ্খলা হয় তাহলে আবারও চলে আসবে ওই সময়, নষ্ট হয়ে যাবে সব। দুবাইয়ে বসে আবারও টাকার অবমূল্যায়ন হবে, বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে অন্যের হাতে। ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এজন্য আগামী জানুয়ারি থেকে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি (রিস্ক বেজড সুপারভিশন) কার্যক্রম শুরু হবে। এরইমধ্যে ২০টি ব্যাংকে সুপারভিশন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, “বিনিয়োগ আসবে, বকেয়া পরিশোধ করেছি। দেশি-বিদেশিদের বিচরণ ক্ষেত্র হবে বাংলাদেশ। তবে ভুল উপস্থাপন করা যাবে না। বিদেশিরা টেকনোলজি আনেন, সাপোর্ট দেন তারা। আমাদের পোর্ট নিয়ে তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন হয়েছে। যদি বিদেশিরা আমাদের পোর্ট পরিচালনা করেন তাহলে আগামী ১০ বছর পরে আমরা তাদের টেকনোলজি শিখে অন্য দেশের পোর্ট পরিচালনা করতে পারবো।আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য তিনি জানান, কয়েকটি ব্যাংক মার্জারের আওতায় আসবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আপনাদের স্বার্থ সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত থাকবে। যে ব্যাংকে আছেন, সেখানেই থাকুন।”
‘মূল্যস্ফীতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কিছু সময় লাগবে’-যোগ করেন গভর্নর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশের মুদ্রার মান দেশীয়ভাবে নির্ধারিত হবে, অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই: গভর্নর

আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গুগল পে’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বললেন, “বাংলাদেশের মুদ্রার মান দেশীয়ভাবে নির্ধারিত হবে এবং কোনো অযৌক্তিক কারণে এক পয়সাও অবমূল্যায়নের সুযোগ নেই। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, নইলে মধ্যস্বত্বভোগীরা সুযোগ নিতে পারে। বাংলাদেশের সম্ভাবনা সীমাহীন, তবে তা নষ্ট করার সুযোগও সীমাহীন।”
এইচ মনসুর আরও যোগ করে বলেন, “আমাদের টাকা কখনোই যেন অমূল্যায়ন না হয়। দুবাই থেকে আমাদের টাকার মান নির্ণয় হবে না। এটা আগেও বলেছিলাম এখনও বলছি। সেখান থেকে ডলারের দর নির্ধারণ করবেন এটা মানা হবে না, এটা আমার কমিটমেন্ট ছিল। সেটা হতো দেইনি আমরা। তবে ফের যদি দেশে বিশৃঙ্খলা হয় তাহলে আবারও চলে আসবে ওই সময়, নষ্ট হয়ে যাবে সব। দুবাইয়ে বসে আবারও টাকার অবমূল্যায়ন হবে, বাজার নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে অন্যের হাতে। ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এজন্য আগামী জানুয়ারি থেকে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি (রিস্ক বেজড সুপারভিশন) কার্যক্রম শুরু হবে। এরইমধ্যে ২০টি ব্যাংকে সুপারভিশন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।”
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, “বিনিয়োগ আসবে, বকেয়া পরিশোধ করেছি। দেশি-বিদেশিদের বিচরণ ক্ষেত্র হবে বাংলাদেশ। তবে ভুল উপস্থাপন করা যাবে না। বিদেশিরা টেকনোলজি আনেন, সাপোর্ট দেন তারা। আমাদের পোর্ট নিয়ে তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন হয়েছে। যদি বিদেশিরা আমাদের পোর্ট পরিচালনা করেন তাহলে আগামী ১০ বছর পরে আমরা তাদের টেকনোলজি শিখে অন্য দেশের পোর্ট পরিচালনা করতে পারবো।আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার জন্য তিনি জানান, কয়েকটি ব্যাংক মার্জারের আওতায় আসবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আপনাদের স্বার্থ সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত থাকবে। যে ব্যাংকে আছেন, সেখানেই থাকুন।”
‘মূল্যস্ফীতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কিছু সময় লাগবে’-যোগ করেন গভর্নর।