ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

জনসেবায় উৎসর্গিত এক জীবন

সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন: গাজীপুর বিএনপির নির্ভরতার নাম, কর্মীদের অভিভাবক

md younus
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • / ২১২৬ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে একটি নাম নিঃসংশয়ে উচ্চারণ করা যায়—যিনি মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন, দলের দুঃসময়ে আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন, কর্মীদের ছায়া হয়ে থাকেন, তিনি হলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি। শিক্ষা, আদর্শ ও পরিবার থেকেই জনসেবার পাঠ, সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম, শিক্ষিত আদর্শিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা জাবেদ আহমেদ সুমনের রাজনীতির সূচনা। তাঁর বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রিয় চিকিৎসক—ডঃ নাজিম উদ্দীন আহমেদ, তিনি গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্র ট্রাষ্ট্র বোর্ডের একজন সদস্য ছিলেন, যাঁর নামে ‘ডাক্তার বাড়ি’ আজও গাজীপুরে পরিচিত। ছোটবেলায় বাবার মানবিকতা দেখে তিনি বুঝে যান—রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের জন্য নিবেদিত থাকা।
দলের দুঃসময়ের কান্ডারী, যখন দলীয় নেতাকর্মীরা জেল-জুলুমে নিপতিত, কেউ পাশে নেই, ঠিক তখনই সরকার সুমন দাঁড়িয়েছেন সাহসের প্রতীক হয়ে। তিনি শুধু সংগঠনের কাজে নন, কর্মীদের পরিবারে দুঃখে-সুখে—নিজ খরচে পাশে থেকেছেন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। কেউ বলতেই পারেন, “এমন নেতা বিরল—যিনি প্রচার নয়, কাজকে ভালোবাসেন।”
মানবিকতার রূপকথা বাস্তবে, তিনি ঈদের সময় কেবল মাংস বা সেমাই দেন না, বরং নিজের হাতে শতশত পরিবারে খাবার পৌঁছে দেন। ঈদের দিন হোক বা দুর্যোগ— তিনি খুঁজে বের করেন সেই মানুষগুলোকে যারা কারও কাছে হাত পাততেও পারে না। শুধু ধর্মীয় উৎসবেই নয়, শীতবস্ত্র, ঈদবস্ত্র, চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও এতিমদের সহায়তা—সবই তিনি নিজের টাকায় করেন। “মানুষের পাশে থাকার মতো শান্তি আর কিছুতে নেই”—সরকার সুমনের এই বিশ্বাসই তাঁর প্রতিটি কর্মের মূল চালিকাশক্তি।
শিক্ষার আলো ছড়ানোই দায়িত্ব, তিনি বিশ্বাস করেন, “শিক্ষা ছাড়া মুক্তি নেই।” তাঁর সহায়তায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুল, কলেজে ভর্তি হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের তিনি অভিনন্দন জানিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন, আবার যারা ফেল করেছে—তাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, “চেষ্টা করে যাও, আমি আছি তোমাদের পাশে।”
ক্রান্তিকালে দলের কর্মীদের করণীয়, বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মানুষ বিভ্রান্ত, নানা ষড়যন্ত্র, দলীয় কোন্দল, অপপ্রচার চলছে সর্বত্র। ঠিক এই সময়ই নেতাকর্মীদের জন্য সরকার সুমন দিয়েছেন স্পষ্ট বার্তা। “নেতা নয়, কর্মই পরিচয়”
দলের প্রয়োজনে মাঠে থাকো
জনগণের পাশে থাকো
অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও
সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকো, সাহায্য করো
“তোমাদের আচরণেই মানুষ দলকে বিচার করে”
অপপ্রচারে কান না দিয়ে, ভালো কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখো
শৃঙ্খলা বজায় রাখো, মিডিয়ার দৃষ্টি এড়িয়ে, নীরবে জনসেবা করো
নতুন প্রজন্মের জন্য নেতৃত্বের পথ, সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযুক্ত একজন। তিনি লোভের রাজনীতি করেন না, ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন—মানুষের পাশে থাকাটাই তাঁর রাজনীতি। তাঁকে ঘিরে এক ধরনের ভালোবাসার বলয় তৈরি হয়েছে, যা বলপ্রয়োগে নয়—মানবিকতার শক্তিতে অর্জিত।
অগ্রিম বার্তা ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, বর্তমানে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে চলছে—সংকট, দ্বিধা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে জনগণ দিকহীন হয়ে পড়ছে। এই সময়ে সরকার সুমনের মতো নেতা ও কর্মীদের উচিত—মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা। ভুল তথ্য, গুজব ও কটুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিপূর্ণ অবস্থান নেওয়া। দলীয় ঐক্য রক্ষা করা। আগামীর নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া। তরুণদের উদ্বুদ্ধ করা। তিনি বলেন—“এই দেশ আমাদের। যারা একে লুটে খেয়েছে, তাদের মুখোশ একদিন খুলবেই। কিন্তু আমাদের কাজ হবে—ভবিষ্যতের জন্য ভালো কিছু গড়া। ভালো কাজে থাকলে মানুষই আমাদের মূল্যায়ন করবে।”
কর্মীদের জন্য বার্তা, “ভালো থাকো, সংগঠিত থাকো, জনগণের সঙ্গে থাকো। তোমাদের কাজই একদিন দেশ ও দলকে রক্ষা করবে।” — সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন
আজকের রাজনীতিতে এমন সৎ, নিষ্ঠাবান, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ নেতা কমই দেখা যায়। তিনি কেবল একজন নেতা নন, একজন পথপ্রদর্শক, একজন নির্ভরতার নাম। গাজীপুরবাসী আজ গর্ব করে বলতে পারে—“সরকার সুমনের মতো একজন মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জনসেবায় উৎসর্গিত এক জীবন

সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন: গাজীপুর বিএনপির নির্ভরতার নাম, কর্মীদের অভিভাবক

আপডেট সময় : ১১:১৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে একটি নাম নিঃসংশয়ে উচ্চারণ করা যায়—যিনি মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন, দলের দুঃসময়ে আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন, কর্মীদের ছায়া হয়ে থাকেন, তিনি হলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি। শিক্ষা, আদর্শ ও পরিবার থেকেই জনসেবার পাঠ, সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম, শিক্ষিত আদর্শিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা জাবেদ আহমেদ সুমনের রাজনীতির সূচনা। তাঁর বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনপ্রিয় চিকিৎসক—ডঃ নাজিম উদ্দীন আহমেদ, তিনি গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্র ট্রাষ্ট্র বোর্ডের একজন সদস্য ছিলেন, যাঁর নামে ‘ডাক্তার বাড়ি’ আজও গাজীপুরে পরিচিত। ছোটবেলায় বাবার মানবিকতা দেখে তিনি বুঝে যান—রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি মানে মানুষের জন্য নিবেদিত থাকা।
দলের দুঃসময়ের কান্ডারী, যখন দলীয় নেতাকর্মীরা জেল-জুলুমে নিপতিত, কেউ পাশে নেই, ঠিক তখনই সরকার সুমন দাঁড়িয়েছেন সাহসের প্রতীক হয়ে। তিনি শুধু সংগঠনের কাজে নন, কর্মীদের পরিবারে দুঃখে-সুখে—নিজ খরচে পাশে থেকেছেন, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। কেউ বলতেই পারেন, “এমন নেতা বিরল—যিনি প্রচার নয়, কাজকে ভালোবাসেন।”
মানবিকতার রূপকথা বাস্তবে, তিনি ঈদের সময় কেবল মাংস বা সেমাই দেন না, বরং নিজের হাতে শতশত পরিবারে খাবার পৌঁছে দেন। ঈদের দিন হোক বা দুর্যোগ— তিনি খুঁজে বের করেন সেই মানুষগুলোকে যারা কারও কাছে হাত পাততেও পারে না। শুধু ধর্মীয় উৎসবেই নয়, শীতবস্ত্র, ঈদবস্ত্র, চিকিৎসা খরচ, প্রতিবন্ধী ও এতিমদের সহায়তা—সবই তিনি নিজের টাকায় করেন। “মানুষের পাশে থাকার মতো শান্তি আর কিছুতে নেই”—সরকার সুমনের এই বিশ্বাসই তাঁর প্রতিটি কর্মের মূল চালিকাশক্তি।
শিক্ষার আলো ছড়ানোই দায়িত্ব, তিনি বিশ্বাস করেন, “শিক্ষা ছাড়া মুক্তি নেই।” তাঁর সহায়তায় অনেক ছাত্র-ছাত্রী স্কুল, কলেজে ভর্তি হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের তিনি অভিনন্দন জানিয়ে উৎসাহ দিয়েছেন, আবার যারা ফেল করেছে—তাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, “চেষ্টা করে যাও, আমি আছি তোমাদের পাশে।”
ক্রান্তিকালে দলের কর্মীদের করণীয়, বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। মানুষ বিভ্রান্ত, নানা ষড়যন্ত্র, দলীয় কোন্দল, অপপ্রচার চলছে সর্বত্র। ঠিক এই সময়ই নেতাকর্মীদের জন্য সরকার সুমন দিয়েছেন স্পষ্ট বার্তা। “নেতা নয়, কর্মই পরিচয়”
দলের প্রয়োজনে মাঠে থাকো
জনগণের পাশে থাকো
অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও
সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে থাকো, সাহায্য করো
“তোমাদের আচরণেই মানুষ দলকে বিচার করে”
অপপ্রচারে কান না দিয়ে, ভালো কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখো
শৃঙ্খলা বজায় রাখো, মিডিয়ার দৃষ্টি এড়িয়ে, নীরবে জনসেবা করো
নতুন প্রজন্মের জন্য নেতৃত্বের পথ, সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযুক্ত একজন। তিনি লোভের রাজনীতি করেন না, ক্ষমতায় থাকুন বা না থাকুন—মানুষের পাশে থাকাটাই তাঁর রাজনীতি। তাঁকে ঘিরে এক ধরনের ভালোবাসার বলয় তৈরি হয়েছে, যা বলপ্রয়োগে নয়—মানবিকতার শক্তিতে অর্জিত।
অগ্রিম বার্তা ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশা, বর্তমানে বাংলাদেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে চলছে—সংকট, দ্বিধা আর অনিশ্চয়তার মধ্যে জনগণ দিকহীন হয়ে পড়ছে। এই সময়ে সরকার সুমনের মতো নেতা ও কর্মীদের উচিত—মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা। ভুল তথ্য, গুজব ও কটুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তিপূর্ণ অবস্থান নেওয়া। দলীয় ঐক্য রক্ষা করা। আগামীর নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া। তরুণদের উদ্বুদ্ধ করা। তিনি বলেন—“এই দেশ আমাদের। যারা একে লুটে খেয়েছে, তাদের মুখোশ একদিন খুলবেই। কিন্তু আমাদের কাজ হবে—ভবিষ্যতের জন্য ভালো কিছু গড়া। ভালো কাজে থাকলে মানুষই আমাদের মূল্যায়ন করবে।”
কর্মীদের জন্য বার্তা, “ভালো থাকো, সংগঠিত থাকো, জনগণের সঙ্গে থাকো। তোমাদের কাজই একদিন দেশ ও দলকে রক্ষা করবে।” — সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন
আজকের রাজনীতিতে এমন সৎ, নিষ্ঠাবান, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ নেতা কমই দেখা যায়। তিনি কেবল একজন নেতা নন, একজন পথপ্রদর্শক, একজন নির্ভরতার নাম। গাজীপুরবাসী আজ গর্ব করে বলতে পারে—“সরকার সুমনের মতো একজন মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন।”