ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন রাত জাগা এক মানুষ, নিরাপদ পাড়ার স্বপ্ন সত্যকে শর্ত, সেবাকে অঙ্গীকার সংগ্রাম থেকে সেবার শপথ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা গড়তে শফিকুল ইসলাম শফিক দোয়ার সাগরে বিদায় পবিত্র ভূমির পথে শেখ মোঃ সুমন “একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

এমপি পদপ্রার্থী আরিফ হোসেন হাওলাদারের নির্বাচনী সাক্ষাৎকার

গাজীপুর-৬ আসনে এক পরিচ্ছন্ন নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২২২৫ বার পড়া হয়েছে




“রাজনীতি আমার জন্য কোনো পেশা নয়, এটা এক সেবামূলক ব্রত। আমি জনগণের দুঃখ-কষ্টকে নিজের দায়িত্ব মনে করি, আর নেতৃত্ব মানে আমার কাছে সবার পাশে থাকা।”- আরিফ হোসেন হাওলাদার


নেতৃত্বে মানবিকতা, অভিজ্ঞতায় দৃঢ়তা : টঙ্গী, গাজীপুরের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন, নির্ভীক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন আরিফ হোসেন হাওলাদার। বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি হিসেবে ৩৭ বছর ধরে তিনি নিজ এলাকায় একাগ্রতা, ত্যাগ এবং দায়িত্বশীলতার অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন।
জনতার ভালোবাসায় ভরপুর একজন প্রার্থী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় নেতা ও কর্মী বলেন—“মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মানবিক সাহস, আরিফ ভাইয়ের মধ্যে সেটা জন্মগত। তিনি আমাদের নেতা না, তিনি আমাদের আস্থা ও অভিভাবক।” তারা আরও বলেন, “তিনি কখনো ভান করেননি, ফটোসেশনে থাকেন না—চুপচাপ মানুষের পাশে থাকেন। তাই আমরা সবাই চাই, এইবার মনোনয়নপত্র যেন তিনিই পান।”
দায়িত্ব, দান নয় — এই তার দর্শন। আরিফ হাওলাদার বলেন: “আমি দান দিতে আসিনি, দায়িত্ব নিতে এসেছি। কেউ যখন চাকরি পায় না, চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পায়, বা আইনগত সহায়তা চায়—আমি পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করি। কারণ রাজনীতি মানে সমস্যার সমাধান দেওয়া।”


তিনি নিজের অর্থায়নে এলাকার অসহায় মানুষ, বিএনপির কর্মী ও পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করে আসছেন নিয়মিত। তিনি রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, বিনয় ও দায়িত্ব—এই তিন মূলনীতি বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন।
৩১ দফা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি, আরিফ হাওলাদার দৃঢ়তার সাথে বলেন: “যদি জনগণ ও দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচিত করে, আমি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা ১ নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে বাস্তবায়ন করবো। এই পরিকল্পনাগুলোই বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।”


অঙ্গীকারসমূহ: ** গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা ** ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও কালো আইন বাতিল ** বেকার সমস্যা দূরীকরণে কর্মসংস্থান প্রকল্প ** স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, স্বাস্থ্যকার্ড চালু ** মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সম্মান ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা ** সবার জন্য শিক্ষা, নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত ** গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন **** মনোনয়ন কেন প্রাপ্য? ** রাজনীতিতে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সক্রিয় ** কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই—একজন ক্লিন ইমেজধারী নেতা ** তৃণমূলে জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ** দলের প্রতি নিঃস্বার্থ আনুগত্য ও কঠিন সময়ে একক নেতৃত্ব ** নিজের অর্থায়নে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও জনসেবামূলক প্রকল্প
একজন সেবক, একজন স্বপ্নদ্রষ্টা : “গাজীপুর-৬ আসনের জনগণ এখন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তারা একজন পরিশ্রমী, একনিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতা খুঁজছে—আমি তাদের সেই আস্থার জায়গাটি হতে চাই।” — এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আরিফ হাওলাদার।


ভোট নয়, ভরসা চান, সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন: “আমি আপনাদের কাছ থেকে ভোট চাই না, চাই ভালোবাসা আর আস্থা। সেই আস্থা দিয়ে আমি একজন প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করবো—মন দিয়ে, প্রাণ দিয়ে, সাহস দিয়ে।”
শেষ কথা: দলের মধ্যে যারা প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন, তারা নিশ্চয়ই দেখছেন—গাজীপুর-৬ এর মাটির সন্তান, পরিচ্ছন্ন রাজনীতির দূত আরিফ হোসেন হাওলাদার একজন পরিপূর্ণ প্রার্থী।
এই সময়, এই জনমত, এই জনপ্রিয়তা—এই মনোনয়ন পাওয়ার উপযুক্ত সময় তারই।
দলীয় মনোনয়ন এখনই দেওয়া উচিত এমন একজন নেতাকে, যিনি দায়িত্ববান, জনভিত্তিক এবং ৩১ দফার আদর্শ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এমপি পদপ্রার্থী আরিফ হোসেন হাওলাদারের নির্বাচনী সাক্ষাৎকার

গাজীপুর-৬ আসনে এক পরিচ্ছন্ন নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

“রাজনীতি আমার জন্য কোনো পেশা নয়, এটা এক সেবামূলক ব্রত। আমি জনগণের দুঃখ-কষ্টকে নিজের দায়িত্ব মনে করি, আর নেতৃত্ব মানে আমার কাছে সবার পাশে থাকা।”- আরিফ হোসেন হাওলাদার


নেতৃত্বে মানবিকতা, অভিজ্ঞতায় দৃঢ়তা : টঙ্গী, গাজীপুরের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন, নির্ভীক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন আরিফ হোসেন হাওলাদার। বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি হিসেবে ৩৭ বছর ধরে তিনি নিজ এলাকায় একাগ্রতা, ত্যাগ এবং দায়িত্বশীলতার অনন্য উদাহরণ হয়ে আছেন।
জনতার ভালোবাসায় ভরপুর একজন প্রার্থী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় নেতা ও কর্মী বলেন—“মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে মানবিক সাহস, আরিফ ভাইয়ের মধ্যে সেটা জন্মগত। তিনি আমাদের নেতা না, তিনি আমাদের আস্থা ও অভিভাবক।” তারা আরও বলেন, “তিনি কখনো ভান করেননি, ফটোসেশনে থাকেন না—চুপচাপ মানুষের পাশে থাকেন। তাই আমরা সবাই চাই, এইবার মনোনয়নপত্র যেন তিনিই পান।”
দায়িত্ব, দান নয় — এই তার দর্শন। আরিফ হাওলাদার বলেন: “আমি দান দিতে আসিনি, দায়িত্ব নিতে এসেছি। কেউ যখন চাকরি পায় না, চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পায়, বা আইনগত সহায়তা চায়—আমি পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করি। কারণ রাজনীতি মানে সমস্যার সমাধান দেওয়া।”


তিনি নিজের অর্থায়নে এলাকার অসহায় মানুষ, বিএনপির কর্মী ও পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করে আসছেন নিয়মিত। তিনি রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, বিনয় ও দায়িত্ব—এই তিন মূলনীতি বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন।
৩১ দফা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি, আরিফ হাওলাদার দৃঢ়তার সাথে বলেন: “যদি জনগণ ও দল আমাকে মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচিত করে, আমি বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা ১ নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে বাস্তবায়ন করবো। এই পরিকল্পনাগুলোই বাংলাদেশের গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।”


অঙ্গীকারসমূহ: ** গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা ** ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও কালো আইন বাতিল ** বেকার সমস্যা দূরীকরণে কর্মসংস্থান প্রকল্প ** স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, স্বাস্থ্যকার্ড চালু ** মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সম্মান ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা ** সবার জন্য শিক্ষা, নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত ** গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইন **** মনোনয়ন কেন প্রাপ্য? ** রাজনীতিতে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সক্রিয় ** কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই—একজন ক্লিন ইমেজধারী নেতা ** তৃণমূলে জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ** দলের প্রতি নিঃস্বার্থ আনুগত্য ও কঠিন সময়ে একক নেতৃত্ব ** নিজের অর্থায়নে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও জনসেবামূলক প্রকল্প
একজন সেবক, একজন স্বপ্নদ্রষ্টা : “গাজীপুর-৬ আসনের জনগণ এখন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। তারা একজন পরিশ্রমী, একনিষ্ঠ ও জনবান্ধব নেতা খুঁজছে—আমি তাদের সেই আস্থার জায়গাটি হতে চাই।” — এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আরিফ হাওলাদার।


ভোট নয়, ভরসা চান, সাক্ষাৎকার শেষে তিনি বলেন: “আমি আপনাদের কাছ থেকে ভোট চাই না, চাই ভালোবাসা আর আস্থা। সেই আস্থা দিয়ে আমি একজন প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করবো—মন দিয়ে, প্রাণ দিয়ে, সাহস দিয়ে।”
শেষ কথা: দলের মধ্যে যারা প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন, তারা নিশ্চয়ই দেখছেন—গাজীপুর-৬ এর মাটির সন্তান, পরিচ্ছন্ন রাজনীতির দূত আরিফ হোসেন হাওলাদার একজন পরিপূর্ণ প্রার্থী।
এই সময়, এই জনমত, এই জনপ্রিয়তা—এই মনোনয়ন পাওয়ার উপযুক্ত সময় তারই।
দলীয় মনোনয়ন এখনই দেওয়া উচিত এমন একজন নেতাকে, যিনি দায়িত্ববান, জনভিত্তিক এবং ৩১ দফার আদর্শ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।