ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

রাজনীতি, জনসেবা ও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অগ্রসেনানী এক সাহসী মুখ

৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে মানবতার রাজপথে হাঁটছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / ২৫৫১ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরের এরশাদনগর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের মুখে এখন একটিই নাম—মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, এক মানবিক অভিভাবকও বটে। বিএনপির রাজনীতির ময়দানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন নিষ্ঠা, আদর্শ ও সাহসিকতার সঙ্গে। টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, দুঃসময়ে সহযোগিতা করা এবং দলীয় কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
দলের জন্য নিবেদিত, মানুষের জন্য সহানুভূতিশীল থাকেন সর্বসময়, রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কামরুল ইসলাম কামু সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার ছিলেন। যখন তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন, তখন এই ওয়ার্ডে কোনো নেতাকর্মী অসহায় অবস্থায় থাকেনি। ক্লাব, সংগঠন, পথসভা, লিফলেট বিতরণ, জনসংযোগ—সবখানেই ছিল তাঁর সরব অংশগ্রহণ। তিনি জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে বিশ্বাস করেন কাজে, প্রতিশ্রুতিতে নয়।
আদর্শিক অনুপ্রেরণায় রাজনীতি মনের ভিতর থেকে তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি জনকল্যাণমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিজ উদ্যোগে লিফলেট ছাপিয়ে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক ইতিহাস, দেশের উন্নয়ন ও নেতৃত্বের কৌশল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলছেন।
মাদকবিরোধী অবস্থানে কঠোর বার্তা দেন তিনি। ১৫ জুন ২০২৫—একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে মোঃ কামরুল ইসলাম কামু ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি ব্লকে মাইকিং করে সাহসিকতার সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান জানান। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন: “এই ওয়ার্ডে মাদক বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে—একেবারে আজ থেকেই। কেউ যদি ভালো পথে আসতে চায়, আমি কাজ দিবো, সহযোগিতা করবো। গার্মেন্টসে কাজ লাগিয়ে দিব, ব্যবসা করতে চাইলে সহযোগিতা করবো। কিন্তু মাদক বিক্রি করলে আমি ছাড় দিবো না।”
তিনি আরো বলেন, কেউ যত বড় নেতাই হোক বা পুলিশের সোর্স হোক, মাদক ব্যবসায়ে জড়িত থাকলে কোনো ছাড় নেই। আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি বদ্ধপরিকর। এই অবস্থান জনমনে সাহস জুগিয়েছে ও আশার আলো দেখিয়েছে।
উন্নয়ন ও মানবিক সহযোগিতায় দৃশ্যমান ভূমিকা নিয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কামরুল ইসলাম কামু বাস্তবায়নেও দৃঢ়। ইতোমধ্যে তিনি ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন ও সহযোগিতা সহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন। ইসলামি মাহফিল, ওয়াজ, কুরআন খতম কিংবা দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসা সহায়তা—সবখানেই তাঁর ছোঁয়া লক্ষ্য করা যায়।
জনতার নেতা, সেবার প্রতীক নিয়ে, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগে, দরজায় দরজায় গিয়ে যে ভালোবাসা কুড়িয়েছেন কামু, তা একদিনে তৈরি হয়নি। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সেবার মনোভাবই তাঁকে করে তুলেছে ব্যতিক্রমী একজন নেতা। তিনি বলেন—“জনগণই আমার শক্তি। আমি জনগণের দুঃখে কান্না করি, সুখে হাসি। আমি সেবার রাজনীতি করি, ক্ষমতার জন্য নয়।”
একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন, এরশাদনগর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর নেতৃত্বে যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল রাজনীতির সীমারেখায় আটকে নেই। এটি মাদকমুক্ত, উন্নয়নমুখী, সংগঠিত এবং মানবিক এক সমাজ গঠনের প্রত্যয়। এলাকাবাসী বিশ্বাস করে—যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড হবে গাজীপুর সিটির একটি মডেল ওয়ার্ড।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজনীতি, জনসেবা ও মাদকবিরোধী লড়াইয়ে অগ্রসেনানী এক সাহসী মুখ

৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে মানবতার রাজপথে হাঁটছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

আপডেট সময় : ০৪:৪২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

গাজীপুর মহানগরের এরশাদনগর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের মুখে এখন একটিই নাম—মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক নন, এক মানবিক অভিভাবকও বটে। বিএনপির রাজনীতির ময়দানে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন নিষ্ঠা, আদর্শ ও সাহসিকতার সঙ্গে। টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য। নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, দুঃসময়ে সহযোগিতা করা এবং দলীয় কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।
দলের জন্য নিবেদিত, মানুষের জন্য সহানুভূতিশীল থাকেন সর্বসময়, রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কামরুল ইসলাম কামু সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার ছিলেন। যখন তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন, তখন এই ওয়ার্ডে কোনো নেতাকর্মী অসহায় অবস্থায় থাকেনি। ক্লাব, সংগঠন, পথসভা, লিফলেট বিতরণ, জনসংযোগ—সবখানেই ছিল তাঁর সরব অংশগ্রহণ। তিনি জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে বিশ্বাস করেন কাজে, প্রতিশ্রুতিতে নয়।
আদর্শিক অনুপ্রেরণায় রাজনীতি মনের ভিতর থেকে তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি জনকল্যাণমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নিজ উদ্যোগে লিফলেট ছাপিয়ে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক ইতিহাস, দেশের উন্নয়ন ও নেতৃত্বের কৌশল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলছেন।
মাদকবিরোধী অবস্থানে কঠোর বার্তা দেন তিনি। ১৫ জুন ২০২৫—একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে মোঃ কামরুল ইসলাম কামু ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিটি ব্লকে মাইকিং করে সাহসিকতার সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান জানান। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেন: “এই ওয়ার্ডে মাদক বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে—একেবারে আজ থেকেই। কেউ যদি ভালো পথে আসতে চায়, আমি কাজ দিবো, সহযোগিতা করবো। গার্মেন্টসে কাজ লাগিয়ে দিব, ব্যবসা করতে চাইলে সহযোগিতা করবো। কিন্তু মাদক বিক্রি করলে আমি ছাড় দিবো না।”
তিনি আরো বলেন, কেউ যত বড় নেতাই হোক বা পুলিশের সোর্স হোক, মাদক ব্যবসায়ে জড়িত থাকলে কোনো ছাড় নেই। আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি বদ্ধপরিকর। এই অবস্থান জনমনে সাহস জুগিয়েছে ও আশার আলো দেখিয়েছে।
উন্নয়ন ও মানবিক সহযোগিতায় দৃশ্যমান ভূমিকা নিয়ে শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কামরুল ইসলাম কামু বাস্তবায়নেও দৃঢ়। ইতোমধ্যে তিনি ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে সড়ক মেরামত, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন ও সহযোগিতা সহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন। ইসলামি মাহফিল, ওয়াজ, কুরআন খতম কিংবা দুঃস্থ মানুষের চিকিৎসা সহায়তা—সবখানেই তাঁর ছোঁয়া লক্ষ্য করা যায়।
জনতার নেতা, সেবার প্রতীক নিয়ে, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে প্রতিদিনের যোগাযোগে, দরজায় দরজায় গিয়ে যে ভালোবাসা কুড়িয়েছেন কামু, তা একদিনে তৈরি হয়নি। মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সেবার মনোভাবই তাঁকে করে তুলেছে ব্যতিক্রমী একজন নেতা। তিনি বলেন—“জনগণই আমার শক্তি। আমি জনগণের দুঃখে কান্না করি, সুখে হাসি। আমি সেবার রাজনীতি করি, ক্ষমতার জন্য নয়।”
একটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার করেন, এরশাদনগর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর নেতৃত্বে যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল রাজনীতির সীমারেখায় আটকে নেই। এটি মাদকমুক্ত, উন্নয়নমুখী, সংগঠিত এবং মানবিক এক সমাজ গঠনের প্রত্যয়। এলাকাবাসী বিশ্বাস করে—যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে, তবে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড হবে গাজীপুর সিটির একটি মডেল ওয়ার্ড।