পৈত্রিক সম্পত্তি ও খামার দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি: ফুলপুরে আবদুল জলিল পরিবার আতঙ্কে
- আপডেট সময় : ০৪:১৮:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
- / ২১১১ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ফতেপুর পূর্ব গ্রামের বাসিন্দা গার্মেন্টস কর্মী মোঃ আবদুল জলিল (৬০) তাঁর পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি ও মৎস্য খামার নিয়ে একদল ভূমিদস্যুর দখল চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
আবদুল জলিল জানান, তিনি গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি করলেও গ্রামের বাড়িতে তাঁর বৈধভাবে নামজারি ও খাজনাকৃত জমিতে ‘মেসার্স আহমদীয়া এগ্রো ফার্ম’ নামে একটি মৎস্য খামার পরিচালনা করছেন। বড় ছেলে বদরুল ইসলাম খামারটি দেখাশোনা করতেন। কয়েক মাস আগে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তার সঙ্গে মাছ চাষে অংশগ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে ৮ লাখ টাকার মিথ্যা দেনার অজুহাতে খামার দখলের পাঁয়তারা শুরু করে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বদরুল ইসলাম নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর ২৩ মার্চ রাত ১০টার দিকে বিবাদীরা আবদুল জলিলের বাড়িতে এসে তাঁর স্ত্রী আয়েশা বেগমকে গালাগালি ও মারধরের হুমকি দেয় এবং খামার ছেড়ে দিতে বলে। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা সরে যায়।
এরপর ১ এপ্রিল সন্ধ্যায় একই দলের অন্তত ৩০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি আবারও জমির পুকুরপাড়ে গিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং খামারে প্রবেশ করে মাছ চাষ বন্ধ করার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আবদুল জলিল ফুলপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন এবং আদালতের মাধ্যমে ১৪৪ ধারায় আবেদন করেন। আদালত ২১ এপ্রিল শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
আবদুল জলিল বলেন, “আমার নামে রেজিস্ট্রি দলিল, নামজারি ও খাজনার কাগজপত্র সব বৈধ রয়েছে। তবুও কিছু প্রভাবশালী দখলদার জোরপূর্বক আমার সম্পত্তি দখল করে নিচ্ছে। আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি, প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ চাই।”
এ বিষয়ে ফুলপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আবদুল জলিল একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ। তাঁর জমি ও খামার দখল নিয়ে চক্রান্ত চলছে। অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।




















