ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

মানুষের পাশে থাকা যার নেশা, ন্যায়ের পথে চলাই যার প্রতিজ্ঞা

মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা: জনসেবার এক জীবন্ত ইতিহাস, আস্থার এক নির্ভরযোগ্য নাম

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • / ১৭০৯ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর এরশাদ নগরের অলিগলি, বাজার, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্পে একটি নাম বারবার উচ্চারিত হয় মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি শুধু একজন ব্যবসায়ী নন, শুধু একজন সংগঠক নন, শুধু একজন সমাজসেবকও নন; তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করে চলেছেন নীরবে, নিরলসভাবে।


মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা জন্মগ্রহণ করেন একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা মরহুম মোঃ রমিজ উদ্দিন মোল্লা এবং মাতা মোসাঃ আনোয়ারা বেগম ছিলেন সমাজের সুপরিচিত ব্যবসায়ী ও মানবসেবী ব্যক্তি। এরশাদ নগর ছোট বাজারে তাদের চালের বৃহৎ ব্যবসা ছিল। ব্যবসার পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্য, সেই মানবিকতা, সেই দায়িত্ববোধ উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা।
ব্যবসা থেকে সমাজসেবা এক দীর্ঘ পথচলার গল্প। দুই ভাইয়ের পরিবারে বেড়ে ওঠা আনোয়ার হোসেন মোল্লা ছোটবেলা থেকেই দেখেছেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। ব্যবসার ব্যস্ততার মাঝেও তিনি সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এরশাদ নগরের মানুষ জানেন, কোনো বিরোধ, সামাজিক সমস্যা কিংবা পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে মানুষ প্রথমেই ছুটে যায় আনোয়ার হোসেন মোল্লার কাছে। বছরের পর বছর তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একটি অংশ যেন মানুষের ন্যায়বিচারের ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, “মানুষের বিচার করতে গেলে আল্লাহর কাছেও জবাবদিহি করতে হবে। তাই বিচার হতে হবে সত্যের ভিত্তিতে, পক্ষপাতহীনভাবে।” এই নীতিতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজের বিভিন্ন সালিশ, মীমাংসা ও সামাজিক বিচারকার্যে ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর কাছে ধনী-গরিব, ছোট-বড় কিংবা দল-মত কোনো বিষয় নয়; তাঁর কাছে বড় বিষয় সত্য ও ন্যায়।
শিক্ষা উন্নয়নের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লার জীবনের অন্যতম গর্বের অধ্যায় টিডিএই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন। দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর দায়িত্বকালেই বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং টিনশেড ভবনের পরিবর্তে আধুনিক ভবন নির্মাণের পথ সুগম হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, “একটি শিক্ষিত সমাজই পারে একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন করতে।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন।
ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বে উজ্জ্বল উপস্থিতি। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা বর্তমানে ৩ নম্বর ব্লক শাহী জামে মসজিদের ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত। তিনি মনে করেন, একটি সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি হলো নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ।
রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সংগঠনের প্রতি নিবেদন। রাজনৈতিক জীবনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততা। তিনি সাবেক গাজীপুর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তবে তাঁর বক্তব্য সবসময়ই একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। “রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য হওয়া উচিত, বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য নয়।”
এই কারণেই তিনি কখনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কটূক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না।
ছোট বাজারের বিশ্বস্ত অভিভাবক। এরশাদ নগর ছোট বাজার পরিচালনা কমিটির ক্যাশিয়ার হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যবসায়ী সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এলাকার অনেকেই বলেন, বাজারের উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি একজন নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
একজন সম্ভাব্য কাউন্সিলর, একটি উন্নয়নের স্বপ্ন। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লার স্বপ্ন একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মানবিক ওয়ার্ড গড়ে তোলা। তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন। জলাবদ্ধতা নিরসন। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গঠন। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তা বৃদ্ধি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন। সামাজিক বিচারব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও ন্যায়ভিত্তিক করা। স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে দক্ষ জনবল নিয়োগ। তিনি বিশ্বাস করেন, জনপ্রতিনিধির কাজ শুধু নির্বাচন জেতা নয়; মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যার সমাধান করা।
মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এক নাম। অনেক নেতা আসেন, অনেক নেতা চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ থাকেন মানুষের হৃদয়ের গভীরে। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা সেই ধরনের একজন মানুষ, যাকে এলাকার মানুষ শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং একজন অভিভাবক, সালিশকারী, সমাজসেবক এবং বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা হিসেবে দেখে। তাঁর দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সবসময় খোলা। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বিচার-সালিশে কিংবা উন্নয়নের প্রয়োজনে মানুষ তাঁর কাছে আসে আস্থার সঙ্গে।
একটি সমাজ তখনই এগিয়ে যায়, যখন সেই সমাজে কিছু মানুষ নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা এমনই একজন ব্যক্তি, যিনি পারিবারিক ঐতিহ্য, ব্যবসায়িক সততা, সামাজিক দায়িত্ববোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং জনসেবার চেতনাকে একসঙ্গে ধারণ করে চলেছেন। আজ যখন মানুষ একজন সৎ, দায়িত্বশীল, মানবিক এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্ব খুঁজছে, তখন অনেকের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নাম মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা।
মানুষের কল্যাণে নিবেদিত, ন্যায়ের পক্ষে অবিচল, উন্নয়নের স্বপ্নে উজ্জীবিত একজন জনমানুষের প্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলা এক পরিচিত মুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানুষের পাশে থাকা যার নেশা, ন্যায়ের পথে চলাই যার প্রতিজ্ঞা

মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা: জনসেবার এক জীবন্ত ইতিহাস, আস্থার এক নির্ভরযোগ্য নাম

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর এরশাদ নগরের অলিগলি, বাজার, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্পে একটি নাম বারবার উচ্চারিত হয় মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি শুধু একজন ব্যবসায়ী নন, শুধু একজন সংগঠক নন, শুধু একজন সমাজসেবকও নন; তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করে চলেছেন নীরবে, নিরলসভাবে।


মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা জন্মগ্রহণ করেন একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা মরহুম মোঃ রমিজ উদ্দিন মোল্লা এবং মাতা মোসাঃ আনোয়ারা বেগম ছিলেন সমাজের সুপরিচিত ব্যবসায়ী ও মানবসেবী ব্যক্তি। এরশাদ নগর ছোট বাজারে তাদের চালের বৃহৎ ব্যবসা ছিল। ব্যবসার পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্য, সেই মানবিকতা, সেই দায়িত্ববোধ উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা।
ব্যবসা থেকে সমাজসেবা এক দীর্ঘ পথচলার গল্প। দুই ভাইয়ের পরিবারে বেড়ে ওঠা আনোয়ার হোসেন মোল্লা ছোটবেলা থেকেই দেখেছেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। ব্যবসার ব্যস্ততার মাঝেও তিনি সমাজের উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। এরশাদ নগরের মানুষ জানেন, কোনো বিরোধ, সামাজিক সমস্যা কিংবা পারিবারিক বিরোধ দেখা দিলে মানুষ প্রথমেই ছুটে যায় আনোয়ার হোসেন মোল্লার কাছে। বছরের পর বছর তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একটি অংশ যেন মানুষের ন্যায়বিচারের ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, “মানুষের বিচার করতে গেলে আল্লাহর কাছেও জবাবদিহি করতে হবে। তাই বিচার হতে হবে সত্যের ভিত্তিতে, পক্ষপাতহীনভাবে।” এই নীতিতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজের বিভিন্ন সালিশ, মীমাংসা ও সামাজিক বিচারকার্যে ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর কাছে ধনী-গরিব, ছোট-বড় কিংবা দল-মত কোনো বিষয় নয়; তাঁর কাছে বড় বিষয় সত্য ও ন্যায়।
শিক্ষা উন্নয়নের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লার জীবনের অন্যতম গর্বের অধ্যায় টিডিএই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন। দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর দায়িত্বকালেই বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় এবং টিনশেড ভবনের পরিবর্তে আধুনিক ভবন নির্মাণের পথ সুগম হয়। তিনি বিশ্বাস করেন, “একটি শিক্ষিত সমাজই পারে একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন করতে।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সবসময় কাজ করে যাচ্ছেন।
ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বে উজ্জ্বল উপস্থিতি। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা বর্তমানে ৩ নম্বর ব্লক শাহী জামে মসজিদের ক্যাশিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় তাঁর ভূমিকা এলাকাবাসীর কাছে প্রশংসিত। তিনি মনে করেন, একটি সুন্দর সমাজ গঠনের ভিত্তি হলো নৈতিকতা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ।
রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সংগঠনের প্রতি নিবেদন। রাজনৈতিক জীবনেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততা। তিনি সাবেক গাজীপুর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তবে তাঁর বক্তব্য সবসময়ই একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। “রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য হওয়া উচিত, বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য নয়।”
এই কারণেই তিনি কখনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কটূক্তির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না।
ছোট বাজারের বিশ্বস্ত অভিভাবক। এরশাদ নগর ছোট বাজার পরিচালনা কমিটির ক্যাশিয়ার হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যবসায়ী সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এলাকার অনেকেই বলেন, বাজারের উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি একজন নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
একজন সম্ভাব্য কাউন্সিলর, একটি উন্নয়নের স্বপ্ন। কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লার স্বপ্ন একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মানবিক ওয়ার্ড গড়ে তোলা। তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন। জলাবদ্ধতা নিরসন। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গঠন। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তা বৃদ্ধি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন। সামাজিক বিচারব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও ন্যায়ভিত্তিক করা। স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে দক্ষ জনবল নিয়োগ। তিনি বিশ্বাস করেন, জনপ্রতিনিধির কাজ শুধু নির্বাচন জেতা নয়; মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যার সমাধান করা।
মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া এক নাম। অনেক নেতা আসেন, অনেক নেতা চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ থাকেন মানুষের হৃদয়ের গভীরে। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা সেই ধরনের একজন মানুষ, যাকে এলাকার মানুষ শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং একজন অভিভাবক, সালিশকারী, সমাজসেবক এবং বিশ্বস্ত পরামর্শদাতা হিসেবে দেখে। তাঁর দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সবসময় খোলা। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে, বিচার-সালিশে কিংবা উন্নয়নের প্রয়োজনে মানুষ তাঁর কাছে আসে আস্থার সঙ্গে।
একটি সমাজ তখনই এগিয়ে যায়, যখন সেই সমাজে কিছু মানুষ নিঃস্বার্থভাবে মানুষের জন্য কাজ করে। মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা এমনই একজন ব্যক্তি, যিনি পারিবারিক ঐতিহ্য, ব্যবসায়িক সততা, সামাজিক দায়িত্ববোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং জনসেবার চেতনাকে একসঙ্গে ধারণ করে চলেছেন। আজ যখন মানুষ একজন সৎ, দায়িত্বশীল, মানবিক এবং অভিজ্ঞ নেতৃত্ব খুঁজছে, তখন অনেকের আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নাম মোঃ আনোয়ার হোসেন মোল্লা।
মানুষের কল্যাণে নিবেদিত, ন্যায়ের পক্ষে অবিচল, উন্নয়নের স্বপ্নে উজ্জীবিত একজন জনমানুষের প্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে চলা এক পরিচিত মুখ।