ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
“একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন

৪৯নং ওয়ার্ডে জনসেবার নীরব আলোকবর্তিকা মোসাঃ লাইলি বেগম

মানুষের ভালোবাসায় এগিয়ে চলা এক নারী নেতৃত্ব

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / ১৮১৩ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর ৪৯নং ওয়ার্ডে জনসেবা, মানবতা আর নীরব দানের এক পরিচিত নাম মোসাঃ লাইলি বেগম। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে তিনি যে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আজ অনেকের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। একজন নারী হিসেবে সমাজের নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন মানুষের আস্থার প্রতীক। আসন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি ৪৯নং ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে তার পরিচয় শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন তিনি একজন মানবিক সমাজকর্মী, একজন সাহসী নারী নেতৃত্ব এবং মানুষের বিপদে-আপদে ছুটে যাওয়া এক নিবেদিত প্রাণ মানুষ।
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে তিনি ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমার প্রাণপ্রিয় ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।” ঈদকে সামনে রেখে তাকে দেখা গেছে গরুর হাটে। কিন্তু এটি শুধুই ব্যক্তিগত কোরবানির জন্য নয়, এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যও তিনি সেখানে গিয়েছেন। জানা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি নীরবে অনেক পরিবারের জন্য কোরবানির ব্যবস্থা করবেন। তবে তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি কখনো নিজের দানের প্রচার করেন না। মানুষের উপকার করে ছবি তুলে কিংবা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচারণা চালানো তার স্বভাব নয়।


স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অনেক রাতের অন্ধকারে কিংবা ভোরবেলায়ও তিনি অসুস্থ, অভাবী কিংবা বিপদগ্রস্ত মানুষের বাড়িতে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছেন। কখনো নিজের হাতে, আবার কখনো বিশ্বস্ত মানুষদের মাধ্যমে তিনি সহযোগিতা পাঠান। অনেকে বলেন, “লাইলি বেগম আপা এমন একজন মানুষ, যিনি সাহায্য করে ভুলে যান, কিন্তু যাদের সাহায্য করেন তারা কখনো ভুলতে পারেন না।”
৪৯নং ওয়ার্ডের অলিগলি, শ্রমজীবী মানুষের বসতি, নিম্নআয়ের পরিবার, বিধবা নারী, এতিম শিশু কিংবা অসুস্থ মানুষের কাছে তার নাম আজ এক নির্ভরতার প্রতীক। সামাজিক অনুষ্ঠান, অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র মেয়ের বিয়েতে সহযোগিতা, শীতবস্ত্র বিতরণ, ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সবখানেই তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।
তার রাজনৈতিক যাত্রাও অনেক সংগ্রামের। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাস রেখে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, নারীদের সংগঠিত করা, সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা এবং এলাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমি মানুষের ভালোবাসা চাই। মানুষের দুঃখ-কষ্টের সময় পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার ওয়ার্ডকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মানবিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি এলাকার মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর সবাইকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এরই মধ্যে ওয়ার্ডজুড়ে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা বাড়ছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা মনে করেন, “যে মানুষ নির্বাচন ছাড়াও বছরের পর বছর মানুষের জন্য কাজ করেন, সেই মানুষই প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য।”
রাজনীতির মঞ্চে অনেকেই আসেন, আবার হারিয়েও যান। কিন্তু কিছু মানুষ তাদের কাজ, মানবতা ও ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। মোসাঃ লাইলি বেগম ঠিক তেমনই একজন মানুষ যিনি নীরবে মানুষের জন্য কাজ করতে ভালোবাসেন, মানুষের কান্নাকে নিজের কষ্ট মনে করেন এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন। ৪৯নং ওয়ার্ডের অনেকেই এখন বলছেন, “মানুষের সুখ-দুঃখে যে নারী সবসময় পাশে থাকে, সেই নারীই হতে পারেন আগামী দিনের জনতার কণ্ঠস্বর।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪৯নং ওয়ার্ডে জনসেবার নীরব আলোকবর্তিকা মোসাঃ লাইলি বেগম

মানুষের ভালোবাসায় এগিয়ে চলা এক নারী নেতৃত্ব

আপডেট সময় : ১০:০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর ৪৯নং ওয়ার্ডে জনসেবা, মানবতা আর নীরব দানের এক পরিচিত নাম মোসাঃ লাইলি বেগম। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থেকে তিনি যে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আজ অনেকের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। একজন নারী হিসেবে সমাজের নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন মানুষের আস্থার প্রতীক। আসন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি ৪৯নং ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে তার পরিচয় শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন তিনি একজন মানবিক সমাজকর্মী, একজন সাহসী নারী নেতৃত্ব এবং মানুষের বিপদে-আপদে ছুটে যাওয়া এক নিবেদিত প্রাণ মানুষ।
পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে তিনি ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীর উদ্দেশ্যে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমার প্রাণপ্রিয় ৪৯নং ওয়ার্ডবাসীকে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।” ঈদকে সামনে রেখে তাকে দেখা গেছে গরুর হাটে। কিন্তু এটি শুধুই ব্যক্তিগত কোরবানির জন্য নয়, এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যও তিনি সেখানে গিয়েছেন। জানা যায়, প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি নীরবে অনেক পরিবারের জন্য কোরবানির ব্যবস্থা করবেন। তবে তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো তিনি কখনো নিজের দানের প্রচার করেন না। মানুষের উপকার করে ছবি তুলে কিংবা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচারণা চালানো তার স্বভাব নয়।


স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অনেক রাতের অন্ধকারে কিংবা ভোরবেলায়ও তিনি অসুস্থ, অভাবী কিংবা বিপদগ্রস্ত মানুষের বাড়িতে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছেন। কখনো নিজের হাতে, আবার কখনো বিশ্বস্ত মানুষদের মাধ্যমে তিনি সহযোগিতা পাঠান। অনেকে বলেন, “লাইলি বেগম আপা এমন একজন মানুষ, যিনি সাহায্য করে ভুলে যান, কিন্তু যাদের সাহায্য করেন তারা কখনো ভুলতে পারেন না।”
৪৯নং ওয়ার্ডের অলিগলি, শ্রমজীবী মানুষের বসতি, নিম্নআয়ের পরিবার, বিধবা নারী, এতিম শিশু কিংবা অসুস্থ মানুষের কাছে তার নাম আজ এক নির্ভরতার প্রতীক। সামাজিক অনুষ্ঠান, অসুস্থ রোগীর চিকিৎসা সহায়তা, দরিদ্র মেয়ের বিয়েতে সহযোগিতা, শীতবস্ত্র বিতরণ, ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া সবখানেই তার সরব উপস্থিতি রয়েছে।
তার রাজনৈতিক যাত্রাও অনেক সংগ্রামের। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাস রেখে দলের তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, নারীদের সংগঠিত করা, সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা এবং এলাকায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না। আমি মানুষের ভালোবাসা চাই। মানুষের দুঃখ-কষ্টের সময় পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার ওয়ার্ডকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও মানবিক ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি এলাকার মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর সবাইকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে এরই মধ্যে ওয়ার্ডজুড়ে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা বাড়ছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা মনে করেন, “যে মানুষ নির্বাচন ছাড়াও বছরের পর বছর মানুষের জন্য কাজ করেন, সেই মানুষই প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য।”
রাজনীতির মঞ্চে অনেকেই আসেন, আবার হারিয়েও যান। কিন্তু কিছু মানুষ তাদের কাজ, মানবতা ও ভালোবাসা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। মোসাঃ লাইলি বেগম ঠিক তেমনই একজন মানুষ যিনি নীরবে মানুষের জন্য কাজ করতে ভালোবাসেন, মানুষের কান্নাকে নিজের কষ্ট মনে করেন এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন। ৪৯নং ওয়ার্ডের অনেকেই এখন বলছেন, “মানুষের সুখ-দুঃখে যে নারী সবসময় পাশে থাকে, সেই নারীই হতে পারেন আগামী দিনের জনতার কণ্ঠস্বর।”