ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
“একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন

মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন।

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / ১৮৩০ বার পড়া হয়েছে




মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন। এই মহাগ্রন্থ মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির পথ প্রদর্শন করে। আল-কুরআনের প্রতিটি আয়াত মানুষের ঈমান, আমল, চরিত্র ও নৈতিকতাকে সুন্দর ও পরিপূর্ণ করার আহ্বান জানায়। নিচে পবিত্র কুরআনের আলোকে ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ তুলে ধরা হলো—
৫১। আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করো, তিনিই উত্তম অভিভাবক। (সূরা আহযাব: ৩)
৫২। যারা আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তাদের জন্য উত্তম পথ বের করে দেন। (সূরা তালাক: ২)
৫৩। ধৈর্য ও তাকওয়া অবলম্বন করো, এটাই সফলতার পথ। (সূরা আলে ইমরান: ২০০)
৫৪। আল্লাহর সাহায্য খুবই নিকটবর্তী—হতাশ হয়ো না। (সূরা বাকারা: ২১৪)
৫৫। মানুষের মধ্যে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করো। (সূরা হাদিদ: ২৫)
৫৬। ঈমান আনার পর আল্লাহর পথে অবিচল থাকো। (সূরা ফুসসিলাত: ৩০)
৫৭। দুনিয়ার মোহে পড়ে আখিরাত ভুলে যেও না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৫৮। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করো, মানুষের প্রশংসার জন্য নয়। (সূরা বাইয়্যিনাহ: ৫)
৫৯। অশান্তি নয়, মানুষের মাঝে শান্তি ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দাও। (সূরা হুজুরাত: ১০)
৬০। ঈমানদারদের বন্ধু হও এবং সৎ মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করো। (সূরা তাওবা: ১১৯)
৬১। রিজিকের জন্য হারাম পথ অবলম্বন করো না। (সূরা বাকারা: ১৬৮)
৬২। অন্যের দোষ অনুসন্ধান করো না। (সূরা হুজুরাত: ১২)
৬৩। আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করো ও কৃতজ্ঞ হও। (সূরা নাহল: ১১৪)
৬৪। মানুষের মাঝে অহেতুক বিবাদ সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা: ২০৫)
৬৫। যারা কুরআন তিলাওয়াত করে ও আমল করে তারাই সফল। (সূরা ফাতির: ২৯)
৬৬। সালাম প্রচার করো ও উত্তম কথা বলো। (সূরা নিসা: ৮৬)
৬৭। অন্যায় ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না। (সূরা ইসরা: ৩২)
৬৮। সন্তানদের উত্তম শিক্ষা ও আদর্শ দাও। (সূরা তাহরিম: ৬)
৬৯। আল্লাহর কাছে বিনয়ের সাথে দোয়া করো। (সূরা আরাফ: ৫৫)
৭০। পাপ গোপন হলেও আল্লাহ সবকিছু দেখেন—এ কথা স্মরণ রাখো। (সূরা মুজাদিলা: ৭)
৭১। মানুষের প্রতি দয়া করো, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করবেন। (সূরা বালাদ: ১৭)
৭২। নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করো। (সূরা আলে ইমরান: ১৩৪)
৭৩। অসহায় ও মুসাফিরদের সাহায্য করো। (সূরা বনি ইসরাঈল: ২৬)
৭৪। আল্লাহর পথে দান করলে তা কখনো বৃথা যায় না। (সূরা সাবা: ৩৯)
৭৫। ঈমানদার পুরুষ ও নারীরা একে অপরের সহযোগী। (সূরা তাওবা: ৭১)
৭৬। গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করো। (সূরা রাদ: ২১)
৭৭। শয়তান তোমাদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি করতে চায়—সাবধান থাকো। (সূরা মায়েদা: ৯১)
৭৮। প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দেন। (সূরা যিলযাল: ৭)
৭৯। সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। (সূরা বাকারা: ৪২)
৮০। আল্লাহর পথে ডাকো প্রজ্ঞা ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে। (সূরা নাহল: ১২৫)
৮১। নিজের পরিবারকে নামাজের আদেশ দাও। (সূরা ত্ব-হা: ১৩২)
৮২। আল্লাহ ধ্বংসাত্মক কাজ পছন্দ করেন না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৮৩। মানুষের উপকার করো, এটাই উত্তম আমল। (সূরা মাউন: ১-৭)
৮৪। বিপদে ধৈর্যশীল হও এবং শুকরিয়া আদায় করো। (সূরা ইবরাহিম: ৭)
৮৫। আল্লাহর কাছে সবসময় হেদায়েত কামনা করো। (সূরা ফাতিহা: ৬)
৮৬। মুমিনদের অন্তরে শান্তি নাজিল করেন আল্লাহ। (সূরা ফাতহ: ৪)
৮৭। গোপনে করা সৎকাজ আল্লাহ অধিক পছন্দ করেন। (সূরা বাকারা: ২৭১)
৮৮। কুরআন মানুষের অন্তরের রোগের শিফা। (সূরা ইউনুস: ৫৭)
৮৯। সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নাও। (সূরা নিসা: ১৩৫)
৯০। আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের প্রশান্তি। (সূরা রাদ: ২৮)
৯১। আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করো না। (সূরা আরাফ: ৪৫)
৯২। যারা তওবা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা: ২২২)
৯৩। দুনিয়ার প্রতিযোগিতায় নয়, তাকওয়ায় শ্রেষ্ঠত্ব খোঁজো। (সূরা হুজুরাত: ১৩)
৯৪। মিথ্যা অহংকার মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। (সূরা গাফির: ৩৫)
৯৫। আল্লাহর আয়াত নিয়ে উপহাস করো না। (সূরা জাসিয়া: ৯)
৯৬। সৎকাজের আদেশ দাও এবং অসৎ কাজে বাধা দাও। (সূরা আলে ইমরান: ১১০)
৯৭। মানুষকে সহজভাবে কথা বলো ও কঠোরতা পরিহার করো। (সূরা ত্ব-হা: ৪৪)
৯৮। আল্লাহর রহমত প্রত্যেক কষ্টের চেয়ে বড়। (সূরা যুমার: ৫৩)
৯৯। মৃত্যু আসার আগেই নেক আমলে নিজেকে প্রস্তুত করো। (সূরা মুনাফিকুন: ১০)
১০০। সর্বদা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, তিনিই পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সূরা নূর: ৩১)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন।

আপডেট সময় : ০৯:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন। এই মহাগ্রন্থ মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির পথ প্রদর্শন করে। আল-কুরআনের প্রতিটি আয়াত মানুষের ঈমান, আমল, চরিত্র ও নৈতিকতাকে সুন্দর ও পরিপূর্ণ করার আহ্বান জানায়। নিচে পবিত্র কুরআনের আলোকে ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ তুলে ধরা হলো—
৫১। আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করো, তিনিই উত্তম অভিভাবক। (সূরা আহযাব: ৩)
৫২। যারা আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তাদের জন্য উত্তম পথ বের করে দেন। (সূরা তালাক: ২)
৫৩। ধৈর্য ও তাকওয়া অবলম্বন করো, এটাই সফলতার পথ। (সূরা আলে ইমরান: ২০০)
৫৪। আল্লাহর সাহায্য খুবই নিকটবর্তী—হতাশ হয়ো না। (সূরা বাকারা: ২১৪)
৫৫। মানুষের মধ্যে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করো। (সূরা হাদিদ: ২৫)
৫৬। ঈমান আনার পর আল্লাহর পথে অবিচল থাকো। (সূরা ফুসসিলাত: ৩০)
৫৭। দুনিয়ার মোহে পড়ে আখিরাত ভুলে যেও না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৫৮। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করো, মানুষের প্রশংসার জন্য নয়। (সূরা বাইয়্যিনাহ: ৫)
৫৯। অশান্তি নয়, মানুষের মাঝে শান্তি ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে দাও। (সূরা হুজুরাত: ১০)
৬০। ঈমানদারদের বন্ধু হও এবং সৎ মানুষের সঙ্গ গ্রহণ করো। (সূরা তাওবা: ১১৯)
৬১। রিজিকের জন্য হারাম পথ অবলম্বন করো না। (সূরা বাকারা: ১৬৮)
৬২। অন্যের দোষ অনুসন্ধান করো না। (সূরা হুজুরাত: ১২)
৬৩। আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করো ও কৃতজ্ঞ হও। (সূরা নাহল: ১১৪)
৬৪। মানুষের মাঝে অহেতুক বিবাদ সৃষ্টি করো না। (সূরা বাকারা: ২০৫)
৬৫। যারা কুরআন তিলাওয়াত করে ও আমল করে তারাই সফল। (সূরা ফাতির: ২৯)
৬৬। সালাম প্রচার করো ও উত্তম কথা বলো। (সূরা নিসা: ৮৬)
৬৭। অন্যায় ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না। (সূরা ইসরা: ৩২)
৬৮। সন্তানদের উত্তম শিক্ষা ও আদর্শ দাও। (সূরা তাহরিম: ৬)
৬৯। আল্লাহর কাছে বিনয়ের সাথে দোয়া করো। (সূরা আরাফ: ৫৫)
৭০। পাপ গোপন হলেও আল্লাহ সবকিছু দেখেন—এ কথা স্মরণ রাখো। (সূরা মুজাদিলা: ৭)
৭১। মানুষের প্রতি দয়া করো, আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করবেন। (সূরা বালাদ: ১৭)
৭২। নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করো। (সূরা আলে ইমরান: ১৩৪)
৭৩। অসহায় ও মুসাফিরদের সাহায্য করো। (সূরা বনি ইসরাঈল: ২৬)
৭৪। আল্লাহর পথে দান করলে তা কখনো বৃথা যায় না। (সূরা সাবা: ৩৯)
৭৫। ঈমানদার পুরুষ ও নারীরা একে অপরের সহযোগী। (সূরা তাওবা: ৭১)
৭৬। গোপনে ও প্রকাশ্যে আল্লাহকে ভয় করো। (সূরা রাদ: ২১)
৭৭। শয়তান তোমাদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টি করতে চায়—সাবধান থাকো। (সূরা মায়েদা: ৯১)
৭৮। প্রতিটি ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দেন। (সূরা যিলযাল: ৭)
৭৯। সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। (সূরা বাকারা: ৪২)
৮০। আল্লাহর পথে ডাকো প্রজ্ঞা ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে। (সূরা নাহল: ১২৫)
৮১। নিজের পরিবারকে নামাজের আদেশ দাও। (সূরা ত্ব-হা: ১৩২)
৮২। আল্লাহ ধ্বংসাত্মক কাজ পছন্দ করেন না। (সূরা কাসাস: ৭৭)
৮৩। মানুষের উপকার করো, এটাই উত্তম আমল। (সূরা মাউন: ১-৭)
৮৪। বিপদে ধৈর্যশীল হও এবং শুকরিয়া আদায় করো। (সূরা ইবরাহিম: ৭)
৮৫। আল্লাহর কাছে সবসময় হেদায়েত কামনা করো। (সূরা ফাতিহা: ৬)
৮৬। মুমিনদের অন্তরে শান্তি নাজিল করেন আল্লাহ। (সূরা ফাতহ: ৪)
৮৭। গোপনে করা সৎকাজ আল্লাহ অধিক পছন্দ করেন। (সূরা বাকারা: ২৭১)
৮৮। কুরআন মানুষের অন্তরের রোগের শিফা। (সূরা ইউনুস: ৫৭)
৮৯। সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নাও। (সূরা নিসা: ১৩৫)
৯০। আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের প্রশান্তি। (সূরা রাদ: ২৮)
৯১। আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করো না। (সূরা আরাফ: ৪৫)
৯২। যারা তওবা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। (সূরা বাকারা: ২২২)
৯৩। দুনিয়ার প্রতিযোগিতায় নয়, তাকওয়ায় শ্রেষ্ঠত্ব খোঁজো। (সূরা হুজুরাত: ১৩)
৯৪। মিথ্যা অহংকার মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। (সূরা গাফির: ৩৫)
৯৫। আল্লাহর আয়াত নিয়ে উপহাস করো না। (সূরা জাসিয়া: ৯)
৯৬। সৎকাজের আদেশ দাও এবং অসৎ কাজে বাধা দাও। (সূরা আলে ইমরান: ১১০)
৯৭। মানুষকে সহজভাবে কথা বলো ও কঠোরতা পরিহার করো। (সূরা ত্ব-হা: ৪৪)
৯৮। আল্লাহর রহমত প্রত্যেক কষ্টের চেয়ে বড়। (সূরা যুমার: ৫৩)
৯৯। মৃত্যু আসার আগেই নেক আমলে নিজেকে প্রস্তুত করো। (সূরা মুনাফিকুন: ১০)
১০০। সর্বদা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, তিনিই পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সূরা নূর: ৩১)