ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে আলেম-ওলামাদের মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

দেড় হাজার চেয়ার, বিশাল তাবু, ঠান্ডা পানি ও শরবত অভিভাবকদের জন্য অনন্য সেবায় প্রশংসায় ভাসছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

পরীক্ষার্থীদের পাশে মানবতার ছায়া এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ডে কামুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৯৮৫ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ডে এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। যেখানে রাজনীতি নয়, মানবিকতাই হয়ে উঠেছে প্রধান পরিচয়। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আসা শত শত মা-বাবা ও অভিভাবকদের কথা ভেবে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এলাকার সুপরিচিত সমাজসেবক মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় টঙ্গীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে এই এলাকায়। তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদের দীর্ঘ সময় রৌদ্রে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এই কষ্ট লাঘব করতেই কামু গ্রহণ করেন মানবিক এই উদ্যোগ। তিনি দেড় হাজারের বেশি চেয়ার বসার ব্যবস্থা করেন এবং প্রখর রোদ থেকে রক্ষা পেতে বিশাল তাবুর ব্যবস্থা করেন, যা অভিভাবকদের জন্য হয়ে ওঠে স্বস্তির আশ্রয়।
শুধু বসার ব্যবস্থাই নয়, গরমের তীব্রতা থেকে মুক্তি দিতে সার্বক্ষণিক সরবরাহ করা হয়েছে ঠান্ডা পানি ও শরবত। ফলে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা অপেক্ষার সময়টুকু অনেকটাই স্বস্তিতে কাটাতে পারছেন অভিভাবকরা। অনেকেই এই উদ্যোগকে “মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত” হিসেবে অভিহিত করেছেন। এদিকে, যেসব স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, সেখানেও বসার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে, যেন কেউ অস্বস্তিতে না থাকেন। পরীক্ষার পুরো সময়জুড়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশেষ নজর রাখেন কামু ও তার স্বেচ্ছাসেবক দল। তার স্বেচ্ছাসেবক টিম যেখানে ছেলে-মেয়ে উভয়েই রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সহায়তা, রাস্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যানজট বা দুর্ঘটনা এড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে শুরু করে পরীক্ষা শেষে বাসায় ফেরা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাদের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
স্থানীয় অভিভাবকদের ভাষায়, “এমন উদ্যোগ আমরা আগে কখনো দেখিনি। আমাদের সন্তানরা যখন পরীক্ষা দেয়, তখন অন্তত আমরা একটু স্বস্তিতে বসতে পারছি। এটাই বড় পাওয়া।” মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর এই মানবিক উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন তার নাম। একজন নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এমন মানবিক, দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বই আগামী দিনের উন্নত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের বিশ্বাস যিনি মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকেন, তিনিই প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য।
মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা এই উদ্যোগ শুধু একটি সাময়িক সহায়তা নয়, এটি একটি দৃষ্টান্ত, একটি বার্তা। এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ড আজ যেন বলছে,
“যেখানে মানবতা আছে, সেখানেই প্রকৃত নেতৃত্বের জয়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেড় হাজার চেয়ার, বিশাল তাবু, ঠান্ডা পানি ও শরবত অভিভাবকদের জন্য অনন্য সেবায় প্রশংসায় ভাসছেন মোঃ কামরুল ইসলাম কামু

পরীক্ষার্থীদের পাশে মানবতার ছায়া এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ডে কামুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস

আপডেট সময় : ০৭:২৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ডে এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। যেখানে রাজনীতি নয়, মানবিকতাই হয়ে উঠেছে প্রধান পরিচয়। পরীক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের সঙ্গে আসা শত শত মা-বাবা ও অভিভাবকদের কথা ভেবে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এলাকার সুপরিচিত সমাজসেবক মোঃ কামরুল ইসলাম কামু। পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ায় টঙ্গীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছে এই এলাকায়। তাদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদের দীর্ঘ সময় রৌদ্রে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এই কষ্ট লাঘব করতেই কামু গ্রহণ করেন মানবিক এই উদ্যোগ। তিনি দেড় হাজারের বেশি চেয়ার বসার ব্যবস্থা করেন এবং প্রখর রোদ থেকে রক্ষা পেতে বিশাল তাবুর ব্যবস্থা করেন, যা অভিভাবকদের জন্য হয়ে ওঠে স্বস্তির আশ্রয়।
শুধু বসার ব্যবস্থাই নয়, গরমের তীব্রতা থেকে মুক্তি দিতে সার্বক্ষণিক সরবরাহ করা হয়েছে ঠান্ডা পানি ও শরবত। ফলে দীর্ঘ তিন ঘণ্টা অপেক্ষার সময়টুকু অনেকটাই স্বস্তিতে কাটাতে পারছেন অভিভাবকরা। অনেকেই এই উদ্যোগকে “মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত” হিসেবে অভিহিত করেছেন। এদিকে, যেসব স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, সেখানেও বসার ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে, যেন কেউ অস্বস্তিতে না থাকেন। পরীক্ষার পুরো সময়জুড়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশেষ নজর রাখেন কামু ও তার স্বেচ্ছাসেবক দল। তার স্বেচ্ছাসেবক টিম যেখানে ছেলে-মেয়ে উভয়েই রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে সহায়তা, রাস্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যানজট বা দুর্ঘটনা এড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে শুরু করে পরীক্ষা শেষে বাসায় ফেরা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাদের সেবা কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
স্থানীয় অভিভাবকদের ভাষায়, “এমন উদ্যোগ আমরা আগে কখনো দেখিনি। আমাদের সন্তানরা যখন পরীক্ষা দেয়, তখন অন্তত আমরা একটু স্বস্তিতে বসতে পারছি। এটাই বড় পাওয়া।” মোঃ কামরুল ইসলাম কামুর এই মানবিক উদ্যোগ ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন তার নাম। একজন নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এমন মানবিক, দূরদর্শী ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বই আগামী দিনের উন্নত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের বিশ্বাস যিনি মানুষের দুঃসময়ে পাশে থাকেন, তিনিই প্রকৃত জনপ্রতিনিধি হওয়ার যোগ্য।
মানবতার সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা এই উদ্যোগ শুধু একটি সাময়িক সহায়তা নয়, এটি একটি দৃষ্টান্ত, একটি বার্তা। এরশাদনগর ৪৯ নং ওয়ার্ড আজ যেন বলছে,
“যেখানে মানবতা আছে, সেখানেই প্রকৃত নেতৃত্বের জয়।”