ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

ত্যাগ, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় যুবসমাজের পাশে এক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক

যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন

md younus
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৮৩ বার পড়া হয়েছে




গোলাপ তার সৌন্দর্য ও সুবাসে যেমন মানুষের মনকে মুগ্ধ করে, তেমনি কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মোঃ সুমন যেন তেমনই এক ফুটন্ত গোলাপ, যাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা, কর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার প্রচেষ্টা তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা কেবল একটি থানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গাজীপুর মহানগরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনে তাঁকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংগঠনের কোনো কর্মী সমস্যায় পড়লে কিংবা সাংগঠনিক সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তিনি সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কর্মীদের সমস্যা শোনা, সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলাকে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন।


যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে তাঁর ব্যস্ততাও বেড়েছে। কর্মসূচিকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে তিনি কয়েক দিন ধরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাঁদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন এবং সবার মতামত ও সমস্যার কথা শুনছেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন কীভাবে আরও আকর্ষণীয় করা যায়, কীভাবে কর্মীদের ঐক্য সুদৃঢ় করা যায় এবং কীভাবে গাজীপুরবাসীর সামনে একটি ইতিবাচক সাংগঠনিক চিত্র তুলে ধরা যায়, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তিনি কাজ করছেন।
তাঁর কাছে রাজনীতি শুধু সভা-সমাবেশ কিংবা পদ-পদবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের পাশে থাকা, কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং যুবসমাজকে ভালো কাজে উৎসাহিত করাও রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভাবনা থেকেই তিনি যুবকদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছেন। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় ক্রীড়াসামগ্রী তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
তাঁর এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে একটি ইতিবাচক প্রত্যাশা, যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরেরা খেলাধুলা, শরীরচর্চা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে মাদক ও অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সুযোগ পাবে। মাঠের খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখে। তাই যুবসমাজকে সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
পরিবেশের প্রতিও তাঁর রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গাছের চারা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করছেন। একটি গাছ যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ছায়া, অক্সিজেন ও সৌন্দর্যের প্রতীক, তেমনি একটি ভালো উদ্যোগও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বীজ বপন করতে পারে। খেলাধুলা, বৃক্ষরোপণ ও মানবিক সহযোগিতার মতো উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি তরুণদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শেখ মোঃ সুমনের এই পথচলার মূল শক্তি হতে পারে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার মানসিকতা। একটি সংগঠন তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার নেতারা কর্মীদের কথা শোনেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ান এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি এসব কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও ধারাবাহিক করতে পারলে তা গাজীপুরের যুবসমাজ ও স্থানীয় জনগণের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।
একটি ফুটন্ত গোলাপ যেমন তার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে দেয়, তেমনি মানুষের কল্যাণে নিবেদিত উদ্যোগও সমাজে ছড়িয়ে দিতে পারে আশার আলো। শেখ মোঃ সুমনকে ঘিরে সেই প্রত্যাশাই, তিনি যেন সাংগঠনিক দায়িত্ব, মানবিক সহযোগিতা, খেলাধুলার প্রসার এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন এবং বৃহত্তর সমাজের কল্যাণে কাজ করে যান।
রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য মানুষের ভালোবাসা অর্জনে, আর নেতৃত্বের প্রকৃত সার্থকতা মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে। সেই বিবেচনায় শেখ মোঃ সুমনের প্রতি প্রত্যাশা, ফুটন্ত গোলাপের মতো তাঁর উদ্যোগ ও কর্মপ্রচেষ্টা যেন আরও বিকশিত হয়, সুবাস ছড়ায় গাজীপুরের প্রতিটি জনপদে এবং যুবসমাজকে নিয়ে যায় সুন্দর, সুস্থ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ত্যাগ, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় যুবসমাজের পাশে এক নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক

যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন

আপডেট সময় : ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

গোলাপ তার সৌন্দর্য ও সুবাসে যেমন মানুষের মনকে মুগ্ধ করে, তেমনি কিছু মানুষ তাঁদের কর্ম, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মোঃ সুমন যেন তেমনই এক ফুটন্ত গোলাপ, যাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা, কর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার প্রচেষ্টা তাঁকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা কেবল একটি থানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গাজীপুর মহানগরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনে তাঁকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংগঠনের কোনো কর্মী সমস্যায় পড়লে কিংবা সাংগঠনিক সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তিনি সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। কর্মীদের সমস্যা শোনা, সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলাকে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখেন।


যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে তাঁর ব্যস্ততাও বেড়েছে। কর্মসূচিকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে তিনি কয়েক দিন ধরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাঁদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন এবং সবার মতামত ও সমস্যার কথা শুনছেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন কীভাবে আরও আকর্ষণীয় করা যায়, কীভাবে কর্মীদের ঐক্য সুদৃঢ় করা যায় এবং কীভাবে গাজীপুরবাসীর সামনে একটি ইতিবাচক সাংগঠনিক চিত্র তুলে ধরা যায়, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তিনি কাজ করছেন।
তাঁর কাছে রাজনীতি শুধু সভা-সমাবেশ কিংবা পদ-পদবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের পাশে থাকা, কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং যুবসমাজকে ভালো কাজে উৎসাহিত করাও রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ভাবনা থেকেই তিনি যুবকদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছেন। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় ক্রীড়াসামগ্রী তুলে দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
তাঁর এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে একটি ইতিবাচক প্রত্যাশা, যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরেরা খেলাধুলা, শরীরচর্চা এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে মাদক ও অন্যান্য ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকার সুযোগ পাবে। মাঠের খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তুলতেও ভূমিকা রাখে। তাই যুবসমাজকে সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
পরিবেশের প্রতিও তাঁর রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গাছের চারা উপহার দেওয়ার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করছেন। একটি গাছ যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ছায়া, অক্সিজেন ও সৌন্দর্যের প্রতীক, তেমনি একটি ভালো উদ্যোগও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বীজ বপন করতে পারে। খেলাধুলা, বৃক্ষরোপণ ও মানবিক সহযোগিতার মতো উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি তরুণদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শেখ মোঃ সুমনের এই পথচলার মূল শক্তি হতে পারে কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সম্মিলিতভাবে কাজ করার মানসিকতা। একটি সংগঠন তখনই শক্তিশালী হয়, যখন তার নেতারা কর্মীদের কথা শোনেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ান এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলেন। ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি এসব কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও ধারাবাহিক করতে পারলে তা গাজীপুরের যুবসমাজ ও স্থানীয় জনগণের জন্য ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে।
একটি ফুটন্ত গোলাপ যেমন তার সুবাস চারদিকে ছড়িয়ে দেয়, তেমনি মানুষের কল্যাণে নিবেদিত উদ্যোগও সমাজে ছড়িয়ে দিতে পারে আশার আলো। শেখ মোঃ সুমনকে ঘিরে সেই প্রত্যাশাই, তিনি যেন সাংগঠনিক দায়িত্ব, মানবিক সহযোগিতা, খেলাধুলার প্রসার এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখেন এবং বৃহত্তর সমাজের কল্যাণে কাজ করে যান।
রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য মানুষের ভালোবাসা অর্জনে, আর নেতৃত্বের প্রকৃত সার্থকতা মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে। সেই বিবেচনায় শেখ মোঃ সুমনের প্রতি প্রত্যাশা, ফুটন্ত গোলাপের মতো তাঁর উদ্যোগ ও কর্মপ্রচেষ্টা যেন আরও বিকশিত হয়, সুবাস ছড়ায় গাজীপুরের প্রতিটি জনপদে এবং যুবসমাজকে নিয়ে যায় সুন্দর, সুস্থ ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে।