ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
“একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন

ছয় বছরের ইলহামের অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে শুরু করে শত শত শিক্ষার্থীর স্বপ্ন গড়ে তোলা, অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়ার মানবিকতা, মমতা, স্নেহ ও ইসলামী মূল্যবোধে নির্মিত এক অনন্য শিক্ষকতার জীবনগাথা

টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া- শিশুর হৃদয়ে আশার আলো জ্বালানো এক আলোকিত মানুষ

md younus
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১৪৯ বার পড়া হয়েছে




সুদীর্ঘ ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কত শিক্ষার্থী এসেছেন, কেউ পথ হারিয়েছে, কেউ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে, কেউ আবার সফলতার শিখরে পৌঁছে আজ দেশের সেবায় নিয়োজিত। কিন্তু প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে আছে একেকটি গল্প, একেকটি ভালোবাসা। আজ বলতে ইচ্ছে হলো আমার খুদে বন্ধু, আমার ছোট্ট অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষী, টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের প্রথম শ্রেণীর ছয় বছর বয়সী আহনাফ হোসেন ইলহামের গল্প।


ইলহাম ফুটফুটে, নির্মল–স্বভাব হাসিখুশি এক শিশু। তার চোখে আছে অদ্ভুত স্নিগ্ধতা, কথা বলায় আছে ভরসার স্পর্শ। কোন এক অজানা কারণে সে আমাকে অপরিসীম ভালোবাসে। আমি দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর কলেজে ফিরলে, খবর পেয়ে ছোট্ট ইলহাম প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে ছুটে আসে আমাকে দেখতে। এক শিশুর এই সত্যিকারের ভালোবাসা, এটাই একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
ইলহামের বাবা একজন চিকিৎসক। মনে হয় ছোট্ট ইলহামও একদিন বড় হবে, মানুষের সেবা করবে, সমাজে আলো ছড়াবে। ইনশাআল্লাহ, আমিন, সুম্মা আমিন।
অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া, ভালোবাসার এক পরম ছায়া। অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া শুধু একজন শিক্ষক নন; তিনি যেন টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের প্রতিটি শিশুর অভিভাবক। তার ইচ্ছে, “বাচ্চারা যেন মানুষ হয়, দেশের সেবক হয়, আলোর দিশারি হয়।”
তিনি বিশ্বাস করেন, “একটি শিশুর ভবিষ্যৎ বদলাতে পারলে, পুরো জাতির ভবিষ্যৎ বদলায়।” শিশুদের জন্য তাঁর মমতা একটি জীবন্ত উদাহরণ।
বৃষ্টি হলে তিনি নিজ হাতে ছোটদের শরীর মুছে দেন তোয়ালে বা গামছা দিয়ে। কোন শিশুর ভালো কাপড় না থাকলে, তিনি নিজের অর্থে কাপড় কিনে দেন। কারো বাড়িতে সমস্যা থাকলে, চিঠি লিখে তাকে বাড়ি যেতে দেন। কারো ভর্তি সমস্যা হলে, তিনি বলেন,
“ওরা তো আমার পোলাপান, ওদের কষ্ট হলে আমার কষ্ট হয়।”
হাফ বেতন, ফুল বেতন কমানো, এক মানবিক সিদ্ধান্ত, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়লে তিনি বেতন কমিয়ে দেন, কখনও পুরোপুরি মাফ করে দেন। যাতে কোন শিশুকে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে না হয়। তিনি সবসময় শিক্ষকদের বলেন, “এরা আমাদের ভবিষ্যৎ। এগুলো আমাদের সন্তান। এদের সেবা করলে আল্লাহ খুশি হন।”
ইসলামী চেতনায় নির্মিত তাঁর চরিত্র, অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়া ইসলামসম্মত, ধর্মভীরু, সৎ এবং নীতিবান একজন মানুষ। তিনি প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে আগে রাখেন।
যে কোন শিশুর অসুখ–বিসুখ হলে তিনি ছুটে যান। কারো কষ্ট শুনলে চোখ ভিজে আসে।
এমনই মমতাময় আচরণে শিশুরা তাকে দেখে কেঁদে ফেলে। “স্যার না থাকলে আমরা কার কাছে যাব ?”
এমনকি তিনি বিপদের সময়ও বাচ্চাদের দায়িত্ব নিতে ভোলেন না। শিক্ষার্থী–শিক্ষকরা তার জন্য আন্দোলনেও নেমে যেতে চেয়েছিলেন একসময়। তখন তিনি সবাইকে শান্ত করে বলেছেন, “তোমরা লেখাপড়া করো। আমি আছি। আল্লাহর উপর ভরসা রাখো।” এই কথার মধ্যেই বোঝা যায় তার মমতা, তার বিশ্বাস, তার ভালোবাসা কত গভীর।
অধ্যক্ষের স্বপ্নের কথা, সন্তানদের বড় হয়ে ফিরে আসা। এই প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে আবার এই স্কুলেই শিক্ষক হয়েছেন। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ সরকারি কর্মকর্তা। তারা যখন প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে তাকে সালাম করে, তখন তার চোখে জল এসে যায়।
তিনি বলেন, “এটাই আমার পাওয়া। এটাই আমার গর্ব। আমার বাচ্চারা আজ মানুষ হয়েছে, এই আমার অর্জন।” তিনি বিশ্বাস করেন, “আমরা সবাই আত্মীয়–স্বজনের মত, একে অপরের উপকারে আসবো। যতদিন বেঁচে আছি, আমি সবার পাশে থাকব।”
একজন শিক্ষকের মানবিকতা, এক উপন্যাসের মতো জীবনগাথা, অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া বড় বংশের সন্তান, ইসলাম–সম্ভ্রান্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা। তার চলাফেরা, কথাবার্তা, চরিত্র সবই ইসলামী আদর্শে গড়া। তিনি যেমন একজন শিক্ষক, তেমনই একজন সমাজ–সেবক; যেমন একজন অভিভাবক, তেমনই একজন পথপ্রদর্শক। শিশুর প্রতি তার মমতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি তার দায়িত্ববোধ, আর শিক্ষকদের প্রতি তার ভালোবাসা। সব মিলিয়ে তিনি টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের হৃদয়।
এ কারণে ছোট্ট ইলহামরা তাকে দেখে স্বপ্ন দেখে। তার স্নেহে গড়া শিশুরা একদিন আলোকিত মানুষ হয়। তার ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয় ভবিষ্যতের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নেতা, একটি জাতির স্বপ্ন।
ইলহামের সরল ভালোবাসা থেকে শুরু করে শত শত শিক্ষার্থীর সম্মান, সব মিলিয়ে অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়ার জীবন যেন এক উপন্যাস, এক অনুপ্রেরণা, এক মানবিকতার আলোকিত পথচলা। আল্লাহ তাকে সুস্থতা দিন, দীর্ঘ জীবন দিন। আর তার স্নেহে বেড়ে ওঠা শিশুরা একদিন দেশ-সমাজ আলোকিত করুক। আমিন, সুম্মা আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ছয় বছরের ইলহামের অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে শুরু করে শত শত শিক্ষার্থীর স্বপ্ন গড়ে তোলা, অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়ার মানবিকতা, মমতা, স্নেহ ও ইসলামী মূল্যবোধে নির্মিত এক অনন্য শিক্ষকতার জীবনগাথা

টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া- শিশুর হৃদয়ে আশার আলো জ্বালানো এক আলোকিত মানুষ

আপডেট সময় : ০৩:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদীর্ঘ ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কত শিক্ষার্থী এসেছেন, কেউ পথ হারিয়েছে, কেউ উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে, কেউ আবার সফলতার শিখরে পৌঁছে আজ দেশের সেবায় নিয়োজিত। কিন্তু প্রত্যেকের মাঝেই লুকিয়ে আছে একেকটি গল্প, একেকটি ভালোবাসা। আজ বলতে ইচ্ছে হলো আমার খুদে বন্ধু, আমার ছোট্ট অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষী, টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের প্রথম শ্রেণীর ছয় বছর বয়সী আহনাফ হোসেন ইলহামের গল্প।


ইলহাম ফুটফুটে, নির্মল–স্বভাব হাসিখুশি এক শিশু। তার চোখে আছে অদ্ভুত স্নিগ্ধতা, কথা বলায় আছে ভরসার স্পর্শ। কোন এক অজানা কারণে সে আমাকে অপরিসীম ভালোবাসে। আমি দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর কলেজে ফিরলে, খবর পেয়ে ছোট্ট ইলহাম প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে ছুটে আসে আমাকে দেখতে। এক শিশুর এই সত্যিকারের ভালোবাসা, এটাই একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
ইলহামের বাবা একজন চিকিৎসক। মনে হয় ছোট্ট ইলহামও একদিন বড় হবে, মানুষের সেবা করবে, সমাজে আলো ছড়াবে। ইনশাআল্লাহ, আমিন, সুম্মা আমিন।
অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া, ভালোবাসার এক পরম ছায়া। অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া শুধু একজন শিক্ষক নন; তিনি যেন টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের প্রতিটি শিশুর অভিভাবক। তার ইচ্ছে, “বাচ্চারা যেন মানুষ হয়, দেশের সেবক হয়, আলোর দিশারি হয়।”
তিনি বিশ্বাস করেন, “একটি শিশুর ভবিষ্যৎ বদলাতে পারলে, পুরো জাতির ভবিষ্যৎ বদলায়।” শিশুদের জন্য তাঁর মমতা একটি জীবন্ত উদাহরণ।
বৃষ্টি হলে তিনি নিজ হাতে ছোটদের শরীর মুছে দেন তোয়ালে বা গামছা দিয়ে। কোন শিশুর ভালো কাপড় না থাকলে, তিনি নিজের অর্থে কাপড় কিনে দেন। কারো বাড়িতে সমস্যা থাকলে, চিঠি লিখে তাকে বাড়ি যেতে দেন। কারো ভর্তি সমস্যা হলে, তিনি বলেন,
“ওরা তো আমার পোলাপান, ওদের কষ্ট হলে আমার কষ্ট হয়।”
হাফ বেতন, ফুল বেতন কমানো, এক মানবিক সিদ্ধান্ত, অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটে পড়লে তিনি বেতন কমিয়ে দেন, কখনও পুরোপুরি মাফ করে দেন। যাতে কোন শিশুকে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে না হয়। তিনি সবসময় শিক্ষকদের বলেন, “এরা আমাদের ভবিষ্যৎ। এগুলো আমাদের সন্তান। এদের সেবা করলে আল্লাহ খুশি হন।”
ইসলামী চেতনায় নির্মিত তাঁর চরিত্র, অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়া ইসলামসম্মত, ধর্মভীরু, সৎ এবং নীতিবান একজন মানুষ। তিনি প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে আগে রাখেন।
যে কোন শিশুর অসুখ–বিসুখ হলে তিনি ছুটে যান। কারো কষ্ট শুনলে চোখ ভিজে আসে।
এমনই মমতাময় আচরণে শিশুরা তাকে দেখে কেঁদে ফেলে। “স্যার না থাকলে আমরা কার কাছে যাব ?”
এমনকি তিনি বিপদের সময়ও বাচ্চাদের দায়িত্ব নিতে ভোলেন না। শিক্ষার্থী–শিক্ষকরা তার জন্য আন্দোলনেও নেমে যেতে চেয়েছিলেন একসময়। তখন তিনি সবাইকে শান্ত করে বলেছেন, “তোমরা লেখাপড়া করো। আমি আছি। আল্লাহর উপর ভরসা রাখো।” এই কথার মধ্যেই বোঝা যায় তার মমতা, তার বিশ্বাস, তার ভালোবাসা কত গভীর।
অধ্যক্ষের স্বপ্নের কথা, সন্তানদের বড় হয়ে ফিরে আসা। এই প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থী লেখাপড়া শেষ করে আবার এই স্কুলেই শিক্ষক হয়েছেন। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ সরকারি কর্মকর্তা। তারা যখন প্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে তাকে সালাম করে, তখন তার চোখে জল এসে যায়।
তিনি বলেন, “এটাই আমার পাওয়া। এটাই আমার গর্ব। আমার বাচ্চারা আজ মানুষ হয়েছে, এই আমার অর্জন।” তিনি বিশ্বাস করেন, “আমরা সবাই আত্মীয়–স্বজনের মত, একে অপরের উপকারে আসবো। যতদিন বেঁচে আছি, আমি সবার পাশে থাকব।”
একজন শিক্ষকের মানবিকতা, এক উপন্যাসের মতো জীবনগাথা, অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়া বড় বংশের সন্তান, ইসলাম–সম্ভ্রান্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা। তার চলাফেরা, কথাবার্তা, চরিত্র সবই ইসলামী আদর্শে গড়া। তিনি যেমন একজন শিক্ষক, তেমনই একজন সমাজ–সেবক; যেমন একজন অভিভাবক, তেমনই একজন পথপ্রদর্শক। শিশুর প্রতি তার মমতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি তার দায়িত্ববোধ, আর শিক্ষকদের প্রতি তার ভালোবাসা। সব মিলিয়ে তিনি টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজের হৃদয়।
এ কারণে ছোট্ট ইলহামরা তাকে দেখে স্বপ্ন দেখে। তার স্নেহে গড়া শিশুরা একদিন আলোকিত মানুষ হয়। তার ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয় ভবিষ্যতের ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নেতা, একটি জাতির স্বপ্ন।
ইলহামের সরল ভালোবাসা থেকে শুরু করে শত শত শিক্ষার্থীর সম্মান, সব মিলিয়ে অধ্যক্ষ মোঃ আলাউদ্দিন মিয়ার জীবন যেন এক উপন্যাস, এক অনুপ্রেরণা, এক মানবিকতার আলোকিত পথচলা। আল্লাহ তাকে সুস্থতা দিন, দীর্ঘ জীবন দিন। আর তার স্নেহে বেড়ে ওঠা শিশুরা একদিন দেশ-সমাজ আলোকিত করুক। আমিন, সুম্মা আমিন।