দরিদ্র মানুষের হাতে সাশ্রয়ী দামে পৌঁছাবে চাল-আটা
গাজীপুরে লটারিতে ৪০ নতুন ওএমএস ডিলার নিয়োগ
- আপডেট সময় : ০৯:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
- / ২১২৪ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মহানগরে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য সরবরাহে নতুন উদ্যমে শুরু হলো ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কার্যক্রমের সম্প্রসারণ। স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় লটারির মাধ্যমে ৪০ জন নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে গাজীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের উদ্যোগে এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর পুলিশের সহকারী কমিশনার মাহবুবুল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন, জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক শফি আফজালুল আলম, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নাইয়ারানু ও জেলা কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক সোহেল আহমদ সুফল।
গাজীপুর মহানগরের ৫৭টি ওয়ার্ডে মোট ৬৯টি ওএমএস কেন্দ্র রয়েছে। পূর্বে লটারির মাধ্যমে ২৮ জন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এবার অবশিষ্ট ৪০টি কেন্দ্রে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য ডিলার নির্বাচন করা হয়।
মোট ৪২৩টি আবেদন জমা পড়লেও কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় ৬২টি আবেদন বাতিল হয়। অবশিষ্ট ৩৬১ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে ৪০ জনকে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সরকারের নির্ধারিত দামে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা ও আটা ২৪ টাকায় বিক্রি করবেন। এই সেবা মূলত দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বড় সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।
মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ওএমএসের ভূমিকা : গাজীপুরে প্রতিদিন অসংখ্য পরিবার অল্প দামে চাল-আটা কিনে সংসারের চাহিদা মেটাচ্ছে। এক প্রবীণ ক্রেতা বলেন, “এখন বাজারে সব জিনিসের দাম বেশি। এখানে এসে চাল-আটা কিনে বাচ্চাদের খাওয়াতে পারছি—এটাই শান্তি।”
ডিলাররাও মনে করছেন, এই কার্যক্রম মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করছে। একজন নতুন ডিলার বলেন, “আমরা দায়িত্ব নিয়ে কাজ করব, যাতে কোনো অসুবিধা ছাড়াই সবার হাতে পণ্য পৌঁছে যায়।”
সরকার ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ : গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা, এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং আরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে। উপকারভোগী পরিবার ও ডিলাররা সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা আশা করছেন, আল্লাহর সহায়তায় এই সেবা অব্যাহত থাকবে এবং মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।




















