ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
“একজনকে হারিয়েছে টঙ্গী, আরেকজনের জীবন থমকে আছে কারাগারে” বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকারের জন্য আলহাজ্ব মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনের লড়াই ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন

মামলা-নির্যাতন, রাজনীতি ও মানবসেবার পথ পেরিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকন

অন্ধকারে আলো খোঁজা এক মানুষের গল্প

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০১০ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানার দাঁড়াইল গ্রামের পরিচিত মুখ মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকন। পিতা মৃত কুদরত আলী, মাতা রোকেয়া বেগম। রাজনৈতিক টানাপোড়েন, একাধিক মামলা, রিমান্ড ও দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগ। সবকিছুর মধ্য দিয়ে তার জীবন এখন এক আলো-অন্ধকারের গল্প। বর্তমানে তিনি ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।
মানবসেবার উদ্যোগ: তিন গার্মেন্টস ও ৩২০ সদস্যের টিমে মনোয়ার হোসেন খোকনের দাবি, দাঁড়াইল এলাকায় অবস্থিত তিনটি গার্মেন্টস কারখানার বর্জ্য (ওয়েস্টেজ) ও জুটজাতীয় মালামাল সংগ্রহ করে তিনি ৩২০ সদস্যের একটি টিম গঠন করেন। তার ভাষ্যমতে, সদস্যদের অধিকাংশই দরিদ্র ও অসহায় মানুষ। ওইসব বর্জ্য বিক্রির অর্থ নিয়মিতভাবে গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি। আমি কখনো অপরাধের সাথে জড়িত ছিলাম না, এখনও নই। সেবা করাই আমার লক্ষ্য।” স্থানীয় কিছু বাসিন্দা তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মামলা ও রাজনৈতিক জটিলতায় খোকনের অভিযোগ, ২০১৮ সালে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা সহ একাধিক মামলা তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি আবারও বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন বলে দাবি করেন।
তার কথায়, “আওয়ামী লীগের আমলে মামলা খেয়েছি, এখন বিএনপির আমলেও খাচ্ছি। আমি তাহলে যাবো কোথায়?”
তিনি আরও দাবি করেন, আসাদ, আলেক ও মোঃ মামুন নামের কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি), পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অবগত হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।
রিমান্ড, নির্যাতন ও চিকিৎসার দাবিতে মনোয়ার হোসেন খোকনের ভাষ্যমতে, অতীতে চারদিন রিমান্ডে রেখে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি দাবি করেন, মাথায় আঘাতের ফলে তার দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বর্তমানে তিনি আংশিক দৃষ্টিশক্তি নিয়ে জীবনযাপন করছেন। চিকিৎসার জন্য তিনি একাধিকবার থাইল্যান্ড ও ভারতে গিয়েছেন এবং ৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে ঢাকার একটি চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান। তার ভাষায়, “আমি এখন দূরের কিছুই স্পষ্ট দেখতে পাই না। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”
পাল্টা অভিযোগে অন্যদিকে, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়ে দাবি করেছেন যে খোকন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব অভিযোগে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশিত হয়নি। আইনজীবীদের মতে, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বিষয়গুলো সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক পরিচয় ও দায়িত্বে খোকনের দাবি, বিএনপি মহানগর তাঁতী দলের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি তার রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করে তাকে সংগঠনের দায়িত্ব প্রদান করেছে। অতীতে তিনি পশ্চিম থানা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক পদেও যুক্ত ছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, “আমি কোনো মাদক, জালিয়াতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নই। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য।
মনোয়ার হোসেন খোকন দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন মহল সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবারকেও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুন। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও রমজান-ঈদের বার্তায় আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫২ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মনোয়ার হোসেন খোকন। তিনি বলেন, “রমজান আত্মশুদ্ধির মাস। সবাই রোজা রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করুন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। ঈদ হোক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা।” এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার শক্তি। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, আপনাদের সেবক হিসেবেই পাশে থাকতে চাই।”
দাঁড়াইল এলাকায় মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনকে ঘিরে যেমন মানবসেবার গল্প রয়েছে, তেমনি রয়েছে গুরুতর অভিযোগের বিতর্কও। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে জনমনে স্পষ্টতা আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মামলা-নির্যাতন, রাজনীতি ও মানবসেবার পথ পেরিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকন

অন্ধকারে আলো খোঁজা এক মানুষের গল্প

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পশ্চিম থানার দাঁড়াইল গ্রামের পরিচিত মুখ মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকন। পিতা মৃত কুদরত আলী, মাতা রোকেয়া বেগম। রাজনৈতিক টানাপোড়েন, একাধিক মামলা, রিমান্ড ও দৃষ্টিশক্তি হারানোর অভিযোগ। সবকিছুর মধ্য দিয়ে তার জীবন এখন এক আলো-অন্ধকারের গল্প। বর্তমানে তিনি ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং টঙ্গী পশ্চিম থানা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।
মানবসেবার উদ্যোগ: তিন গার্মেন্টস ও ৩২০ সদস্যের টিমে মনোয়ার হোসেন খোকনের দাবি, দাঁড়াইল এলাকায় অবস্থিত তিনটি গার্মেন্টস কারখানার বর্জ্য (ওয়েস্টেজ) ও জুটজাতীয় মালামাল সংগ্রহ করে তিনি ৩২০ সদস্যের একটি টিম গঠন করেন। তার ভাষ্যমতে, সদস্যদের অধিকাংশই দরিদ্র ও অসহায় মানুষ। ওইসব বর্জ্য বিক্রির অর্থ নিয়মিতভাবে গরিব-দুঃখী মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়।
তিনি বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি। আমি কখনো অপরাধের সাথে জড়িত ছিলাম না, এখনও নই। সেবা করাই আমার লক্ষ্য।” স্থানীয় কিছু বাসিন্দা তার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মামলা ও রাজনৈতিক জটিলতায় খোকনের অভিযোগ, ২০১৮ সালে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা সহ একাধিক মামলা তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তিনি আবারও বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন বলে দাবি করেন।
তার কথায়, “আওয়ামী লীগের আমলে মামলা খেয়েছি, এখন বিএনপির আমলেও খাচ্ছি। আমি তাহলে যাবো কোথায়?”
তিনি আরও দাবি করেন, আসাদ, আলেক ও মোঃ মামুন নামের কয়েকজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি), পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অবগত হয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।
রিমান্ড, নির্যাতন ও চিকিৎসার দাবিতে মনোয়ার হোসেন খোকনের ভাষ্যমতে, অতীতে চারদিন রিমান্ডে রেখে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তিনি দাবি করেন, মাথায় আঘাতের ফলে তার দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বর্তমানে তিনি আংশিক দৃষ্টিশক্তি নিয়ে জীবনযাপন করছেন। চিকিৎসার জন্য তিনি একাধিকবার থাইল্যান্ড ও ভারতে গিয়েছেন এবং ৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে ঢাকার একটি চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বলে জানান। তার ভাষায়, “আমি এখন দূরের কিছুই স্পষ্ট দেখতে পাই না। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”
পাল্টা অভিযোগে অন্যদিকে, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়ে দাবি করেছেন যে খোকন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব অভিযোগে জমি সংক্রান্ত বিরোধ, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশিত হয়নি। আইনজীবীদের মতে, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বিষয়গুলো সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
রাজনৈতিক পরিচয় ও দায়িত্বে খোকনের দাবি, বিএনপি মহানগর তাঁতী দলের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি তার রাজনৈতিক পরিচয় যাচাই করে তাকে সংগঠনের দায়িত্ব প্রদান করেছে। অতীতে তিনি পশ্চিম থানা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক পদেও যুক্ত ছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, “আমি কোনো মাদক, জালিয়াতি বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নই। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য।
মনোয়ার হোসেন খোকন দাবি করেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভিন্ন মহল সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবারকেও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুন। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও রমজান-ঈদের বার্তায় আসন্ন পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫২ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মনোয়ার হোসেন খোকন। তিনি বলেন, “রমজান আত্মশুদ্ধির মাস। সবাই রোজা রেখে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করুন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। ঈদ হোক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা।” এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার শক্তি। আমি নির্বাচিত হই বা না হই, আপনাদের সেবক হিসেবেই পাশে থাকতে চাই।”
দাঁড়াইল এলাকায় মোঃ মনোয়ার হোসেন খোকনকে ঘিরে যেমন মানবসেবার গল্প রয়েছে, তেমনি রয়েছে গুরুতর অভিযোগের বিতর্কও। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনের আগে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে জনমনে স্পষ্টতা আসবে।