ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে আলেম-ওলামাদের মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

৫১নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন, জনসেবা ও মানবিক নেতৃত্বের এক নিরলস অগ্রযাত্রা

মানবতার বাতিঘর হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • / ১৯০৯ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর ৫১নং ওয়ার্ড। শ্রমজীবী মানুষের বসতি, জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি আর প্রতিদিনের বাস্তবতার এক জীবন্ত অধ্যায়। এই ওয়ার্ডের অলিগলি, ভাঙাচোরা রাস্তা, জলাবদ্ধতা, ড্রেনের দুর্গন্ধ, অসহায় মানুষের দীর্ঘশ্বাস এবং নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছেন একজন মানুষ। তিনি হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। আজ তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং গরীব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল, অসহায়দের নির্ভরতার নাম এবং ৫১নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবতার প্রতীক হিসেবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের এই পরিচিত মুখ বছরের পর বছর ধরে নীরবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
পরিবার থেকেই মানবতার শিক্ষা। হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)-এর পিতা হাজী সামসুদ্দিন এবং মাতা মরহুমা ফিরোজা বেগম। ছোটবেলা থেকেই পরিবারে তিনি মানবতা, দানশীলতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েছেন। এলাকায় তাদের পরিবার একটি সম্মানিত ও মানবিক পরিবার হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রায়ই বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। গরীব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়।” তার মা জীবদ্দশায় যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, আজও সেই মানবিকতার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে তার পরিবার। তার স্ত্রীও গরীব ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে খাবার, কাপড় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেন। যেন পুরো পরিবারটিই মানবতার এক চলমান ইতিহাস।
কোরবানির ঈদে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে মাংস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ। পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে এবারও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। তিনি ইতোমধ্যে ৫১নং ওয়ার্ড ও ২৭ আউচপাড়া এলাকার অসহায়, নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করছেন, যাতে কোনো পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়। নিজ উদ্যোগে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে তিনি বাসায় বাসায় গিয়ে সেই মাংস পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার আর্থিক সংকটের কারণে কোরবানি দিতে পারে না, তাদের ঘরেও যেন ঈদের আনন্দ পৌঁছে যায় সেই লক্ষ্য নিয়েই তার এই মানবিক কার্যক্রম।
স্থানীয়রা জানান, “ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) শুধু ঈদের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন। এবারও তিনি গরীব মানুষের জন্য যেভাবে তালিকা করছেন ও ঘরে ঘরে মাংস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
তার ভাষায়, “ঈদের আনন্দ সবার। সমাজের অসহায় মানুষ যদি ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করতে না পারে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ পূর্ণতা পায় না। আমি চাই, প্রতিটি ঘরে হাসি ফুটুক।” ঈদ মানেই মানুষের মুখে হাসি। প্রতিবছর রোজার ঈদ ও কোরবানির ঈদে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, ঈদ উপহার ও ঈদ সেলামি বিতরণ করে থাকেন।
রোজার ঈদে তিনি সেমাই, পোলাওয়ের চাল, চিনি, ডাল, তেল, ছোলা, মুড়ি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দিয়ে বিশেষ উপহার প্যাকেট তৈরি করে গরীব মানুষের ঘরে পৌঁছে দেন। আর কোরবানির ঈদে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
স্থানীয়দের মতে, “অনেকেই নির্বাচন এলে মানুষের কাছে যায়, কিন্তু ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন।”
শিক্ষা বঞ্চিত নয় কোনো শিশু। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সমাজকে বদলাতে হলে শিক্ষার বিকল্প নেই। এজন্য এলাকার অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার দায়িত্বও বহন করছেন তিনি। অনেক শিক্ষার্থীর বই, খাতা, স্কুল-কলেজের বেতন এবং অন্যান্য শিক্ষাব্যয় গোপনে সহায়তা করেন। তিনি চান না, অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী ঝরে পড়ুক। তার ভাষায়, “আজকের শিক্ষার্থীই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। একজন শিশুও যেন লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই আমার চাওয়া।”
ঈদগাহ মাঠ থেকে শুরু উন্নয়নের গল্প। বছরের দুটি ঈদকে কেন্দ্র করে ২৭নং ঈদগাহ মাঠে ছোটবেলা থেকেই সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। এবার নিজ উদ্যোগে ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্যবর্ধন, পরিচ্ছন্নতা ও মুসল্লিদের সুবিধার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ব্যয়ভারও বহন করেছেন। এলাকার মানুষ জানান,
“ঈদগাহ মাঠ এখন আগের চেয়ে অনেক সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন। এতে মুসল্লিরা স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পারছেন।”
ড্রেন, রাস্তা, মশক নিধন সবখানেই তার ছোঁয়া। ২৭ আউচপাড়া ও ৫১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন ড্রেন, রাস্তা ও অলিগলির উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় নিরলসভাবে কাজ করছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। নিজ অর্থায়নে মানুষ ভাড়া করে ড্রেন পরিষ্কার, মশার ওষুধ ছিটানো, রাস্তার ময়লা অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ পরিচালনা করছেন। ঘরে ঘরে এবং ড্রেনের উপরে মশার ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধেও কাজ করছেন।
তিনি বলেন, “মানুষের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ছাড়া সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয়।”
চিকিৎসা সেবার স্বপ্ন। অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে ইতোমধ্যে বহু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত হলে গরীব মানুষের জন্য একটি মেডিকেল সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। তার পরিকল্পনা। যেন এলাকার কোনো দরিদ্র মানুষ টাকার অভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত না হয়।
মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, মাদক একটি সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। এজন্য তিনি মাদক ব্যবসায়ী, চোর, ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার দাবি, ইতোমধ্যে অনেক মাদক কারবারি ও অপরাধীকে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “৫১নং ওয়ার্ডকে ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত রাখা হবে। চোর, ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের কোনো স্থান এখানে হবে না।” জনগণের নেতা হতে হলে জনগণের মাঝেই থাকতে হয়। আজকের পৃথিবীতে মানুষ শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ দেখতে চায়। এই বাস্তবতা বুঝেই হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) বছরের পর বছর মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, অনেকেই নির্বাচনের আগে এসে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে আর খোঁজ থাকে না। অথচ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) নির্বাচনের আগেও যেমন মানুষের পাশে ছিলেন, এখনও তেমনি আছেন।
ভবিষ্যতের স্বপ্ন: নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক ৫১নং ওয়ার্ড। শ্রমজীবী মানুষের নিরাপত্তা, উন্নত জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, চিকিৎসা সুবিধা, শিক্ষার সুযোগ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে চলেছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)।
তিনি বিশ্বাস করেন, “মানুষ নিরাপদ থাকলে সমাজ ভালো থাকবে, সমাজ ভালো থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে।” মানবতা, উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনসেবার এক অনন্য মিশ্রণ হয়ে আজ ৫১নং ওয়ার্ডের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। সময়ের সাথে সাথে তিনি শুধু একজন সম্ভাব্য কাউন্সিলর নন, বরং এলাকার মানুষের আশা-ভরসা, আস্থা ও ভালোবাসার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৫১নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন, জনসেবা ও মানবিক নেতৃত্বের এক নিরলস অগ্রযাত্রা

মানবতার বাতিঘর হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)

আপডেট সময় : ০৮:২০:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর ৫১নং ওয়ার্ড। শ্রমজীবী মানুষের বসতি, জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি আর প্রতিদিনের বাস্তবতার এক জীবন্ত অধ্যায়। এই ওয়ার্ডের অলিগলি, ভাঙাচোরা রাস্তা, জলাবদ্ধতা, ড্রেনের দুর্গন্ধ, অসহায় মানুষের দীর্ঘশ্বাস এবং নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছেন একজন মানুষ। তিনি হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। আজ তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং গরীব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল, অসহায়দের নির্ভরতার নাম এবং ৫১নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মানবতার প্রতীক হিসেবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের এই পরিচিত মুখ বছরের পর বছর ধরে নীরবে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।
পরিবার থেকেই মানবতার শিক্ষা। হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)-এর পিতা হাজী সামসুদ্দিন এবং মাতা মরহুমা ফিরোজা বেগম। ছোটবেলা থেকেই পরিবারে তিনি মানবতা, দানশীলতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা পেয়েছেন। এলাকায় তাদের পরিবার একটি সম্মানিত ও মানবিক পরিবার হিসেবে পরিচিত। তিনি প্রায়ই বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত। গরীব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়।” তার মা জীবদ্দশায় যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, আজও সেই মানবিকতার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে তার পরিবার। তার স্ত্রীও গরীব ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে খাবার, কাপড় ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেন। যেন পুরো পরিবারটিই মানবতার এক চলমান ইতিহাস।
কোরবানির ঈদে অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে মাংস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ। পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে এবারও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। তিনি ইতোমধ্যে ৫১নং ওয়ার্ড ও ২৭ আউচপাড়া এলাকার অসহায়, নিম্নআয়ের ও শ্রমজীবী পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করছেন, যাতে কোনো পরিবার ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়। নিজ উদ্যোগে কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে তিনি বাসায় বাসায় গিয়ে সেই মাংস পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। বিশেষ করে যেসব পরিবার আর্থিক সংকটের কারণে কোরবানি দিতে পারে না, তাদের ঘরেও যেন ঈদের আনন্দ পৌঁছে যায় সেই লক্ষ্য নিয়েই তার এই মানবিক কার্যক্রম।
স্থানীয়রা জানান, “ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) শুধু ঈদের সময় নয়, সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন। এবারও তিনি গরীব মানুষের জন্য যেভাবে তালিকা করছেন ও ঘরে ঘরে মাংস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
তার ভাষায়, “ঈদের আনন্দ সবার। সমাজের অসহায় মানুষ যদি ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করতে না পারে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ পূর্ণতা পায় না। আমি চাই, প্রতিটি ঘরে হাসি ফুটুক।” ঈদ মানেই মানুষের মুখে হাসি। প্রতিবছর রোজার ঈদ ও কোরবানির ঈদে তিনি অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, ঈদ উপহার ও ঈদ সেলামি বিতরণ করে থাকেন।
রোজার ঈদে তিনি সেমাই, পোলাওয়ের চাল, চিনি, ডাল, তেল, ছোলা, মুড়ি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দিয়ে বিশেষ উপহার প্যাকেট তৈরি করে গরীব মানুষের ঘরে পৌঁছে দেন। আর কোরবানির ঈদে শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস সুষ্ঠুভাবে বণ্টন করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
স্থানীয়দের মতে, “অনেকেই নির্বাচন এলে মানুষের কাছে যায়, কিন্তু ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) সারা বছর মানুষের পাশে থাকেন।”
শিক্ষা বঞ্চিত নয় কোনো শিশু। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সমাজকে বদলাতে হলে শিক্ষার বিকল্প নেই। এজন্য এলাকার অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার দায়িত্বও বহন করছেন তিনি। অনেক শিক্ষার্থীর বই, খাতা, স্কুল-কলেজের বেতন এবং অন্যান্য শিক্ষাব্যয় গোপনে সহায়তা করেন। তিনি চান না, অর্থের অভাবে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী ঝরে পড়ুক। তার ভাষায়, “আজকের শিক্ষার্থীই আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর। একজন শিশুও যেন লেখাপড়া থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটাই আমার চাওয়া।”
ঈদগাহ মাঠ থেকে শুরু উন্নয়নের গল্প। বছরের দুটি ঈদকে কেন্দ্র করে ২৭নং ঈদগাহ মাঠে ছোটবেলা থেকেই সহযোগিতা করে আসছেন তিনি। এবার নিজ উদ্যোগে ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্যবর্ধন, পরিচ্ছন্নতা ও মুসল্লিদের সুবিধার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ব্যয়ভারও বহন করেছেন। এলাকার মানুষ জানান,
“ঈদগাহ মাঠ এখন আগের চেয়ে অনেক সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন। এতে মুসল্লিরা স্বস্তিতে নামাজ আদায় করতে পারছেন।”
ড্রেন, রাস্তা, মশক নিধন সবখানেই তার ছোঁয়া। ২৭ আউচপাড়া ও ৫১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন ড্রেন, রাস্তা ও অলিগলির উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় নিরলসভাবে কাজ করছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। নিজ অর্থায়নে মানুষ ভাড়া করে ড্রেন পরিষ্কার, মশার ওষুধ ছিটানো, রাস্তার ময়লা অপসারণ এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ পরিচালনা করছেন। ঘরে ঘরে এবং ড্রেনের উপরে মশার ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধেও কাজ করছেন।
তিনি বলেন, “মানুষের নিরাপত্তা ও সুস্থতা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ছাড়া সুস্থ সমাজ গড়া সম্ভব নয়।”
চিকিৎসা সেবার স্বপ্ন। অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে ইতোমধ্যে বহু মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত হলে গরীব মানুষের জন্য একটি মেডিকেল সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। তার পরিকল্পনা। যেন এলাকার কোনো দরিদ্র মানুষ টাকার অভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত না হয়।
মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, মাদক একটি সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। এজন্য তিনি মাদক ব্যবসায়ী, চোর, ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার দাবি, ইতোমধ্যে অনেক মাদক কারবারি ও অপরাধীকে ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “৫১নং ওয়ার্ডকে ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত রাখা হবে। চোর, ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের কোনো স্থান এখানে হবে না।” জনগণের নেতা হতে হলে জনগণের মাঝেই থাকতে হয়। আজকের পৃথিবীতে মানুষ শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ দেখতে চায়। এই বাস্তবতা বুঝেই হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) বছরের পর বছর মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের মতে, অনেকেই নির্বাচনের আগে এসে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে আর খোঁজ থাকে না। অথচ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল) নির্বাচনের আগেও যেমন মানুষের পাশে ছিলেন, এখনও তেমনি আছেন।
ভবিষ্যতের স্বপ্ন: নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক ৫১নং ওয়ার্ড। শ্রমজীবী মানুষের নিরাপত্তা, উন্নত জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, চিকিৎসা সুবিধা, শিক্ষার সুযোগ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে চলেছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)।
তিনি বিশ্বাস করেন, “মানুষ নিরাপদ থাকলে সমাজ ভালো থাকবে, সমাজ ভালো থাকলে দেশ এগিয়ে যাবে।” মানবতা, উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনসেবার এক অনন্য মিশ্রণ হয়ে আজ ৫১নং ওয়ার্ডের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন হাজী মোঃ ফয়সাল আহমেদ (রুবেল)। সময়ের সাথে সাথে তিনি শুধু একজন সম্ভাব্য কাউন্সিলর নন, বরং এলাকার মানুষের আশা-ভরসা, আস্থা ও ভালোবাসার এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠছেন।