ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

গাজীপুর মহানগরের রাজনীতির এক সংগ্রামী সৈনিক

এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন: যে নাম ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবতার প্রতিচ্ছবি

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২১৪৭ বার পড়া হয়েছে

যে নাম ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবতার প্রতিচ্ছবি তা প্রমান করেন বিএনপি'র ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বক্তব্য দিচ্ছেন, এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন। সংবাদ আলোচনা প্রোফাইল।




প্রোফাইল সাক্ষাৎকার
গাজীপুর মহানগরের রাজনীতির এক সংগ্রামী সৈনিক
এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন: যে নাম ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবতার প্রতিচ্ছবি
রাজনীতির মঞ্চে কিছু মানুষ আছেন, যারা নিজস্ব অবস্থান গড়ে তোলেন সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের মাধ্যমে। গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে এমনই এক সংগ্রামী ও আদর্শিক রাজনীতিকের নাম এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই মানুষটি শুধু দলের জন্য নয়, মানুষের জন্য রাজনীতি করে চলেছেন। একজন নিঃস্বার্থ সংগঠক, সমাজসেবক, এবং একান্তভাবে নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক মুখ হিসেবে তার নাম উচ্চারিত হয় শ্রদ্ধা আর আস্থার সাথে।
শুরুর দিনগুলো: ছাত্রজীবনের রাজনীতি থেকে জাতীয় অঙ্গনে পদচারণাঃ
তিনি ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জিএস স্বপনের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্রদল দিয়ে। তিনি ছিলেন টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস ও সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক। এরপর তিনি দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-প্রচার সম্পাদক, এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে। শুরু থেকেই তিনি ছাত্রদের অধিকার, শিক্ষাঙ্গনের সমস্যা ও জাতীয় রাজনীতির ধারাবাহিকতায় সক্রিয় ছিলেন।
তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় রাজনীতি—এক নিরলস যাত্রাঃ


ছাত্রজীবনের রাজনীতির সফলতা তাকে এগিয়ে নেয় মূলদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে। তিনি ছিলেন, গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (হাসান সরকার–সোহরাব উদ্দিন কমিটি)। পরে দ্বিতীয় মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (কিরণ–সফি ও সুমন গাজী কমিটি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ৪৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন।

জুলাই বিপ্লবের বীর সৈনিকঃ


২০২৪ এর দশকে সংঘটিত জুলাই বিপ্লবের সময় উত্তরা এলাকায় তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসিকতাপূর্ণ। সে সময় তার শরীরে একাধিক গুলির আঘাত লাগে। এই ক্ষত তার রাজনৈতিক সংগ্রামের জীবন্ত চিহ্ন।
অবিচল রাজনৈতিক যাত্রা: ১৭ বছরের বিরোধী রাজনীতিঃ
গত ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলে থেকেও তিনি কোনোদিন আন্দোলন, মিছিল বা সংগঠনের দায়িত্ব থেকে নিজেকে বিরত রাখেননি। “রাজপথই আমার জায়গা”—এই চেতনায় তিনি ছিলেন সবসময় আন্দোলনের অগ্রভাগে।
টঙ্গীর রাজনীতিতে তিনি ছিলেন পরিচিত এক সংগ্রামী মুখ—নেতা নয়, রাজপথের প্রকৃত কর্মী।
মামলা ও কারাবরণের ইতিহাসঃ
বিএনপির আন্দোলনে অংশগ্রহণের ফলে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে তাকে। ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৯, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৭ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৫২টি দায়ের হয় ১৯৯৬–২০০১ সালের মধ্যে, বাকি ৩২টি হয় ২০০৯–২০২৪ সালের মধ্যে।
সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বঃ
রাজনীতি ছাড়াও তিনি বহু সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন—দত্তপাড়া নূর মদিনা জামে মসজিদ – সাধারণ সম্পাদক, দত্ত পাড়া বাইতুল হোসেন জামে মসজিদ–সভাপতি, দত্তপাড়া দিঘীর পাড় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটি – সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর ল’ কলেজ – দাদা সদস্য, ৪৮নং ওয়ার্ড বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি–সভাপতি, এসব পদে থেকেও তিনি কখনো প্রভাব খাটান না, বরং জনগণের সেবাকে অগ্রাধিকার দেন।
একজন মানবিক রাজনীতিকঃ
গরিব-দুঃখীর পাশে সবসময় ছিলেন জিএস স্বপন।
বিয়ের খরচ, চিকিৎসা, বাসস্থান—সবখানে তিনি সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
“কোনো মানুষ খালি হাতে ফেরে না আমার কাছ থেকে,”—এটাই তার জীবনদর্শন।
নিজস্ব অর্থে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালান, কখনো কেন্দ্রীয় সহায়তার জন্য অপেক্ষা করেন না।
ব্যক্তিজীবনে সাদাসিধে ও নীতিনিষ্ঠঃ
এডভোকেট স্বপন ধর্মপ্রাণ, নম্র, নিরহংকার একজন মানুষ।
রাজনৈতিক পদমর্যাদা কখনো তাকে দম্ভিত করেনি।
তিনি বলেন- “নেতা না, আমি কর্মী—মানুষের সেবক হিসেবেই থাকতে চাই।”
তার জীবনযাপনে শেখ সাদীর সরলতার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।
উপসংহার: আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শঃ
গাজীপুরের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জিএস স্বপনের মতো ত্যাগী ও মানবিক নেতার প্রয়োজনীয়তা আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। তার সংগ্রামী জীবন, অসাধারণ নেতৃত্ব, এবং নিঃস্বার্থ সেবা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য হতে পারে এক সত্যিকারের পথপ্রদর্শক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুর মহানগরের রাজনীতির এক সংগ্রামী সৈনিক

এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন: যে নাম ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবতার প্রতিচ্ছবি

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

প্রোফাইল সাক্ষাৎকার
গাজীপুর মহানগরের রাজনীতির এক সংগ্রামী সৈনিক
এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন: যে নাম ত্যাগ, নিষ্ঠা ও মানবতার প্রতিচ্ছবি
রাজনীতির মঞ্চে কিছু মানুষ আছেন, যারা নিজস্ব অবস্থান গড়ে তোলেন সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের মাধ্যমে। গাজীপুর মহানগরের রাজনীতিতে এমনই এক সংগ্রামী ও আদর্শিক রাজনীতিকের নাম এডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই মানুষটি শুধু দলের জন্য নয়, মানুষের জন্য রাজনীতি করে চলেছেন। একজন নিঃস্বার্থ সংগঠক, সমাজসেবক, এবং একান্তভাবে নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক মুখ হিসেবে তার নাম উচ্চারিত হয় শ্রদ্ধা আর আস্থার সাথে।
শুরুর দিনগুলো: ছাত্রজীবনের রাজনীতি থেকে জাতীয় অঙ্গনে পদচারণাঃ
তিনি ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জিএস স্বপনের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ছাত্রদল দিয়ে। তিনি ছিলেন টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস ও সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক। এরপর তিনি দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহ-প্রচার সম্পাদক, এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে। শুরু থেকেই তিনি ছাত্রদের অধিকার, শিক্ষাঙ্গনের সমস্যা ও জাতীয় রাজনীতির ধারাবাহিকতায় সক্রিয় ছিলেন।
তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় রাজনীতি—এক নিরলস যাত্রাঃ


ছাত্রজীবনের রাজনীতির সফলতা তাকে এগিয়ে নেয় মূলদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে। তিনি ছিলেন, গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ছিলেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (হাসান সরকার–সোহরাব উদ্দিন কমিটি)। পরে দ্বিতীয় মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (কিরণ–সফি ও সুমন গাজী কমিটি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ৪৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সক্রিয় সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন।

জুলাই বিপ্লবের বীর সৈনিকঃ


২০২৪ এর দশকে সংঘটিত জুলাই বিপ্লবের সময় উত্তরা এলাকায় তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসিকতাপূর্ণ। সে সময় তার শরীরে একাধিক গুলির আঘাত লাগে। এই ক্ষত তার রাজনৈতিক সংগ্রামের জীবন্ত চিহ্ন।
অবিচল রাজনৈতিক যাত্রা: ১৭ বছরের বিরোধী রাজনীতিঃ
গত ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলে থেকেও তিনি কোনোদিন আন্দোলন, মিছিল বা সংগঠনের দায়িত্ব থেকে নিজেকে বিরত রাখেননি। “রাজপথই আমার জায়গা”—এই চেতনায় তিনি ছিলেন সবসময় আন্দোলনের অগ্রভাগে।
টঙ্গীর রাজনীতিতে তিনি ছিলেন পরিচিত এক সংগ্রামী মুখ—নেতা নয়, রাজপথের প্রকৃত কর্মী।
মামলা ও কারাবরণের ইতিহাসঃ
বিএনপির আন্দোলনে অংশগ্রহণের ফলে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে তাকে। ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৯, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৭ সালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৫২টি দায়ের হয় ১৯৯৬–২০০১ সালের মধ্যে, বাকি ৩২টি হয় ২০০৯–২০২৪ সালের মধ্যে।
সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বঃ
রাজনীতি ছাড়াও তিনি বহু সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন—দত্তপাড়া নূর মদিনা জামে মসজিদ – সাধারণ সম্পাদক, দত্ত পাড়া বাইতুল হোসেন জামে মসজিদ–সভাপতি, দত্তপাড়া দিঘীর পাড় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটি – সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর ল’ কলেজ – দাদা সদস্য, ৪৮নং ওয়ার্ড বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়া কল্যাণ সমিতি–সভাপতি, এসব পদে থেকেও তিনি কখনো প্রভাব খাটান না, বরং জনগণের সেবাকে অগ্রাধিকার দেন।
একজন মানবিক রাজনীতিকঃ
গরিব-দুঃখীর পাশে সবসময় ছিলেন জিএস স্বপন।
বিয়ের খরচ, চিকিৎসা, বাসস্থান—সবখানে তিনি সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
“কোনো মানুষ খালি হাতে ফেরে না আমার কাছ থেকে,”—এটাই তার জীবনদর্শন।
নিজস্ব অর্থে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালান, কখনো কেন্দ্রীয় সহায়তার জন্য অপেক্ষা করেন না।
ব্যক্তিজীবনে সাদাসিধে ও নীতিনিষ্ঠঃ
এডভোকেট স্বপন ধর্মপ্রাণ, নম্র, নিরহংকার একজন মানুষ।
রাজনৈতিক পদমর্যাদা কখনো তাকে দম্ভিত করেনি।
তিনি বলেন- “নেতা না, আমি কর্মী—মানুষের সেবক হিসেবেই থাকতে চাই।”
তার জীবনযাপনে শেখ সাদীর সরলতার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়।
উপসংহার: আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শঃ
গাজীপুরের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জিএস স্বপনের মতো ত্যাগী ও মানবিক নেতার প্রয়োজনীয়তা আরও গভীরভাবে অনুভূত হয়। তার সংগ্রামী জীবন, অসাধারণ নেতৃত্ব, এবং নিঃস্বার্থ সেবা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের জন্য হতে পারে এক সত্যিকারের পথপ্রদর্শক।