ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প সৌদির আরও বিনিয়োগ চান তারেক রহমান, আগ্রহ সৌরবিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি খাতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে পুনর্বহাল মনোয়ার হোসেন খোকন মিয়া মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে এক চিকিৎসকের পথচলা টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী মোকলেস নিখোঁজ: মেলেনি সন্ধান, মায়ের আকুল আর্তি—‘ছেলেকে শুধু একবার ফিরিয়ে দিন’ ইজতেমাকে ঘিরে এরশাদনগরে দাওয়াতি তৎপরতা জোরদার তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশ, বললেন মার্কিন বিশেষ দূত একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের

ভোট ছিল আমাদের, ছিনিয়ে নিয়েছিল ওরা—কিন্তু জনগণের হৃদয়ে তিনি আজও অমর। শাহনুর ইসলাম সরকার রনি বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণে প্রস্তুত।

টঙ্গীর ভোটের ইতিহাসে অমর নাম: বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার

md younus
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১৩৭ বার পড়া হয়েছে





২০০৪ সালের আলোচিত আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন—
“আমি নির্দোষ, আমি কোনো দোষ করিনি। আমি নিজেকে সমর্পণ করছি শুধু এই জন্য যেন এলাকায় কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, জনগণ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”
আজও টঙ্গীজুড়ে মানুষ সেই দৃঢ় নেতৃত্ব ও ন্যায়ের প্রতি তার অটুট ভালোবাসা মনে করে।

কারাগার থেকেও জনগণের হৃদয়ে জয়ী

১৯ মাস কারাভোগের পরও থেমে থাকেননি নুরুল ইসলাম সরকার।
২০০৬ সালের টঙ্গী পৌরসভা নির্বাচনে জেলখানা থেকে প্রার্থী হন তিনি।


৬৪টি কেন্দ্রে ভোট হয়েছিল, তার মধ্যে ৪৯টিতে তিনি প্রথম হন। জনগণ দল-মত নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়েছিল।
কিন্তু ক্ষমতাসীন মহলের প্রভাব ও নির্বাচনী কারচুপির কারণে তার জয়কে পরাজয়ে পরিণত করা হয়।
এরশাদনগরসহ প্রায় ১৫টি কেন্দ্রে তার ছেলে শাহনুর ইসলাম রনিকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

তবুও জনগণ প্রমাণ করেছে—ভোট কারচুপি করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয় ছিনিয়ে নেওয়া যায় না।

সাধারণ মানুষের স্মৃতি ও আবেগ, মোঃ হাসান, টঙ্গী পূর্ব থানা: “ভোটে আমরা রাতভর জাগ্রত ছিলাম। কারচুপি হলেও আমরা জানতাম—নুরুল ইসলাম সরকার সত্যিই আমাদের ভালোবেসেছেন।”

শাহিনা আক্তার, ৩৪, সমর্থক: “তিনি শুধু নেতা নন, একজন অভিভাবক ছিলেন। মানুষের জন্য সব সময় চিন্তা করতেন।”
মোঃ আব্দুল্লাহ, স্থানীয় ব্যবসায়ী: “২০০৬ সালের নির্বাচন টঙ্গীর জন্য একটি শিক্ষা ছিল। যে নেতা জনগণের জন্য জীবন বাজি রেখেছে, তাকে ভুলা যাবে না।”


রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মন্তব্য, ড. সেলিম রহমান, রাজনৈতিক বিশ্লেষক: “নুরুল ইসলাম সরকারের জীবন প্রমাণ করে যে, সত্যিকারের নেতা কখনো জনগণের হৃদয় থেকে বিদায় নেয় না। এখন যদি বিএনপি তার পরিবারকে পুনরায় মনোনয়ন দেয়, এটি হবে জনগণের প্রত্যাশার পূর্ণতা।”
অধ্যাপক রুশদী আহমেদ, রাজনীতি বিশেষজ্ঞ: “ভোট কারচুপি করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে সৃষ্টি হওয়া ভালোবাসা কখনো মুছে যায় না। নুরুল ইসলাম সরকার টঙ্গীর মানুষের জন্য এক অমলিন প্রতীক।”
শাহনুর ইসলাম সরকার রনির বক্তব্য : “আমি বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। টঙ্গীর মানুষ যে ভালোবাসা দেখিয়েছে, সেই দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে। আমরা শুধু একটি পরিবার নয়, এটি জনগণের আশার প্রতীক।”


“আমার বাবা কারাগারে থাকলেও মানুষের ভালোবাসা তাকে মুক্ত রেখেছে। আমাদের লক্ষ্য, সেই ভালোবাসা কাজে রূপান্তর করা।”
টঙ্গীর নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা, টঙ্গীর মানুষ আজও বলতে দ্বিধা করে না—“আমরা নূর ইসলাম সরকারকে চাই।” বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও রাজনৈতিক নেতারা ইতিমধ্যে এই পরিবারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—এ পরিবারের নেতৃত্বই টঙ্গীর প্রকৃত উন্নয়নের প্রতীক।
স্লোগানধর্মী অংশ, ভোট ছিল আমাদের, ছিনিয়ে নিয়েছিল ওরা!
টঙ্গীবাসীর হৃদয়ে এখনো নুরুল ইসলাম সরকার অমর।
জনগণের ভালোবাসা রুখতে পারেনি কারচুপি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার—অন্যায়ের শিকার, কিন্তু জনগণের বিজয়ী।
আজও টঙ্গী বলে—আমরা নূর ইসলাম সরকারকে চাই।
সত্যকে বন্দী রাখা যায় না—ভালোবাসা ফের জেগে উঠবে।


শাহনুর ইসলাম সরকার রনি—বাবার স্বপ্ন পূরণে জনগণের পাশে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভোট ছিল আমাদের, ছিনিয়ে নিয়েছিল ওরা—কিন্তু জনগণের হৃদয়ে তিনি আজও অমর। শাহনুর ইসলাম সরকার রনি বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণে প্রস্তুত।

টঙ্গীর ভোটের ইতিহাসে অমর নাম: বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার

আপডেট সময় : ১১:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫


২০০৪ সালের আলোচিত আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন—
“আমি নির্দোষ, আমি কোনো দোষ করিনি। আমি নিজেকে সমর্পণ করছি শুধু এই জন্য যেন এলাকায় কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, জনগণ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।”
আজও টঙ্গীজুড়ে মানুষ সেই দৃঢ় নেতৃত্ব ও ন্যায়ের প্রতি তার অটুট ভালোবাসা মনে করে।

কারাগার থেকেও জনগণের হৃদয়ে জয়ী

১৯ মাস কারাভোগের পরও থেমে থাকেননি নুরুল ইসলাম সরকার।
২০০৬ সালের টঙ্গী পৌরসভা নির্বাচনে জেলখানা থেকে প্রার্থী হন তিনি।


৬৪টি কেন্দ্রে ভোট হয়েছিল, তার মধ্যে ৪৯টিতে তিনি প্রথম হন। জনগণ দল-মত নির্বিশেষে তাকে ভোট দিয়েছিল।
কিন্তু ক্ষমতাসীন মহলের প্রভাব ও নির্বাচনী কারচুপির কারণে তার জয়কে পরাজয়ে পরিণত করা হয়।
এরশাদনগরসহ প্রায় ১৫টি কেন্দ্রে তার ছেলে শাহনুর ইসলাম রনিকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

তবুও জনগণ প্রমাণ করেছে—ভোট কারচুপি করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয় ছিনিয়ে নেওয়া যায় না।

সাধারণ মানুষের স্মৃতি ও আবেগ, মোঃ হাসান, টঙ্গী পূর্ব থানা: “ভোটে আমরা রাতভর জাগ্রত ছিলাম। কারচুপি হলেও আমরা জানতাম—নুরুল ইসলাম সরকার সত্যিই আমাদের ভালোবেসেছেন।”

শাহিনা আক্তার, ৩৪, সমর্থক: “তিনি শুধু নেতা নন, একজন অভিভাবক ছিলেন। মানুষের জন্য সব সময় চিন্তা করতেন।”
মোঃ আব্দুল্লাহ, স্থানীয় ব্যবসায়ী: “২০০৬ সালের নির্বাচন টঙ্গীর জন্য একটি শিক্ষা ছিল। যে নেতা জনগণের জন্য জীবন বাজি রেখেছে, তাকে ভুলা যাবে না।”


রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মন্তব্য, ড. সেলিম রহমান, রাজনৈতিক বিশ্লেষক: “নুরুল ইসলাম সরকারের জীবন প্রমাণ করে যে, সত্যিকারের নেতা কখনো জনগণের হৃদয় থেকে বিদায় নেয় না। এখন যদি বিএনপি তার পরিবারকে পুনরায় মনোনয়ন দেয়, এটি হবে জনগণের প্রত্যাশার পূর্ণতা।”
অধ্যাপক রুশদী আহমেদ, রাজনীতি বিশেষজ্ঞ: “ভোট কারচুপি করা যায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে সৃষ্টি হওয়া ভালোবাসা কখনো মুছে যায় না। নুরুল ইসলাম সরকার টঙ্গীর মানুষের জন্য এক অমলিন প্রতীক।”
শাহনুর ইসলাম সরকার রনির বক্তব্য : “আমি বাবার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। টঙ্গীর মানুষ যে ভালোবাসা দেখিয়েছে, সেই দায়িত্ব আমাকে নিতে হবে। আমরা শুধু একটি পরিবার নয়, এটি জনগণের আশার প্রতীক।”


“আমার বাবা কারাগারে থাকলেও মানুষের ভালোবাসা তাকে মুক্ত রেখেছে। আমাদের লক্ষ্য, সেই ভালোবাসা কাজে রূপান্তর করা।”
টঙ্গীর নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা, টঙ্গীর মানুষ আজও বলতে দ্বিধা করে না—“আমরা নূর ইসলাম সরকারকে চাই।” বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও রাজনৈতিক নেতারা ইতিমধ্যে এই পরিবারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—এ পরিবারের নেতৃত্বই টঙ্গীর প্রকৃত উন্নয়নের প্রতীক।
স্লোগানধর্মী অংশ, ভোট ছিল আমাদের, ছিনিয়ে নিয়েছিল ওরা!
টঙ্গীবাসীর হৃদয়ে এখনো নুরুল ইসলাম সরকার অমর।
জনগণের ভালোবাসা রুখতে পারেনি কারচুপি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার—অন্যায়ের শিকার, কিন্তু জনগণের বিজয়ী।
আজও টঙ্গী বলে—আমরা নূর ইসলাম সরকারকে চাই।
সত্যকে বন্দী রাখা যায় না—ভালোবাসা ফের জেগে উঠবে।


শাহনুর ইসলাম সরকার রনি—বাবার স্বপ্ন পূরণে জনগণের পাশে।