ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধান উপদেষ্টা

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / ২২৯৬ বার পড়া হয়েছে




প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে বললেন, “জনগণের দোরগোড়ায় সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘হেপাটাইটিস : লেটস্ ব্রেক ইট ডাউন’, যা হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।”
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও যোগ করে বলেন, “লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া এবং নানা কুসংস্কারের কারণে বাংলাদেশে লিভারজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস-বি এবং শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার ও লিভার ফেইলিওরের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করা যায়।”
‘সরকার দেশের হাসপাতালগুলোর মান ও সক্ষমতা উন্নত করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবারকল্যাণ সেবা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্বব্যাপী ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি এবং নাগরিক সমাজসহ সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন নোবেল জয়ী ইউনূস।
নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৮:১০:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে বললেন, “জনগণের দোরগোড়ায় সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উদ্যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘হেপাটাইটিস : লেটস্ ব্রেক ইট ডাউন’, যা হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।”
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও যোগ করে বলেন, “লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া এবং নানা কুসংস্কারের কারণে বাংলাদেশে লিভারজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস-বি এবং শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার ও লিভার ফেইলিওরের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করা যায়।”
‘সরকার দেশের হাসপাতালগুলোর মান ও সক্ষমতা উন্নত করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবারকল্যাণ সেবা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্বব্যাপী ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি এবং নাগরিক সমাজসহ সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন নোবেল জয়ী ইউনূস।
নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।