ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঐক্যের শক্তিতে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা শেখ মোঃ সুমনের ভাবনায় যুবসমাজ ও মানবিক রাজনীতি কারামুক্তি দিবসে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বেনজির রহমান খান পিন্টুর সংগ্রামী শুভেচ্ছা আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী যুবসমাজকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে মোল্লাবাড়ীতে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ত্যাগীদের মূল্যায়ন কোথায় ? দলীয় নেতৃত্বের কাছে বেনজীর রহমান খাঁন পিন্টুর প্রশ্ন এক ভাইয়ের বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল এরশাদ নগরে দ্বীন ইসলাম দিলুর মেজবান যেন মানুষের মিলনমেলা দোয়া, অশ্রু, ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দিন দেশের যেকোনও সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান এরশাদ নগরে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন শেকড় থেকে মানুষের হৃদয়ে মোঃ সোলাইমান সরকারের গল্প

পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী ছাড় পাচ্ছেন

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত

md younus
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২২১৬ বার পড়া হয়েছে




২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের ওয়েবসাইটে এসব মামলার সুপারিশকৃত তালিকা প্রকাশ করবে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির ১২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এদিন নতুন করে আরও ৫১৭টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে গত চার মাসে মোট ৮ হাজার ৮৩২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হলো। এসব মামলার প্রতিটিতে গড়ে অন্তত ৫০ জন করে আসামি ছিলেন। অর্থাৎ বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী এ মামলাগুলোর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে সভায় জানানো হয়।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে যারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে চান, তারা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগে (সলিসিটর অনুবিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ, ঢাকা) অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে (solicitor.lawjusticediv.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন।
মামলার এজাহার বা অভিযোগপত্রের ‘সার্টিফাইড কপি’ সংগ্রহে সমস্যা হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে ‘সার্টিফাইড ফটোকপি’ও দাখিলের সুযোগ থাকছে। এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে কমিটি।
সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হওয়া হাজার হাজার নেতা-কর্মীর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আইনি প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করতে কমিটির নেয়া সিদ্ধান্তগুলো ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী ছাড় পাচ্ছেন

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের ওয়েবসাইটে এসব মামলার সুপারিশকৃত তালিকা প্রকাশ করবে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির ১২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এদিন নতুন করে আরও ৫১৭টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে গত চার মাসে মোট ৮ হাজার ৮৩২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হলো। এসব মামলার প্রতিটিতে গড়ে অন্তত ৫০ জন করে আসামি ছিলেন। অর্থাৎ বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী এ মামলাগুলোর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে সভায় জানানো হয়।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে যারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে চান, তারা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগে (সলিসিটর অনুবিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ, ঢাকা) অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে (solicitor.lawjusticediv.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন।
মামলার এজাহার বা অভিযোগপত্রের ‘সার্টিফাইড কপি’ সংগ্রহে সমস্যা হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে ‘সার্টিফাইড ফটোকপি’ও দাখিলের সুযোগ থাকছে। এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে কমিটি।
সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হওয়া হাজার হাজার নেতা-কর্মীর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আইনি প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করতে কমিটির নেয়া সিদ্ধান্তগুলো ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।