ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ৩ টন চাল বিতরণে মানবিক উদ্যোগ: এরশাদনগরে অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী ছাড় পাচ্ছেন

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত

md younus
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২১২৪ বার পড়া হয়েছে




২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের ওয়েবসাইটে এসব মামলার সুপারিশকৃত তালিকা প্রকাশ করবে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির ১২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এদিন নতুন করে আরও ৫১৭টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে গত চার মাসে মোট ৮ হাজার ৮৩২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হলো। এসব মামলার প্রতিটিতে গড়ে অন্তত ৫০ জন করে আসামি ছিলেন। অর্থাৎ বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী এ মামলাগুলোর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে সভায় জানানো হয়।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে যারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে চান, তারা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগে (সলিসিটর অনুবিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ, ঢাকা) অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে (solicitor.lawjusticediv.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন।
মামলার এজাহার বা অভিযোগপত্রের ‘সার্টিফাইড কপি’ সংগ্রহে সমস্যা হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে ‘সার্টিফাইড ফটোকপি’ও দাখিলের সুযোগ থাকছে। এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে কমিটি।
সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হওয়া হাজার হাজার নেতা-কর্মীর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আইনি প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করতে কমিটির নেয়া সিদ্ধান্তগুলো ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী ছাড় পাচ্ছেন

রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের ওয়েবসাইটে এসব মামলার সুপারিশকৃত তালিকা প্রকাশ করবে।
রোববার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির ১২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, এদিন নতুন করে আরও ৫১৭টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে গত চার মাসে মোট ৮ হাজার ৮৩২টি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশ করা হলো। এসব মামলার প্রতিটিতে গড়ে অন্তত ৫০ জন করে আসামি ছিলেন। অর্থাৎ বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় পাঁচ লাখ নেতা-কর্মী এ মামলাগুলোর মাধ্যমে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে সভায় জানানো হয়।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে যারা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করতে চান, তারা সরাসরি আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগে (সলিসিটর অনুবিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ, ঢাকা) অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে (solicitor.lawjusticediv.gov.bd) আবেদন করতে পারবেন।
মামলার এজাহার বা অভিযোগপত্রের ‘সার্টিফাইড কপি’ সংগ্রহে সমস্যা হলে আবেদনপত্রের সঙ্গে ‘সার্টিফাইড ফটোকপি’ও দাখিলের সুযোগ থাকছে। এটি মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে কমিটি।
সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হওয়া হাজার হাজার নেতা-কর্মীর জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, আইনি প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করতে কমিটির নেয়া সিদ্ধান্তগুলো ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।