গাছা থানা জিয়া সংসদের উদ্যোগে শরীফপুর পূর্ব দক্ষিণপাড়ায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান
বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় গাছায় দোয়া ও মোনাজাত
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২২২৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় গাজীপুরের গাছা থানা শরীফপুর পূর্ব দক্ষিণপাড়া ঈশালী এলাকায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাছা থানা জিয়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল জিয়া সংসদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোছাম্মৎ মায়া খান, গুলশান থানা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাছা থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের সভাপতি মো. মাসুদ রানা।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদের সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন জিয়া সংসদ গাজীপুরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আবুল কালাম, কার্যকরী সদস্য, গাজীপুর মহানগর জিয়া সংসদ; গাছা থানা জিয়া সংসদের সহ-সভাপতি মো. সোহেল; ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড জিয়া সংসদের সভাপতি মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান; এম. এ. মতিনসহ জিয়া সংসদ, যুবদল ও মহিলা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন শরীফপুর পূর্ব দক্ষিণপাড়া ঈশালী জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. রফিক। তিনি কোরআন ও হাদিসের আলোকে মানবকল্যাণ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য আলোর বাতির মতো। তিনি সুস্থ না থাকলে দেশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই আল্লাহর কাছে সবাই মিলে প্রার্থনা করি, তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসে আবারও জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারেন।
বক্তৃতায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জিয়া সংসদসহ দলীয় সব সহযোগী সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির আদর্শ জনগণের কাছে পৌঁছে দেবে এবং ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাতের পর উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। পরে একসঙ্গে খাবার গ্রহণের মাধ্যমে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।




















