শিশুর সম্মানই প্রথম অগ্রাধিকার, রাজনীতির দীর্ঘ বক্তৃতার ধারা ভেঙে মাত্র ১০–১৫ মিনিটে অনুষ্ঠান শেষ করেন প্রভাষক বশির উদ্দিন। তিনি বলেন—“আমি একজন শিক্ষক। শিশু হলো আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আমি দেখাতে চাই— কোনো এমপি বা নেতা নয়, শিশুদের সম্মানই প্রথম অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতে জনগণের জন্য নেতা অপেক্ষা করবে, শিশু নয়।”
এ মানবিক সিদ্ধান্তকে এলাকাবাসী বললেন—“বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী ইতিহাস।”
নারিকেল, সুপারি, তাল, ঔষধি ও কাঠজাতীয় অসংখ্য চারা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন বশির উদ্দিন। শিশুরা মাঠজুড়ে হাতে লেখা স্লোগান তোলে—“গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান।” “গাছে একটি অক্সিজেন ফ্যাক্টরি।” “প্রতিটি গাছ মানে হাজার প্রাণীর জীবন।” “গাছ লাগানো শুধু কাজ নয়, এটি ইবাদত।” “সবুজ পৃথিবী চাই, বেশি বেশি গাছ লাগাই।”
অষ্টম শ্রেণির মাহফুজা খানম ও জান্নাতি খাতুন, চতুর্থ শ্রেণির আনিশা আক্তার মিম, ষষ্ঠ শ্রেণির ইসরাত জাহান ঈমান ও খাদিজা, দ্বিতীয় শ্রেণির রেজা, আরিয়ান আহমেদ ও রায়হানসহ অসংখ্য শিক্ষার্থীর হাতে চারা ফুটে উঠল নতুন আশার প্রতীক।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ লুৎফর রহমান লিটন আবেগঘন কণ্ঠে বলেন—“আজ শুধু গাছ বিতরণ নয়, এটি শিক্ষা ও মানবতার এক মহোৎসব।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—হাজী মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, হাজী মোঃ মনির হোসেন, মোঃ ইদ্রিস শরীফ, সভাপতি, ৫২নং ওয়ার্ড বিএনপি, শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক, ৫২নং ওয়ার্ড বিএনপি, সাইদুল ইসলাম জনি, আহ্বায়ক সদস্য, ৫২নং ওয়ার্ড যুবদল, লুৎফুর রহমান লিটন, সভাপতি, ৫২নং ওয়ার্ড বিএনপি, আব্দুস সাত্তার মিয়া, নেতা, ৫২নং ওয়ার্ড বিএনপি, নূর মোহাম্মদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, ৫২নং ওয়ার্ড বিএনপি, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ভাসানী, মহানগর যুবদল আহ্বায়ক সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক, পশ্চিম থানা যুবদল, মোঃ সেলিম কাজল, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব, থানা যুবদল – টঙ্গীর প্রভাবশালী ও ত্যাগী নেতা, থানা ও টঙ্গী অঞ্চলে বিএনপি ও যুবদলের কার্যক্রমে নিরলসভাবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তরুণ কর্মীদের অনুপ্রেরণার প্রতীক।
মাসুদ রানা, মোহাম্মদ মজিবুর, মনির হোসেন, আবুল হোসেন, রানা – যুবদল নেতৃবৃন্দ, খাদিজা আক্তার বিনা, সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর মহিলা দল, ফেরদৌসি বেগম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, মহানগর মহিলা দল, হালিমা আক্তার সুমি, দপ্তর সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দল, অন্যান্য মহিলা দলের নেত্রীবৃন্দ, ৫২নং ওয়ার্ডের নাগরিক ও অঙ্গসংগঠনের সকলে।
নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার, প্রভাষক বশির উদ্দিন শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন—“দেশের অর্থনীতির শেকড় যেমন শিশুদের, শিশু থেকে পরিবেশের শেকড় তেমনি বৃক্ষ। তারা জ্ঞান অর্জন করছেন, আমরা সবুজ ফিরিয়ে আনছি— এই মেলবন্ধনেই গড়বে নতুন বাংলাদেশ।”
এই কর্মসূচি ছিল—একটি সবুজ কবিতা, মানবতার দোয়া আর পরিবেশের ইবাদত। যেন—“একটি চারা হাতে শিশুরা দাঁড়িয়ে, রোদের তাপে জন্ম নিচ্ছে নতুন ইতিহাস। প্রভাষক বশির উদ্দিন দেখালেন— নেতৃত্ব মানেই করুণা, রাজনীতি মানেই সেবা।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—“বশির উদ্দিন শুধু নেতা নন, তিনি শিক্ষকসুলভ দিশারী। যদি তিনি এমপি হন, গাজীপুর–৬ আসন পাবে মানবতার সেবক ও জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধি।”