ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / ১৮৭৮ বার পড়া হয়েছে




সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনার সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাঙালি নারী ফুটবল দল। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিল ঋতুপর্ণা-আফঈদারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নেপাল। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা নেপাল ২৩ মিনিটে প্রথম সাফল্য পায়। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন গীতা রানা। দীপা শাহির নেয়া কর্নারে পায়ের টোকায় বল জালে পাঠান তিনি। গোল হজম করে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশকে বেশিরভাগ সময়ই রক্ষণে ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে ম্যাচে ফিরে আসে লাল-সবুজের দল। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তার এই ‘অলিম্পিক গোল’ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং বিরতিতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১ সমতায়।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নেপালের একটি আক্রমণে গোলকিপারকে কাটিয়ে শট নিয়েছিলেন রেখা, তবে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসায় অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
এরপর ম্যাচে দুই দলই একাধিক আক্রমণ সাজালেও গোলের দেখা মিলছিল না। ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের গোলকিপার মিলির একাধিক সেভ দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
৭৮ মিনিটে সাগরিকার সামনে ছিল এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ। শামসুন্নাহার জুনিয়রের পাস পেয়ে কাছ থেকে শট নিয়েছিলেন তিনি, তবে নেপাল গোলকিপারের চমৎকার ঘুষিতে বল ফিরে যায়। সেই মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারিত হতে পারত বলে মনে হচ্ছিল।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও ম্যাচ ছিল ১-১ সমতায়। এরপর যোগ করা সময়ের ছয় মিনিটে আসে নাটকীয়তা। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে দারুণ সমন্বয়ে গোল করেন সাগরিকা, যা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের জয়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের এই জয়ে নেপালকে বিদায় করে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ। টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠে আরও একবার শিরোপার খুব কাছে পৌঁছে গেল লাল-সবুজের নারী দল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে টানটান উত্তেজনার সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাঙালি নারী ফুটবল দল। এই জয়ের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিল ঋতুপর্ণা-আফঈদারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নেপাল। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা নেপাল ২৩ মিনিটে প্রথম সাফল্য পায়। কর্নার থেকে আসা বলে গোল করেন গীতা রানা। দীপা শাহির নেয়া কর্নারে পায়ের টোকায় বল জালে পাঠান তিনি। গোল হজম করে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশকে বেশিরভাগ সময়ই রক্ষণে ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে ম্যাচে ফিরে আসে লাল-সবুজের দল। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্দান্ত এক কর্নার কিক থেকে সরাসরি গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। তার এই ‘অলিম্পিক গোল’ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং বিরতিতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১ সমতায়।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নেপালের একটি আক্রমণে গোলকিপারকে কাটিয়ে শট নিয়েছিলেন রেখা, তবে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসায় অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
এরপর ম্যাচে দুই দলই একাধিক আক্রমণ সাজালেও গোলের দেখা মিলছিল না। ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর বাঁকানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের গোলকিপার মিলির একাধিক সেভ দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে।
৭৮ মিনিটে সাগরিকার সামনে ছিল এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ। শামসুন্নাহার জুনিয়রের পাস পেয়ে কাছ থেকে শট নিয়েছিলেন তিনি, তবে নেপাল গোলকিপারের চমৎকার ঘুষিতে বল ফিরে যায়। সেই মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারিত হতে পারত বলে মনে হচ্ছিল।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষেও ম্যাচ ছিল ১-১ সমতায়। এরপর যোগ করা সময়ের ছয় মিনিটে আসে নাটকীয়তা। ম্যাচের একেবারে শেষ দিকে দারুণ সমন্বয়ে গোল করেন সাগরিকা, যা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের জয়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের এই জয়ে নেপালকে বিদায় করে ফাইনালে উঠে যায় বাংলাদেশ। টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠে আরও একবার শিরোপার খুব কাছে পৌঁছে গেল লাল-সবুজের নারী দল।